সাধারণ জ্ঞান : ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্তিক নিদর্শন/স্থাপনা

History 📡 Page Views
Published
04-Dec-2019 | 07:40 AM
Total View
5.4K
Last Updated
13-Dec-2025 | 06:42 PM
Today View
0

ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্তিক নিদর্শন/স্থাপনা 

মহাস্থবীর শিলভদ্র কোন মহাবিহারের আচার্য ছিলেন? – নালন্দা বিহার।

সোমপুর বিহার কোথায় অবস্থিত? – পাহাড়পুর।

শালবন বিহার কোথায়? – কুমিল্লার ময়নামতি পাহাড়ের পাশে।

আনন্দ বিহার কোথায় অবস্থিত? – ময়নামতি।

বাংলাদেশের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক স্থান হলো - মহাস্থানগড়।

মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত? – করতোয়া।

বাংলাদেশে হিন্দুদের একটি তীর্থস্থান – লাঙ্গলবন্ধ।

ষাট গম্বুজ মসজিদের গম্বুজের সংখ্যা কত? – ৮৩টি (মতান্তরে ৮৭টির উল্লেখ পাওয়া যায়)।

লালবাগ কেল্লায় নির্মিত সুন্দর সমাধি স্থলটি কার? – পরী বিবি বা বিবি পরী (আসল নাম ইরান দুখ্ত)।

রামসাগর কোথায় অবস্থিত? – দিনাজপুরে।

কুসুম্বা মসজিদ কোথায় অবস্থিত? – নওগাঁ জেলার মান্দা থানায়।

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বাংলাদেশের কোথায় অবস্থিত? – সঙ্গোপসাগরে।

মহাস্থানগড় 

বাংলাদেশের প্রাচীনতম শহরটির নাম কী? – পুন্ড্রবর্ধন বা পুন্ড্রনগর। (প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে গড়ে ওঠে)।

বাংলাদেশের প্রাচীনতম শহর পুন্ড্রবর্ধনের বর্তমান নাম কী? – মহাস্থানগড়।

মহাস্থানগড় কী জন্য বিখ্যাত? – বাংলাদেশের প্রাচীন নগর পুন্ড্রবর্ধনের ধ্বংসাবশেষ এবং মৌর্য ও গুপ্ত রাজবংশের পুরাকীর্তির জন্য।

লক্ষ্মীন্দরের মেধ কোথায় অবস্থিত? – মহাস্থানগড়ে।

পরশু রামের প্রাসাদ ও সভাবাটী কোথায় অবস্থিত? – মহাস্থানগড়ে।

গোবিন্দ ভিটা কোথায় অবস্থিত? – মহাস্থানগড়।

ভাসু বিহার কোথায় অবস্থিত? – মহাস্থানগড়।

প্রাচীন ও ঐতিহাসিক মহাস্থানগড় কোথায় অবস্থিত? – বগুড়া জেলায়।

মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত? – করতোয়া।

বৈরাগীর ভিটা/খোদার পাথর ভিটা কোথায় অবস্থিত? – বগড়া জেলার মহাস্থানগড়ে।

মহাস্থানগড়ে কোন যুগের শিলালিপি পাওয়া যায়? – মৌর্য যুগের।

পাহাড়পুর/সোমপুর বিহার

পাহাড়পুর খনন কার্যের ফলে প্রাপ্ত ধ্বংসাবশেষ থেকে কোন সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া যায়? – বৌদ্ধ সভ্যতার।

পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারটি কী নামে পরিচিত? – সোমপুর বিহার। [বর্তমান নাম]

পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (সোমপুর বিহার) কোথায় অবস্থিত? – নওগাঁ জেলায়।

সোমপুর বিহার কে নির্মাণ করেন? – রাজা ধর্মপাল (৭৭—৮৯০ খ্রিঃ), পালবংশীয় রাজা।

সোমপুর বিহারের খনন কাজ প্রথম কে, কবে শুরু করেছিলেন? – ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দে স্যার কানিংহাম নামক একজন ইংরেজ পণ্ডিত।

সোমপুর বিহারের এত গুরুত্ব কেন? – পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ বিহারগুলোর মধ্যে এটি একটি এবং একক বিহার হিসেবে এটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ বিহারও বলা যায়।

সোমপুর বিহারে কয়টি শিলালিপি পাওয়া যায়? – ৪টি। (মূর্তি-৬৩টি, ধাতুর তৈরি মুদ্রা-৫টি।)

