বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শিক্ষা সহায়ক ওয়েব সাইট

প্রতিবেদন : অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাটের বিবরণ

অতিবৃষ্টিতে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাটের বিবরণ দিয়ে সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্য একটি প্রতিবেদন তৈরি করো।


অতিবৃষ্টিতে ভালুকায় রাস্তাঘাটের বেহাল দশা

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভালুকা, ময়মনসিংহ : আমাদের এ দেশ ষড়ঋতুর বৈচিত্র্যে সাজানো। বর্ষা এই ষড়ঋতুর অন্যতম। বর্ষা যেমন ফসলে-জলে সমৃদ্ধ করে, তেমনি অতিবৃষ্টির প্রকোপে আমাদের ভীষণ ক্ষতিসাধনও হয়। গ্রাম ও শহর উভয়স্থান বর্ষায় প্রভাবিত হয়; তবে বর্ষা শহরে কিছু বাস্তবিক সমস্যা দাঁড় করায়। ঠিক এমনই সমস্যায় পড়েছে ময়মনসিংহের ভালুকা অঞ্চল। গত কয়েক দিন এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাতে রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের বেশিরভাগ অঞ্চলের মতো এ অঞ্চলের রাস্তাঘাটও বিটুমিনের তৈরি যাতে জল জমলে খুব তাড়াতাড়ি ক্ষতির সম্মুখীন হয়। এ অঞ্চলে জলাবদ্ধতার সমস্যা অনেকদিনের। রাস্তায় পাশের ড্রেনগুলো সবসময় নোংরা ও ময়লায় পরিপূর্ণ থাকে। তাই বৃষ্টির জল কোনোভাবেই ড্রেন দিয়ে রেরোতে পারে না এবং রাস্তায় জমে থাকার ফলে খুব সহজেই তা পরিবেশের ক্ষতি করে। সরেজমিনে এ অঞ্চলের রাস্তাগুলো পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে অতিবৃষ্টির ফলে প্রধান প্রধান রাস্তায় কিছুদূর পর পরই বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এ সমস্ত গর্তে বড় যানবাহন উতরে গেলেও ছোট ছোট যানবাহন প্রায়ই আটকে যাচ্ছে। যখন জল জমে থাকে তখন গর্তগুলো দেখা যায় না। ফলে খুব সহজেই যানবাহন ও যাত্রীরা দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়। ভুক্তভোগী এ রকম কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে যে স্কুলের সামনে রাস্তায় খানাখন্দের পরিমাণ এত বেশি যে প্রায়ই রিকশা ও অটোরিকশা থেকে সেখানে যাত্রী নিচে পড়ে গেছে। বেশ কয়েকজন গুরুতর আহতও হয়েছে। অনেক ছাত্রছাত্রী দুর্ঘটনার সম্মুখীন হয়ে বেশ কয়েকদিন স্কুল করতে পারেনি। ফলে তাদের পড়াশোনাতেও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে গর্তগুলোতে ইটের সুড়কি দেওয়া হলেও তা টেকসই হয় নি। এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, রাস্তাগুলো বহু পুরনো; ফলে সেখানে রিকার্পেটিং করেও কোনো লাভ হচ্ছে না। এগুলো সম্পূর্ণ তুলে ফেলে নতুন রাস্তা তৈরি করা না হলে সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে না। সংশ্লিষ্ট বিভাগের এক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, এ বিষয়ে টেন্ডার হয়ে গেছে, বর্ষা শেষ হলেই রাস্তা তৈরির কাজ শুরু হবে।

No comments