বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ
| Article Stats | 📡 Page Views |
|---|---|
|
Reading Effort 243 words | 2 mins to read |
Total View 8.9K |
|
Last Updated 25-Mar-2023 | 08:27 AM |
Today View 0 |
বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে সংলাপ রচনা কর।
আরিফ : হারিছ মিয়া তার বাড়ির পেছনের বাগানের সব গাছ কেটে ফেলল, এটা কি ঠিক করেছে?
জারিফ : সব গাছ কেটে ফেলল মানে! মগের মুল্লুক পেয়েছে নাকি!
আরিফ : আমাদের ‘বৃক্ষবান্ধব’ কমিটি কী করল? তারা এটাকে ঠেকাতে পারল না?
জারিফ : আমিই তো জানি না। আমরা কমিটির লোকজন পাঁচ গ্রামে ঘুরে মানুষকে বুঝিয়ে প্রতিটি বাড়িতে অন্তত একশ করে গাছ লাগানোর ব্যবস্থা করেছিলাম। পাঁচ বছর পরে তার এই হাল!
আরিফ : এখন দেখাদেখি সবাই যদি গাছ কেটে ফেলে তাহলে পরিবেশের কী অবস্থা হবে! আহা রে… এই যে দুই পাড়ে গাছ লাগিয়েছি, এখন কি পাড় ভাঙে? ভাঙে না। ২০ টা পুকুর পাড়ে, রাস্তার দুই ধারে গাছ লাগানো হয়েছে, তাতে যে ভালো হয়েছে লোকজন কি তা দেখে না, বোঝে না?
জারিফ : এলাকার রাস্তা-ঘাট ধুলো উড়ত, চলাফেরা করা যেত না। এখন সবুজ ঘাসে ছেয়ে গেছে। অনেক গাছে ফল ধরছে, পাখির আনাগোনা বেড়েছে। গরু-ছাগল এখন ঘাস খেতে পারছে। স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে এসেছে।
আরিফ : মানুষের মন-মেজাজও এখন ভালো হয়ে উঠেছে। রুক্ষতা নেই। রাগারাগি, মারামারি, খুনোখুনি নেই। সবুজ পরিবেশ বদলে দিয়েছে সবকিছু।
জারিফ : জ্বালানির অভাব অনেকটা কমে গেছে। মানুষ শুকনো পাতা, ডাল ব্যবহার করতে পারছে। জরুরি প্রয়োজনে দু-চারটা গাছ বিক্রি করে অভাব মেটাতে পারছে। ভয়াবহ দারিদ্র্য এখন আর নেই।
আরিফ : তুমি কমিটির মিটিং ডাক। হারিছ মিয়াকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। কিছুতেই স্বাভাবিক পরিবেশ আর নষ্ট করতে দেওয়া যাবে না।
জারিফ : ঠিক বলেছ। আমি কালই সব ব্যবস্থা করছি।
[ আরিফ দৌড়ে হাঁপাতে হাঁপাতে জারিফের কাছে আসে। ]
আরিফ : হারিছ মিয়া তার বাড়ির পেছনের বাগানের সব গাছ কেটে ফেলল, এটা কি ঠিক করেছে?
জারিফ : সব গাছ কেটে ফেলল মানে! মগের মুল্লুক পেয়েছে নাকি!
আরিফ : আমাদের ‘বৃক্ষবান্ধব’ কমিটি কী করল? তারা এটাকে ঠেকাতে পারল না?
জারিফ : আমিই তো জানি না। আমরা কমিটির লোকজন পাঁচ গ্রামে ঘুরে মানুষকে বুঝিয়ে প্রতিটি বাড়িতে অন্তত একশ করে গাছ লাগানোর ব্যবস্থা করেছিলাম। পাঁচ বছর পরে তার এই হাল!
আরিফ : এখন দেখাদেখি সবাই যদি গাছ কেটে ফেলে তাহলে পরিবেশের কী অবস্থা হবে! আহা রে… এই যে দুই পাড়ে গাছ লাগিয়েছি, এখন কি পাড় ভাঙে? ভাঙে না। ২০ টা পুকুর পাড়ে, রাস্তার দুই ধারে গাছ লাগানো হয়েছে, তাতে যে ভালো হয়েছে লোকজন কি তা দেখে না, বোঝে না?
জারিফ : এলাকার রাস্তা-ঘাট ধুলো উড়ত, চলাফেরা করা যেত না। এখন সবুজ ঘাসে ছেয়ে গেছে। অনেক গাছে ফল ধরছে, পাখির আনাগোনা বেড়েছে। গরু-ছাগল এখন ঘাস খেতে পারছে। স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে এসেছে।
আরিফ : মানুষের মন-মেজাজও এখন ভালো হয়ে উঠেছে। রুক্ষতা নেই। রাগারাগি, মারামারি, খুনোখুনি নেই। সবুজ পরিবেশ বদলে দিয়েছে সবকিছু।
জারিফ : জ্বালানির অভাব অনেকটা কমে গেছে। মানুষ শুকনো পাতা, ডাল ব্যবহার করতে পারছে। জরুরি প্রয়োজনে দু-চারটা গাছ বিক্রি করে অভাব মেটাতে পারছে। ভয়াবহ দারিদ্র্য এখন আর নেই।
আরিফ : তুমি কমিটির মিটিং ডাক। হারিছ মিয়াকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। কিছুতেই স্বাভাবিক পরিবেশ আর নষ্ট করতে দেওয়া যাবে না।
জারিফ : ঠিক বলেছ। আমি কালই সব ব্যবস্থা করছি।
Leave a Comment (Text or Voice)
Comments (1)
সংলাপ গুলো আরো বড় কইরেন