সোমপুর বিহারে মোট কতটি কামরা রয়েছে? – ১৭৭টি।

সোমপুর বিহারে কোন যুগের তাম্রলিপি পাওয়া যায়? – গুপ্ত যুগের (৪৭৯ খ্রিঃ)।

সত্যপীরের ভিটা কোথায় অবস্থিত? – নওগাঁ জেলার সোমপুর বিহারের ৩০০ গজ পূর্বদিকে।

ময়নামতি

প্রাচীন পুরাকীর্তির জন্য বিখ্যাত ময়নামতি কোথায় অবস্থিত? – কুমিল্লা জেলায়।

কার নামনুসারে ময়নামতির নামকরণ করা হয়? – রাজা মানিকচন্দ্রের স্ত্রী মায়নামতির নামে।

ময়নামতির পূর্ব নাম কী? – রোহিতগিরি।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রত্মতাত্ত্বিক জাদুঘর কোনটি? – কুমিল্লার ময়নামতি যাদুঘর, ১৯৫৫ সালে নির্মিত।

শালবন বিহার ‍সৃষ্টি করেন কে? – ভবদের (খ্রিষ্টিয় ৮ম শতকে)।

শালবন বিহার কোথায় অবস্থিত? – কুমিল্লার ময়নামতিতে।

শালবন বিহারে কতটি প্রত্নতত্ত্ব পাওয়া গেছে? – ১১৫টি।

ময়নামতিতে বৌদ্ধ সভ্যতার খনন কাজ করা হয় কখন? – ১৯৫৫ সালে।

আনন্দ বিহার কোথায় অবস্থিত? – শালবন বিহারের দুই মাইল উত্তরে (কুমিল্লা জেলার) ময়নামতিতে।

কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত আনন্দ বিহারের খনন কাজ শুরু হয় কখন? – ১৯৭৬ সালে।

রাণীর বাংলা বিহার, ভোজ রাজার বিহার, কুটিলা মুড়া, বৈরাগীর মুড়া কোথায় অবস্থিত? – ময়নামতিতে।

সীতাকোট বিহার

বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার কোনটি? – সীতাকোট বিহার।

সীতাকোট বিহার কোথায় অবস্থিত? – দিনাজপুর।

বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন কে? – সুবাদার ইসলাম খান।

সীতাকোট বিহারের খনন কাজ কবে শুরু হয়? – বেসরকারিভাবে ১৯৬৮ সালে এবং সরকারিভাবে ১৯৭৩ সালে।

সোনারগাঁও

সোনারগাঁও এর প্রাচীন নাম কী? – সুবর্ণগ্রাম।

বাংলার রাজধানী সোনারগাঁ স্থাপন করেন কে? – ঈসা খাঁ।

প্রাচীন ঐতিহাসিক সোনারগাঁও কোথায় অবস্থিত? – ঢাকা থেকে ২৩ কিলোমিটার দূরে নারায়ণগঞ্জে।

কার নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়? – ঈশা খাঁর স্ত্রী সোনাবিবির নামে।

ইসা খাঁর দ্বিতীয় রাজধানী ও দুর্গের জন্য বিখ্যাত – জামালপুর।

কোন আমলে সোনারগাঁও বাংলাদেশের রাজধানী ছিল? – মুঘল আমলে। [বার ভূঁইয়াদের]।

গিয়াস উদ্দিন আজম শাহের কবর ও পাঁচ পীরের মাজার কোথায় অবস্থিত? – সোনারগাঁয়ে।

সোনারগাঁয়ের পূর্বে বাংলার রাজধানী ছিল কোথায়? – মহাস্থানগড়ে।

সোনারগাঁয়ের চারদিকে চারটি নদীর নাম কী কী? – মেঘনা, ব্রহ্মপুত্র, ইছামতি, শীতলক্ষ্যা।

কোন পর্যটন ১৩৪৫ সালে সোনারগাঁও ভ্রমণ করেন? – ইবনে বতুতা (উত্তর আফ্রিকার মরক্কোর অধিবাসী)।

সোনারগাঁও থেকে মধ্য এশিয়া (পাঞ্জাবের সিন্ধু প্রদেশ) পর্যন্ত বিখ্যাত রোডের নাম কী? – গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড (শেরশাহ কর্তৃক নির্মিত)।

বাংলাদেশের একমাত্র লোক শিল্প যাদুঘরটি কোথায় অবস্থিত? – সোনারগাঁও (বর্তমান নাম জয়নুল লোক ও কারুশিল্প যাদুঘর)।

