বইয়ে খোঁজার সময় নাই
সব কিছু এখানেই পাই

রচনা : শরীর চর্চা

সূচনা : আমাদের দেহের অঙ্গপ্রতঙ্গ সমূহকে নড়া চড়া করার নামাই শরীর চর্চা। শরীর চর্চা ছাড়া কোনো মানুষ ভালো স্বাস্থ্য উপভোগ করতে পারেনা। এটি আমাদের ভালো স্বাস্থ্য রক্ষা করে। এটি আমাদের দেহের কর্মক্ষমতা বাড়ায় এবং দেহকে মজবুত রাখে। দেহ সুঠাম ও মজবুত রাখতে শরীরচর্চা খুব প্রয়োজন। এটি আমাদের দেহকে রোগমুক্ত রাখে।

স্বাস্থই সম্পদ : একটি প্রবাদ রয়েছে যে স্বাস্থ্যই হচ্ছে সম্পদ। সত্যিকার অর্থে স্বাস্থ্যই হচ্ছে মানুষের মৌলিক সম্পদ। রোগমুক্ত স্বাস্থ্য মানুষের সফলতা ও সুখের প্রধান উৎসরূপে বিবেচিত।

প্রকারভেদ : অনেক প্রকারের শরীর চর্চা রয়েছে। হাঁটা, দৌঁড়ানো, সাঁতার কাটা, লাপ-ঝাঁপ দেয়া, দৌঁড় খেলা, খেলাধুলা, ব্যায়াম করা এবং যোগ ব্যায়াম হচ্ছে সাধারণ ধরনের শরীর চর্চা। ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, টেবিল-টেনিস, লং টেনিস, ব্যাডমিন্টন এবং কাবাড়ি হচ্ছে উন্নতমানের শরীর চর্চা।

উপযুক্ততা : সকলের জন্য সকল প্রকার শরীর চর্চা উপযুক্ত নহে। হাঁটা এবং দৌঁড়ানো বৃদ্ধ মানুষও ডায়বেটিক রোগীর বেশ উপকারি। যুব শ্রেণীর জন্য সাঁতার, ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, ভলিবল এবং কাবাডি অত্যন্ত উপযোগী।
উপযুক্ত সময় : শরীর চর্চা ও ব্যায়ামের একটি উপযুক্ত সময় রয়েছে। সকাল ও বিকাল শরীর চর্চার উপযুক্ত সময়। গোসল করার সময় সাঁতার দেয়া উপযুক্ত সময়। ঘুম থেকে উঠার সময় যোগ ব্যায়ামের উপযুক্ত সময়।

শরীর চর্চার প্রয়োজনীয়তা : ব্যায়াম ও শরীর চর্চা আমাদের খুব প্রয়োজনীয়। শরীর চর্চা ছাড়া একজন মানুষ সুখী হতে পারেনা। আমাদের জীবন লড়াই ও যন্ত্রণায় পরিপূর্ণ। শরীর চর্চা অনেক যন্ত্রণা ও লড়াইকে লাগব করে দেয়। এটি আমাদের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। এটি আমাদেরকে শক্তিশালী, ক্ষমতাবান এবং কর্মঠ হতে সাহায্য করে।

দেহ ও মনের সম্পর্ক : সুস্থ্য দেহের উপর সুস্থ্য মন নির্ভরশীল অন্যদিকে সুস্থ্য দেহ শরীর চর্চার উপর নির্ভরশীল। সুতরাং জীবনের সুখের উৎস হিসেবে শরীর চর্চাকে ধরে নেয়া যায়। শরীর চর্চা মানসিক চাপের মুখেও আমাদেরকে কাজ করতে সহায়তা করে।

উপসংহার : ছাত্রজীবনে শরীর চর্চার অভ্যাস গঠন করা উচিত। শরীর মনকে সতেজ রাখলে লেখাপড়ার উন্নতি হয়। কর্মজীবনের কর্মশক্তি এ সময়ে অর্জন করতে হয়। জীবন সুখের উৎস হিসেবে শরীর চর্চাকে বেছে নিলে ছাত্র জীবনের প্রস্তুতির পর্বটি হবে সফল ও স্বার্থক।

1 comment:


Show Comments