My All Garbage

Shuchi Potro
সাধারণ জ্ঞান বাংলা ব্যাকরণ বাংলা রচনা সমগ্র ভাবসম্প্রসারণ তালিকা অনুচ্ছেদ চিঠি-পত্র ও দরখাস্ত প্রতিবেদন প্রণয়ন অভিজ্ঞতা বর্ণনা সারাংশ সারমর্ম খুদে গল্প ভাষণ লিখন দিনলিপি সংলাপ অ্যাসাইনমেন্ট-২০২১ English Grammar Composition / Essay Paragraph Letter, Application & Email Dialogue List Completing Story Report Writing Graphs & Charts পুঞ্জ সংগ্রহ বই পোকা হ য ব র ল তথ্যকোষ পাঠ্যপুস্তক CV & Job Application My Study Note আমার কলম সাফল্যের পথে
About Contact Service Privacy Terms Disclaimer Earn Money


বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শিক্ষা সহায়ক ওয়েব সাইট

ঢাকার পহেলা বৈশাখের অভিজ্ঞতা

ঢাকার পহেলা বৈশাখের অভিজ্ঞতা লেখ।

গ্রামে পহেলা বৈশাখে হালখাতা আর বৈশাখী মেলা ছাড়া আর কোনো আনন্দ নেই। অবশ্য সারাদিন বিশেষ খাবার খাওয়ার আলাদা তৃপ্তি এবং আনন্দ আছে। কিন্তু টিভি চ্যানেলগুলোতে ঢাকায় পহেলা বৈশাখের ছবি দেখে আর বর্ণনা শুনে আগ্রহ তৈরি হয়েছে এবার পহেলা বৈশাখ ঢাকায় কাটাবো। ৩০ চৈত্র ঢাকায় চলে এলাম, উঠলাম ফুফুর বাসায়। আমাকে পেয়ে সবাই খুব খুশি। বিকেলে ভাইয়ার সঙ্গে বের হলাম পাঞ্জাবি পাজামা কিনতে। সন্ধ্যার পর পহেলা বৈশাখের সারাদিনের প্রোগ্রাম তৈরি হয়ে গেল। খুব ভোরে উঠে গোসল সেরে নিলাম। সবাই ভাইয়ার সঙ্গে বের হলাম হাঁটতে। অনেকেই হাঁটছে। মেয়েদের পরনে হলুদ লাল পেড়ে অথবা সাদা লালা পেড়ে শাড়ি, খোঁপায় ফুল আর ছেলেদের পাঞ্জাবি বা ধুতি। ছোটদের নানা রঙের ড্রেস। চমৎকার যেন এক ঝাঁক পরি নেমে এসেছে পার্কে। বটতলায় ছায়ানটের বেশ বড় মঞ্চ। সামনের মাঠে প্রায় ভরব গেছে। ফুরু পেপার বিছিয়ে বসতে বললেন। সমবেত কন্ঠে 'আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে' রবীন্দ্রসংগীত দিয়ে শুরু হলো অনুষ্ঠান। এরপর থেকে আবৃত্তি, একক গান, বাঁশি, সেতার, বেহালার সুর, সমবেত সংগীত চলতে থাকল। খুব ভালো লাগল ছায়ানটের অধ্যক্ষ সনজীদা খাতুনের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য। এখান থেকে বেরিয়ে ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠীর দুটো গান শুনলাম। তারপর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতর দিয়ে বাংলা একাডেমি। স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি চলছে। কিছুক্ষণ শুনলাম। সামনাসামনি দেখলাম অনেক কবিকে। দু-একজনের সঙ্গে আলাপ হলো। এরপর যোগ দিলাম মঙ্গল শোভাযাত্রায়। এ আনন্দ ভুলবার নয়। এখান থেকে আবার ঢুকলাম সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। এক জায়গায় দেখলাম পুতুলনাচ চলছে। বেশ আনন্দ পেলাম। ফুফা ক্লান্ত হয়ে বললেন, এবার বাসায় ফেরা যাক। কিন্তু বাসায় ফিরতে কেউ রাজি না। ফুফু প্রস্তাব দিলেন, তার চেয়ে বরং এখানেই কোথাও খেয়ে নেওয়া যাক। ফুচকা, চটপটি, ডিমসেদ্ধ, কলা, চা খেলাম সবাই। কোথায় কেমন লাগলো এ নিয়ে একটু গল্প হলো। তারপর শিল্পকলা একাডেমির বৈশাখী মেলায়। গাড়ি রিকশা চলছে না এ এলাকায়, সুতারাং পা গাড়িই ভরসা। রাস্তায় কথা হাসি আনন্দের মিছিল। মেলায় মানুষের ভিড় এর মধ্যেই আমাদের টুকটাক কেনাকাটা চলছে। বেশি কিনছে ফুফু আর সোনামণি। সোনামণি আমার কোলে, যেটা দেখাচ্ছে সেটাই কিনে দিতে হচ্ছে। ঘেমে গেছি সবাই। ভাইয়া নিয়ে গেলেন রসগোল্লার সামনে। যে যে-কটা পারে খেয়ে নিল সবাই। ডায়াবেটিসের পেসেন্ট ফুফাও খেলেন। মেলায় কে কী দেখল এই গল্প করতে করতে বাসায় পৌঁছালাম।

No comments