পানাম নগর কোথায় অবস্থিত? – সেনারগাঁও (সোনারগাঁও যাদুঘর এলাকা)।

রূপসী বাংলা কোথায় অবস্থিত? – সোনারগাঁও যাদুঘর এলাকায়।

সংগ্রাম ভাস্কর্য কোথায় অবস্থিত? – সোনারগাঁও।

মহামুনি বৌদ্ধ বিহারটি কোথায় অবস্থিত? – রাউজানে।

ছোট কাটরা ও বড় কাটরা

বিখ্যাত ছোট কাটরা ও বড় কাটরা কোথায় অবস্থিত? – ঢাকার চকবাজারে।

ঢাকার ঐতিহাসিক ছোট কাটরা কে নির্মাণ করেন? – শায়েস্তা খাঁ।

ঢাকার ঐতিহাসিক বড় কাটরা কে নির্মাণ করেন? – শাহ সুজা।

সপ্তদশ শতাব্দীতে নির্মিত ঢাকার মোহাম্মদপুরের সাত গম্বুজ মসজিদের নির্মাতা কে? – শায়েস্তা খাঁ।

সাত গম্বুজ মসজিদের গম্বুজ সংখ্যা প্রকৃতপক্ষে কয়টি? – তিনটি (তবে এর চার কোণায় অর্ধকোণাকার চারটি ফাঁপা মিনার রয়েছে।)

ঘাট গম্বুজ মসজিদ

বিখ্যাত ষাট গম্বুজ মসজিদটি কোথায় অবস্থিত? – বাগেরহাট।

বিখ্যাত ষাট গম্বুজ মসজিদের নির্মাতা কে? – খান জাহান আলী।

ষাট গম্বুজ মসজিদের গম্বুজের সংখ্যা কত? – ৮৩টি। (মতান্তরে ৮৭টির উল্লেখ পাওয়া যায়)।

লালবাগের কেল্লা

লালবাগের কেল্লা নির্মাণ কাজ শুরু করেন কে? – যুবরাজ মোহাম্মদ আযম।

লালবাগ শাহী মসজিদটি কে নির্মাণ করেন? – যুবরাজ মোহাম্মদ আযম।

লালবাগের কেল্লা নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করেন কে? – শায়েস্তা খাঁন। (১৬৭৮ সালে।)

লালবাগ কেল্লার পুরাতন নাম কী? – আওরঙ্গবাদ কেল্লা বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ।

পরী বিবি কে? – শায়েস্তা খানের কন্যা।

পরী বিবির মাজার কোথায় অবস্থিত? – লালবাগ কেল্লায়।

লাল কেল্লা কোথায় অবস্থিত? – ভারতের দিল্লিতে।

উত্তরা গণভবন

উত্তরা গণভবন কোথায় অবস্থিত? – নাটোর জেলায়।

বাংলাদেশের সরকারের উত্তরাঞ্চলীয় সদর দফতর কোনটি? – উত্তরা গণভবন।

উত্তরা গণভাবনের নির্মাতা কে? – রাজা প্রমদা নাথ রায় (১৮৯৭ সালে)।

উত্তরা গণভবনের বিভিন্ন নামকরণ কী কী? – গভর্নর হাউস (১৯৬৭), উত্তরা গণভবন (১৯৭২), দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি ভবন (১৯৮০ সাল থেকে)।

উয়ারি-বটেশ্বর

উয়ারি-বটেশ্বর কোথায় অবস্থিত? – বেলাব, নরসিংদী।

উয়ারি-বটেশ্বর গ্রাম দুটি কোন যুগে গঠিত? – প্লাইস্টোসিন।

উয়ারি-বটেশ্বর কোন নদীর তীরে অবস্থিত? – কয়রা নদী।

উয়ারি-বটেশ্বরের প্রাপ্ত প্রত্নাবশেষ কোন সময়কার? – ৪৫০ খ্রিস্ট পূর্বাব্দের।

উয়ারি-বটেশ্বরে প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব সর্বপ্রথম কে কবে জনসমক্ষে তুলে ধরেন? – মুহাম্মদ হানিফ পাঠান; ১৯৯৩ সালে।

প্রথমে উয়ারি-বটেশ্বর থেকে প্রত্নবস্তু সংগ্রহ এবং গবেষণা শুরু করেন কে? – মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ পাঠান।

আহসান মঞ্জিল

আহসান মঞ্জিল কোথায় অবস্থিত? – ঢাকার ইসলামপুরে।

আহসান মঞ্জিল কে, কবে নির্মাণ করেন? – ঢাকার নবাব আব্দুল গণি, ১৮৫৯ সালে আহসান মঞ্জিলের নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ১৮৭২ সালে সমাপ্ত হয়।

