প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের পাখি
| Article Stats | 📡 Page Views |
|---|---|
|
Reading Effort 572 words | 4 mins to read |
Total View 28.7K |
|
Last Updated 22-Apr-2026 | 10:34 PM |
Today View 0 |
সূচনা :
কী মনোরম দেশটি আমার কৃষক দেখি ধান করে
ঋতুর সাথে তাল মিলিয়ে বনের পাখিরা গান করে ।।
পাখপাখালির দেশ বাংলাদেশ। সকাল থেকে সন্ধ্যাবধি আমরা হরেক রকমের পাখি দেখতে পাই। এদের মধ্যে রং, আকার ও স্বভাবের পার্থক্য রয়েছে। কোনোটি দেখতে সুন্দর আবার কোনোটি খুব বিশ্রী। পাখিরা মিষ্টি সুরে কূজন করতে ভালোবাসে। কিন্তু এদের কোনোটির কণ্ঠস্বর মধুর, কোনোটির আবার কর্কশ কণ্ঠস্বর। কাক একটি সাধারণ পাখি। খুব ভোরে কাকের কর্কশ ডাক শোনা যায়। কাকের ডাক শুনেই আমরা রজনীর সমাপ্তি টের পাই। কাক সকল পাখির মধ্য কুৎসিত এবং কর্কশ কণ্ঠস্বরের অধিকারী। চুরি করা কাকের স্বভাব। সুযোগ বুঝে খাবার চুরি করে বা ছোঁ মেরে নিয়ে যায়।
পাখি প্রকৃতির সৌন্দর্যের প্রতীক। পাখি পরিবেশেরও বন্ধু। বাংলাদেশ বিচিত্র পাখির দেশ।
গানের পাখি : গানের দেশ, সুরের দেশ, আমাদের এই বাংলাদেশ। এদেশের পাখির কণ্ঠে ধ্বনিত হয় মধুর সুর। বউ কথা কও, কোকিল, দোয়েল, পাপিয়া, বসন্ত প্রভৃতি গানের পাখিদের মধ্যে ব্যাপক পরিচিত। মধুর কণ্ঠস্বরের জন্য কোকিল সবার কাছেই প্রিয়। এটি অতিথি পাখি বলেও খ্যাত। কেননা বসন্তের শুরুতে এদের আগমন ঘটে এবং শীত শুরুর আগ পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা যায়। বুলবুলিও গানের পাখি বলে পরিচিত। চড়ুই পাখিটি খুবই ছোট। টুনটুনি আরও জোরে লেজ উচিয়ে এবং লাফাতে লাফাতে মনের সুখে গান করে।
কথক পাখি : টিয়া, ময়না, চন্দনা, শ্যামা প্রভৃতির পাখির কণ্ঠও সুমধুর। শিক্ষা দিলে এরা মানুষের সুর নকল করে কথা বলতে পারে। এজন্যেই এ পাখিগুলো মানুষ পোষে। পোষা পাখি হিসেবে এরা অন্তর্ভুক্ত হয়।
শিকারি পাখি : চিল, বাজ, শকুন, শিকারি পাখি বলে পরিচিত, চিল, বাজ প্রভৃতি হাঁস ও মুরগির বাচ্চা শিকার করে আহার করে। বক, মাছরাঙা পাখিকে সাধারণত জলাশয়ের ধারেকাছেই অবস্থান করতে দেখা যায়। সুযোগ পেলে এদের ছোট ছোট মাছ ধরে আহার করতে দেখা যায়। কাঠঠোকরাও একটি সুশ্রী পাখি। এর ঠোঁট খুব শক্ত তীক্ষ্ন, এরা পোকামাকড় আহার করে। এরা পশুপাখির মাংস আহার করে। মরা পচা খেয়ে এরা মানুষের উপকার করে।
উপসংহার : পাখি হচ্ছে স্রষ্টার অনুপম সৃষ্টি। প্রায় সব পাখিই দেখতে সুন্দর, এদের মধ্যে কোনোটি আবার আমাদের খুবই উপকার করে। তাই এদের প্রতি নিষ্ঠুর না হয়ে সকলের সদয় হওয়া
শিশুদের জন্য প্রবন্ধটি আবার দেওয়া হলো
ভূমিকা : বাংলাদেশ পাখির দেশ। আমাদের বাড়ির আশেপাশে, বনে-জঙ্গলে নানা রঙের পাখি দেখা যায়। কিচিরমিচির মিষ্টি ডাকে পাখিরা আমাদের সকাল বেলা ঘুম ভাঙায়।
গানের পাখি : কোকিল, দোয়েল, বুলবুলি আর টুনটুনি হলো গানের পাখি। কোকিল বসন্তকালে খুব মিষ্টি সুরে গান গায়। দোয়েল আমাদের জাতীয় পাখি, এরাও খুব সুন্দর শিস দেয়।
কথক পাখি : টিয়া, ময়না ও চন্দনা মানুষের মতো কথা বলতে পারে। তাই অনেকে শখ করে এদের খাঁচায় পোষে।
শিকারি পাখি : চিল, বাজপাখি ও বক হলো শিকারি পাখি। মাছরাঙা নদী বা পুকুর থেকে ছোঁ মেরে মাছ ধরে খায় তারা এরা শিকারি পাখি।
উপকারিতা : পাখিরা ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়ে কৃষকের অনেক উপকার করে। কাক ও শকুন ময়লা-আবর্জনা খেয়ে আমাদের পরিবেশ পরিষ্কার রাখে।
উপসংহার : পাখি প্রকৃতির সুন্দর একটি উপহার এবং আমাদের পরিবেশের বন্ধু। তাই পাখিদের ঢিল মারা বা কষ্ট দেওয়া উচিত নয়; এদের প্রতি আমাদের সবসময় সদয় হতে হবে।
- প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের ফল
- প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের ফুল
- প্রবন্ধ রচনা : গরু
- প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের জাতীয় গাছ : আম গাছ
- প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের জাতীয় ফল : কাঁঠাল
- প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের জাতীয় ফুল : শাপলা - [ Visit eNS ]
- প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের জাতীয় ফুল : শাপলা
- প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের জাতীয় পাখি : দোয়েল
- প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের জাতীয় পশু : বাঘ
- প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের গৃহপালিত পাখি
- Composition : Flowers of Bangladesh
- Composition : Fruits of Bangladesh
- Paragraph : Flowers of Bangladesh
- Essay : Your Domestic Pet / The Birds of Bangladesh / Rice / Jute
- Composition : Tea / Cow
Leave a Comment (Text or Voice)
Comments (1)
সববারের মতো বড় হয় নি। এবার অনেক ছোট হয়ে গেছে