My All Garbage

Shuchi Potro
সাধারণ জ্ঞান বাংলা ব্যাকরণ বাংলা রচনা সমগ্র ভাবসম্প্রসারণ তালিকা অনুচ্ছেদ চিঠি-পত্র ও দরখাস্ত প্রতিবেদন প্রণয়ন অভিজ্ঞতা বর্ণনা সারাংশ সারমর্ম খুদে গল্প ভাষণ লিখন দিনলিপি সংলাপ অ্যাসাইনমেন্ট-২০২১ English Grammar Composition / Essay Paragraph Letter, Application & Email Dialogue List Completing Story Report Writing Graphs & Charts পুঞ্জ সংগ্রহ বই পোকা হ য ব র ল তথ্যকোষ পাঠ্যপুস্তক CV & Job Application My Study Note আমার কলম সাফল্যের পথে
About Contact Service Privacy Terms Disclaimer Earn Money


বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শিক্ষা সহায়ক ওয়েবসাইট

ব্যাকরণ : সরকারি কাজে প্রমিত বাংলা ব্যবহারের নিয়ম - ৯

সরকারি কাজে প্রমিত বাংলা ব্যবহারের নিয়ম
পর্ব - ৯ 

–সহ, –সমেত, –যুদ্ধ
'সহিত' অর্থে '–সহ', '–সমেত' এবং '–যুদ্ধ' সবসময় সংশ্লিষ্ট শব্দের পরে যুক্তভাবে বসে। যেমন : 'বইসহ পড়তে এসো', 'গ্রামসুদ্ধ লোক এসেছে', 'বাজারসমেত ব্যাগটা দাও' ইত্যাদি। 'সহ্য করা' অর্থেও 'সহ' শব্দের শেষে যুক্তভাবে বসে। যেমন : দুঃসহ, সর্বংসহা ইত্যাদি। 

সহকারী, উপ–, যুগ্ম, অতিরিক্ত
উপরের চারটি বিশেষণপদের মধ্যে কেবল 'উপ–' একটি উপসর্গ। উপসর্গ স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হতে পারে না, তাই এটিকে পরবর্তী শব্দের সাথে যুক্তভাবে ব্যবহার করতে হবে। যেমন : উপসচিব, উপপরিদর্শক, উপরিচালক, উপমহাপরিচালক, উপমহাহিসাবনিরক্ষক, উপমন্ত্রী ইত্যাদি। 'সহযোগী' অর্থে 'যুগ্ম' যুক্তভাবেই লেখা সংগত। যেমন— যুগ্মসচিব। 'সহকারী', 'অতিরিক্ত' এবং 'জ্যৈষ্ঠ' স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ শব্দ, তাই এগুলোকে আলাদাভাবে লেখাই যুক্তিযুক্ত। যেমন : সহকারী পরিচালক, অতিরিক্ত সচিব, জ্যৈষ্ঠ (সিনিয়র) সচিব ইত্যাদি। 

সহনীয়, সহনশীল
'সহনীয়' শব্দের অর্থ 'সহ্য করা যায় এমন।' অন্যদিকে, 'সহনশীল' শব্দের অর্থ 'সহ্য করতে পারে এমন'। সুতরাং, 'ভূমিকম্প–সহনীয় ইমারত না লিখে 'ভূমিকম্প–সহনশীল ইমারত' লেখাই যথার্থ। 

–সহযোগে
সহযোগে' অন্য শব্দের পরে যুক্তভাবে ব্যবহৃত হয়। যেমন : বন্ধুসহযোগে, মাংসসহযোগে। 

সাধুরূপ, চলিতরূপ : নিবে/নেবে, দিবে/ দেবে

ক্রিয়াপদের সাধু ও চলিত রূপ ভিন্ন ভিন্ন হয়। 'নিবে', 'দিবে' একই সঙ্গে সাধু এবং আঞ্চলিক বা কথ্য রূপ। 'নেবে', 'দেবে' চলিত রূপ। তাই দাপ্তরিক লেখার কাজে সাধু রূপ 'নিবে', 'দিবে' এবং চলিত রূপে 'নেবে', 'দেবে' ব্যবহার বাঞ্চণীয়।

–সাপেক্ষ, সাপেক্ষে
'শর্তে' অর্থে 'সাপেক্ষ' সচরাচর অন্য শব্দের পরে যুক্তভাবে বসে। যেমন : খরচসাপেক্ষ, সময়সাপেক্ষ, বিবেচনাসাপেক্ষ। 'সাপেক্ষে' স্বতন্ত্র শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেমন : একটি বস্তুর গতি বিচার করা হয় অন্য বস্তুর সাপেক্ষে। 

স্ত, স্থ
'স্থ' 'অবস্থিত' অর্থে বিশেষ্যপর পরে যুক্তভাবে বসে। যেমন : মুখস্থ, কণ্ঠস্থ, যন্ত্রস্থ ইত্যাদি। খেয়াল করলে দেখা যায় যায়, 'স্থ' সাধারণত একটি পূর্ণাঙ্গ শব্দের সঙ্গে বসে। অর্থাৎ, 'স্থ' বাদ দিলে একটি পূর্ণাঙ্গ শব্দ (বিশেষ্য) পাওয়া যায়। অন্যদিকে, 'স্ত' ব্যবহৃত হয় শব্দের Passive রূপে। যেমন : অভ্যাস → অভ্যস্ত, বিন্যাস → বিন্যস্ত ইত্যাদি। শব্দ থেকে 'স্ত' বাদ দিলে অবশিষ্ট অংশের কোনও অর্থ থাকে না। 

হস্ – চিহ্ন ( ্ )
হস্ – চিহ্নের ব্যবহারে অত্যন্ত সীমিত ক্ষেত্রে। নামের সঙ্গে কিংবা বিদেশি শব্দের উচ্চারণ পরিষ্কারভাবে বোঝানোর প্রয়োজনে হস্–চিহ্ন ব্যবহার যাবে। যেমন : আব্দুল্লাহ্, বিসমিল্লাহ্ ইত্যাদি। 

হাইফেন ( – )
হাইফেন ড্যাশের চেয়ে ছোটো আকারের হয়। এটি বস্তুত কোনও যতিচিহ্ন নয়। সমাসবদ্ধ শব্দের সব সমস্যমান পদের অর্থ প্রধান হলে তাদের মধ্যে হাইফেন বসে। যেমন : বাবা–মা, পাহাড়–পর্বত। বিশেষ্যের আগে 'যে' বসে ঐ বিশেষ্যেকে নির্দিষ্টভাবে বোঝালেও মাঝখানে হাইফেন ব্যবহার করা যেতে পারে। যেমন : আজ যে–অতীত তোমাকে ভোগাচ্ছে তাকে ভুলে যাও।

হাইফেনেরও দুইদিকে কোনও 'স্পেস' থাকবে না। 

No comments