আহসান মঞ্জিল কার নামানুসারে নামকরণ করা হয়? – নবাব আবদুল গণির পুত্র খাজা আহসান উল্লাহ।

আহসান মঞ্জিল কে নিমার্ণ করেন? – ঢাকার নবাব আঃগণি, ১৮৭২ সালে।

আহসান মঞ্জিলে জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয় কবে? – ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯২।

কত সালে ভয়াবহ টর্নেডোতে আহসান মঞ্জিল ক্ষতিগ্রস্থ হয়? – ১৮৮৮ সালে।

বাহাদুর শাহ পার্ক

(ভিক্টোরিয়া পার্ক)
১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের রক্তস্নাত ঘটনার স্মৃতি বিজড়িত পার্ক কোনট? – ভিক্টোরিয়া পার্ক।

কার নামে এবং কবে ভিক্টোরিয়া পার্কের নামকরণ করা হয় বাহদুরশাহ পার্ক? – মোঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ-এর নামানুসারে; ১৯৫৭ সালে।

ইংল্যান্ডের রানী ভিক্টোরিয়া কবে ভারতের শাসনভার গ্রহণের ঘোষণাপত্র পাঠ করেন? – ১৮৫৮ সালে (বাহাদুর শাহ পার্কে)।

১৮৫৭ সালে বিদ্রোহের শতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে ১৯৫৭ সালে এ পার্কে কি নির্মাণ করা হয়? – তৎকালীন ডিআইটি এখানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করেন।

ভিক্টোরিয়া পার্ক কোথায় অবস্থিত? – জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও কবি নজরুল কলেজের সামনে।

বিক্রমপুরী বৌদ্ধবিহার

সর্বশেষ আবিস্কৃত বিক্রমপুরী বৌদ্ধবিহার কোথায় অবস্থিত? – মুন্সিগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার রামপালের রঘুনাথপুর গ্রামে।

বিক্রমপুরী বৌদ্ধবিহার কবে আবিস্কৃত হয়? – ২৩ মার্চ ২০১৩ খ্রি.। (খনন কাজ শুরু ২০১০ সালে)।

কাকে কেন্দ্র করে মুন্সিগঞ্জের সদর উপজেলার বজ্রযোগিনী ও রামপাল অঞ্চলে প্রত্ন খনন কাজ শুরু করে? – বৌদ্ধ ধর্মের মহাপুরুষ জ্ঞানতাপস অতীশ দীপঙ্কর।

বিক্রমপুরী বৌদ্ধবিহারে পাওয়া গ্রাম দুটি কোন যুগে গঠিত? – প্লাইস্টোসিন।

বিক্রমপুরী বৌদ্ধবিহার কোন নদীর তীরে অবস্থিত? – শীতলক্ষ্যা।

বিক্রমপুরী বৌদ্ধবিহার প্রাপ্ত প্রত্নাবশেষ কোন সময়কার? – ১২০০ – ১৩০০ বছর আগের।

বিক্রমপুরী বৌদ্ধবিহারের সাথে কার গভীর সম্পর্ক রয়েছে? – বৌদ্ধধর্মের মহাপুরুষ অতীশ দীপঙ্করের।

বিক্রমপুরী বৌদ্ধবিহারে কয়টি ভিক্ষু কক্ষ পাওয়া যায়? – ৫টি (প্রতিটি কক্ষ ৩.৫মি / ৩.৫ মি)।

বিক্রমপুরী বৌদ্ধবিহারে কী কী পাওয়া যায়? – মৃৎ শিল্প, প্রাচীন শিলা লিপি, ইট, নৌকা ইত্যাদি।

অন্যান্য ঐতিহাসিক প্রত্নতাত্তিক নিদর্শন

ঢাকার চকের মসজিদ ও তারা মসজিদ কে নির্মাণ করেন? – শায়েস্তা খাঁ।

হযরত মোহাম্মদ (সঃ) এর বংশধরদের বাসস্থান - লক্ষ্মীপুরের হায়দারগঞ্জে।

বিখ্যাত সাধক বায়েজীদ বোস্তামী (রহঃ) এর মাজার কোথায় অবস্থিত? – চট্টগ্রামে।

হযরত শাহজালাল (রহঃ) এর মাজার কোথায়? – সিলেটে।

বিখ্যাত সুফী শাহ মখদুম (রহঃ) এর মাজার কোথায়? – রাজশাহীতে।

প্রাচীনকালে ‘সমতট’ বলতে কোন অঞ্চলকে বোঝায়? – কুমিল্লা ও নোয়াখালী।

লালঘাট অবস্থিত - সিলেট।

লালপুর কোন জেলায় অবস্থিত? – নাটোর।

কুষ্টিয়া জেলার “পোড়াদহ” কী জন্য বিখ্যাত? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুটিবাডির জন্য।

প্রবাল কীটের জীবাশ্ম দ্বারা তৈরি দ্বীপ – সেন্টমার্টিন।

বজরাঁ শাহী মসজিদটি কোথায় অবস্থিত? – নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে।

রামসাগর কে, কখন নির্মাণ করেন? – দিনাজপুরের রাজা (১৭৫০-১৭৫৫ সালে) যুবরাজ রামনাথের নামানুসারে এর নামকরণ করেন।

বাবা আদম শাহীর মাজার কোথায় অবস্থিত? – বগুড়ার আদমদীঘি নামক স্থানে।

মনসা মুড়া কোথায় এবং কী জন্য বিখ্যাত? – চাঁদপুর জেলার কচুয়ায়। কল্পনা করা হয় মনসা দেবী এখানে রাতে বিচরণ করতেন।

আদিনা মসজিদ কোথায় অবস্থিত? – ভারতের মালদহ জেলার পান্ডুয়াতে।

কান্তজীর মন্দির কোথায় অবস্থিত? – দিনাজপুরে।

কান্তজীর মন্দির কে, কখন নির্মাণ করেন? – দিনাজপুরের জমিদার প্রাণনাথ; ১৭৩২ সালে পোড়ামাটির ইট দিয়ে তৈরী করেন।

প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপ এর বর্তমান নাম কী? – বরিশাল।

বাংলাদেশের প্রথম প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর কোনটি? – রাজশাহীর ‘বরেন্দ্র জাদুঘর’।

বরেন্দ্রভূমি কোথায় অবস্থিত? – উত্তরবঙ্গে (রাজশাহীর দক্ষিণ পশ্চিম পার্শ্বে)।

গৌড়ের সোনা মসজিদ নির্মিত হয় কার আমলে – হোসেন শাহের আমলে।

বড় সোনা মসজিদ কোথায় অবস্থিত? – গৌড়ে [ভারতের গৌড় জেলায়]।

গৌড়ের কদম রসুল ও বড় সোনা মসজিদ নির্মাণ করেন কে? – নুসরাত শাহ।

বর্তমান বাংলাদেশের কোন অঞ্চল প্রাচীন গৌড় রাজ্যের অধীনে ছিল? – উত্তর বঙ্গ।

পান্ডুয়ার আদিনা মসজিদ কে নির্মাণ করেন? – সেকান্দার শাহ।

বাংলাদেশের সকল সমাধিস্থলের মধ্যে কোনটি সবচেয়ে দামী ও দুর্লভ পাথরে নির্মিত? – লালবাগ কেল্লার পরী বিবির মাজার।

রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ির জন্য বিখ্যাত শিলাইদহ কোথায় অবস্থিত? – কুষ্টিয়া জেলায় (পদ্মা নদীর তীরে)।

বিজয় সিংহের দীঘি কোথায় অবস্থিত? – ফেনী জেলায়।

আনন্দ রাজার দীঘি কোথায় অবস্থিত? – কুমিল্লার ময়নামতিতে।

জিন্দাপীরের মসজিদ/মাজার কোথায় অবস্থিত? – বাগেরহাট।

ইদ্রাকপুর দুর্গ কোথায় অবস্থিত? – মুন্সিগঞ্জে।

গান্ধী আশ্রম কোথায় অবস্থিত? – নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জে।

চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসকে জিয়া স্মৃতি যাদুঘর হিসাবে উদ্বোধন করা হয় কবে? – ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩।

ইসলামবাদ বা পেরিটো গ্রানডে কার পূর্ব নাম? – চট্টগ্রামের।

সুবেদারদের সময় শিয়া সম্প্রদায়ের মহররম পালনের জন্য কী নির্মাণ করা হয়? – হোসনী দালান।

বর্তমানে পরিচিত হোসনী দালান কে নির্মাণ করেন? – ঢাকার নায়েবে নাজিম জেসারাত খাঁ।

বিখ্যাত শাহ সুফী আমানত শাহের মাজার কোথায় অবস্থিত? – চট্টগ্রামে।

মুজিব নগর কোথায় অবস্থিত? – মেহেরপুর জেলায়।

বাংলাদেশের কোথায় কমনওয়েলথ সমাধি রয়েছে? – চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায়।

ছোট সোনা মসজিদ কোথায় অবস্থিত? – চাপাইনবাবগঞ্জে।

১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীরা ১৯১১ সালে কো স্তম্ভ নির্মাণ করেন? – দরবার স্তম্ভ।

দরবার স্তম্ভ কোথায় অবস্থিত? – সাতক্ষীরা জেলার তালা থানায় কপোতাক্ষ নদের তীরে।

রাজবন বৌদ্ধ বিহারটি কোথায় অবস্থিত? – রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই হ্রদের তীরে।

মাটি খুড়ে কোন বিহার প্রথম আবিষ্কার করা হয়? – পাহাড়পুর (পাহাড়পুরের পর শালবন)।

বাংলাদেশ কোন দেশের সাথে মহাস্থানগড়ে চতুর্থবার খনন কার্য চালায়? – ফ্রান্সের সাথে ১৩ ফেব্রুয়ারি ‘৯৭।

ফয়েজ লেক কোথায় অবস্থিত? – চট্টগ্রামের পাহাড়তলী (ইংরেজ প্রকৌশলী মিঃ ফয়েজ ১৯২৪ সালে পাহাড়তলী রেলওয়ে কারখানায় পানি সরবরাহের জন্য নির্মাণ করেন)।

বজরা শাহী মসজিদ কার সময়ে নির্মিত হয়েছিল? – মুর্শিদ কুলী খাঁন।

খোদার পাথর ভিটা কোথায় অবস্থিত? – মহাস্থানগড়ে।

৩৬০ আউলিয়ার শহর কোনটি? – সিলেট।

বারো আউলিয়ার শহর কোনটি? – চট্টগ্রাম।

বৈরাগীর চাল কোথায় অবস্থিত? – গাজীপুরের শ্রীপুরে।

শীলা দেবীর ঘাট কোথায় অবস্থিত? – বগুড়ার মহাস্থানগড়।

রাণী পুকুর কোথায় অবস্থিত? – দিনাজপুর।

বাঘা মসজিদ কোথায় অবস্থিত? – রাজশাহী।

আতিয়া জামে মসজিদ কোথায় অবস্থিত? – টাঙ্গাইল।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে অবস্থিত বজরা শাহী মসজিদটি কে নির্মাণ করেন? – মুর্শিদকুলী খান।

আফগান দুর্গ কোথায় অবস্থিত? – ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে (শেরশাহ কর্তৃক নির্মিত)।

হিন্দুদের অন্যতম তীর্থস্থান লাঙ্গলবন্ধ কোথায় অবস্থিত? – নারায়ণগঞ্জে।

লালন কমপ্লেক্স কোথায় অবস্থিত? – কুষ্টিয়া।

চট্টগ্রামের নাম ইসলামাবাদ রাখেন কে? – শায়েস্তা খান।

প্রাক মোঘল আমলে ঢাকা শহরের প্রাচীনতম মসজিদ কোনটি? – বিনিত বিবির মসজিদ।

মোঘল আমলে ঢাকা শহরে প্রাচীনতম মসজিদ কোনটি? – আওলাদ হোসেন লেনের জামে মসজিদ।

আওলাদ হোসেন লেনের জামে মসজিদের নির্মাতা কে? – সুবেদার ইসলাম খান।

প্রাচীন গৌড় নগরীর অংশ বিশেষ বাংলাদেশের কোন জেলায় ছিল? – চাপাইনবাবগঞ্জ।

জগদ্দল বিহার কোথায় অবস্থিত? – নওগাঁ জেলার ধামাইর হাট থানার জগলদ গ্রামে।

জগদ্দল বিহার খনন কাজ শরু হয় কবে? – ৭ ডিসেম্বর ১৯৯৬ সালে।

ঢাকা তোরণ নির্মাতা কে? – মুঘল সুবেদার মীর জুমলা।

প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন নবরত্ন কোথায় অবস্থিত? – সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায়।

মীর জুমলার কামান কোথায় অবস্থিত? – ওসমানী উদ্যানে।

অযোধ্যা মঠ কোথায় অবস্থিত? – বাগেরহাট।

নীলকরদের অত্যাচার ও নিপীড়নের স্মৃতি গাঁথা ‘নীল সাগর’ জায়গাটি কোথায় অবস্থিত? – নীলফামারী জেলায়।

পুরাতন কীর্তি/নিদর্শন ও অবস্থান

মহাস্থানগড় – বগুড়া জেলায়
পরশুরামের প্রাসাদ ও সভাবাটী – মহাস্থানগড় (বগুড়া)
লক্ষ্মীন্দরের বাসরঘর – মহাস্থানগড় (বগুড়া)
পুণ্ড্রবর্ধন – মহাস্থানগড় (বগুড়া)
বৈরাগীর ভিটা – মহাস্থানগড় (বগুড়া)
বৈরাগীর চালা – মহাস্থানগড় (বগুড়া)।
শীলাদেবীর ঘাট – মহাস্থানগড় (বগুড়া)।
ময়নামতি – কুমিল্লার কোটবাড়ী।
আনন্দ বিহার – কুমিল্লার ময়নামতি।
ধর্মসাগর – কুমিল্লা।
শালবন বিহার – কুমিল্লার ময়নামতি
কৌটিল্য মুড়া – কুমিল্লা
আনন্দ রাজার দীঘি – কুমিল্লার ময়নামতি।
সীতাকোট বিহার – দিনাজপুর।
কান্তজীর মন্দির – দিনাজপুর।
কসবা মসজিদ – দিনাজপুর।
রামসাগর – দিনাজপুর।
রাণী পুকুর – দিনাজপুর।
সোমপুর বিহার – নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর।
জগদ্দল বিহার – নওগাঁ জেলার ধামাইর হাট।
সত্যপীরের ভিটা – নওগাঁ জেলায়।
পাহাড়পুর – নওগাঁ জেলায়।
কুসুম্বা মসজিদ – নওগাঁ।
জয়নুল আবেদিন সংগ্রহ শালা – ময়মনসিংহ।
নজরুলের স্মৃতিময় ত্রিশালের দরিরামপুর – ময়মনসিংহ।
গারো পাহাড় – ময়মনসিংহ।
তিন গম্বুজ মসজিদ – পাবনা।
জগন্নাথ মন্দির – পাবনা।
সোনারগাঁও – নারায়ণগঞ্জ।
লালবাগ দুর্গ – লালবাগ (ঢাকা)
সাতগম্বুজ মসজিদ – ঢাকার মোহাম্মদপুর।
বঙ্গভবন – ঢাকার গুলিস্তান।
মীর জুমলার কামান – ওসমানী উদ্যান।
বিজয় সিংহের দীঘি – ফেনী।
মহামুনি বিহার – রাউজান, চট্টগ্রাম।
বরেন্দ্র যাদুঘর – রাজশাহী।
বাঘা মসজিদ – রাজশাহী।
বিবি মরিয়ম (কামান) – ওসমানী উদ্যান।
তাজহাট রাজবাড়ী – রংপুর।
পানাম নগর – সোনারগাঁও।
বজরা শাহী মসজিদ – বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী।
ষাট গম্বুজ মসজিদ – বাগেরহাট।
নবরত্ন (প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন) – সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায়।
অযোধ্যা মঠ – বাগেরহাট।
উত্তরা গণভবন – নাটোর।
রামু মন্দির – কক্সবাজার।
ছোট সোনা মসজিদ – চাঁপাইনবাবঞ্জ।
চন্দ্রনাথের পাহাড় – সীতাকুণ্ড।
ঘোড়া দীঘি – বাগেরহাট।
হযরত কুবির শাহের মাজার – নাটোর।
হিন্দুপালের পড় – টাঙ্গাইল।
ইছামতি দীঘি – টাঙ্গাইল।
বিক্রমপুরী বৌদ্ধবিহার – মুন্সিগঞ্জ।
বারদুয়ারী মসজিদ – শেরপুর।
পানিহাটা দীঘি – শেরপুর।
গজনী আকাশ কেন্দ্র – শেরপুর।
রঘুনাথ মন্দির – শেরপুর।
আতিয়া জামে মসজিদ – টাঙ্গাইল।
সাগরদীঘি – টাঙ্গাইল।
ধনবাড়ি মসজিদ – টাঙ্গাইল।
এগার সিন্ধুর – কিশোরগঞ্জ।
নয়আনী জমিদারের নাটমন্দির – শেরপুর।
শাহ ইরানী মাজার – নরসিংদী।
পারুরিয়া ঐতিহাসিক মসজিদ – নরসিংদী।
বালাপুর জমিদার কীর্তি – নরসিংদী।
ঘোড়াশাল সার কারখানা – নরসিংদী।
উয়ারী বটেশ্বর – নরসিংদী।
নবাব মীর জুমলার বাড়ি – যশোর।
১১ দুয়ারি মন্দির – যশোর।
ইমামবাড়ি (হাজী মুহসিন নির্মিত) – যশোর।
ঢাকা তোরণ – ঢঃ বিঃ বিজ্ঞান ভবনের পূর্ব পার্শ্বে এবং ক্যান্টনমেন্ট।

প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার ও তার অবস্থান

সোমপুর বা পাহাড়পুর বিহার – নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত। বৌদ্ধ সভ্যতার সর্বশ্রেষ্ঠ নিদর্শন।

শালবন বিহার – কুমিল্লা জেলার ময়নামতিতে অবস্থিত। রাজাধিরাজ ভবদের দ্বারা তৈরি একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।

আনন্দ বিহার – কুমিল্লা জেলার ময়নামতিতে লালমাই পাহাড়ের পাদদেশে রাজা আনন্দ দেব কর্তৃক নির্মিত প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।

মহামুণি বিহার – চট্টগ্রামের রাউজানে অবস্থিত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ঐতিহ্যবাহী বৌদ্ধ বিহার।

সীতাকোট বিহার – দিনাজপুরে অবস্থিত। বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।

রাজবন বৌদ্ধ বিহার – রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই হ্রদের তীরে অবস্থিত। প্রাচীন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ঐতিহ্যবাহী স্থান।

জগদ্দল বিহার – নওগাঁ জেলায় অবস্থিত। পাল রাজাদের শাসনামলে নির্মিত একটি বৌদ্ধ বিহার।

ভাসু বিহার – বগুড়া মহাস্থানগড়ে অবস্থিত। প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার বিখ্যাত স্থান।

সীমা বৌদ্ধ বিহার – পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত। বৌদ্ধ সভ্যতার বিখ্যাত স্থান।

হলুদ বিহার – নওগাঁ

ভোজ বিহার – কুমিল্লা

বিকক্রামপুরী বৌদ্ধবিহার – মুন্সিগঞ্জ

💎 উপরের লিখাগুলো ওয়ার্ড ফাইলে সেভ করুন!

মাত্র ১০ টাকা Send Money করে অফলাইনে পড়ার জন্য বা প্রিন্ট করার জন্য উপরের লিখাগুলো .doc ফাইলে ডাউনলোড করুন।

Download (.doc)
Sribas Chandra Das

Sribas Ch Das

Founder & Developer

HR & Admin Professional (১২+ বছর) ও কোচিং পরিচালক (১৪+ বছর)। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সহজ Study Content নিশ্চিত করতেই এই ব্লগ।

🏷️ Tag Related

⚡ Trending Posts

Facebook Messenger WhatsApp LinkedIn Copy Link

✅ The page link copied to clipboard!

Leave a Comment (Text or Voice)




Comments (0)

SSC রুটিন
২০২৬
আর মাত্র ৩ দিন বাকি
বাংলা-১ম পত্র
২১ এপ্রিল ২০২৬ | মঙ্গলবার
আর মাত্র ৫ দিন বাকি
বাংলা-২য় পত্র
২৩ এপ্রিল ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
আর মাত্র ৮ দিন বাকি
ইংরেজি-১ম পত্র
২৬ এপ্রিল ২০২৬ | রবিবার
আর মাত্র ১০ দিন বাকি
ইংরেজি-২য় পত্র
২৮ এপ্রিল ২০২৬ | মঙ্গলবার
আর মাত্র ১২ দিন বাকি
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
৩০ এপ্রিল ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
আর মাত্র ১৫ দিন বাকি
গণিত
০৩ মে ২০২৬ | রবিবার
আর মাত্র ১৭ দিন বাকি
বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়
০৫ মে ২০২৬ | মঙ্গলবার
আর মাত্র ১৯ দিন বাকি
ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা
০৭ মে ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
আর মাত্র ২২ দিন বাকি
পদার্থবিজ্ঞান / ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা / ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং
১০ মে ২০২৬ | রবিবার
আর মাত্র ২৩ দিন বাকি
ভূগোল ও পরিবেশ
১১ মে ২০২৬ | সোমবার
আর মাত্র ২৪ দিন বাকি
কৃষি / গার্হস্থ্য / অন্যান্য
১২ মে ২০২৬ | মঙ্গলবার
আর মাত্র ২৫ দিন বাকি
হিসাববিজ্ঞান
১৩ মে ২০২৬ | বুধবার
আর মাত্র ২৬ দিন বাকি
রসায়ন / পৌরনীতি / ব্যবসায় উদ্যোগ
১৪ মে ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
আর মাত্র ২৯ দিন বাকি
উচ্চতর গণিত / বিজ্ঞান
১৭ মে ২০২৬ | রবিবার
আর মাত্র ৩২ দিন বাকি
জীববিজ্ঞান / অর্থনীতি
২০ মে ২০২৬ | বুধবার