বইয়ে খোঁজার সময় নাই, সব কিছু এখানেই পাই

বিশুদ্ধ পানির অভাব সম্পর্কে সংবাদপত্রে প্রকাশের জন্য একটি পত্র

তোমার এলাকায় বিশুদ্ধ পানির অভাব সম্পর্কে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশের জন্য সংবাদপত্রের সম্পাদকের নিকট একটি পত্র রচনা করো। 


১০ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১

বরাবর
সম্পাদক
দৈনিক ইত্তেফাক
৪০ কারওয়ান বাজার
ঢাকা-১২১৫

বিষয় : সংযুক্ত পত্রটি পত্রিকায় প্রকাশের জন্য আবেদন।

জনাব,
আপনার বহুল প্রচারিত ‘দৈনিক ইত্তেফাক’ পত্রিকার চিঠিপত্র বিভাগে অনুগ্রহপূর্বক আমার নিম্নলিখিত পত্রটি প্রকাশ করে অত্র এলাকার অধিবাসীদের দুঃখ-কষ্টের করুণ চিত্র তুলে ধরলে কৃতার্থ হব। 

নিবেদক
মো. আফজাল হোসেন
ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর

আলুনিয়ায় বিশুদ্ধ পানির অভাব

চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার অন্তর্গত আলুনিয়া গ্রামের দারিাদ্র্যপীড়িত অধিবাসীবৃন্দ দীর্ঘকাল ধরে নিদারুণ পানিকষ্ট ভোগ করে আসছে। গ্রামে বিশুদ্ধ পানি পাওয়ার মতো কোনো নলকূপ নেই। অতি পুরাতন তিনটি পাতকুয়া, দুটো পুরাতন পুকুর ও ছোট একটি খাল গ্রামে রয়েছে। পানির এ সীমিত উৎস থেকে গ্রামবাসী কোনোরকমে দৈনন্দিন কাজ ও পানীয়জলের অভাব মিটিয়ে থাকে। পুকুরগুলো অতি পুরাতন এবং সংস্কারের অভাবে শ্যাওলা জাতীয় জলজ উদ্ভিদে পরিপূর্ণ হয়ে আছে। খালটাতে একমাত্র বর্ষা মৌসুম ছাড়া অন্যসময় মোটেই পানি থাকে না। শুকনো মৌসুমে তাই গ্রামে নিদারুণ পানি কষ্ট দেখা দেয়। যে কয়টি পাতকুয়া আছে তা গ্রামবাসীর চাহিদা পূরণ করতে পারে না। মানুষ বাধ্য হয়ে বদ্ধ পুকুরের জীবাণুযুক্ত পানি পান করে। ফলে প্রায়ই সাধারণ গ্রামবাসীকে কলেরা, ডায়রিয়া, আমাশয়, টাইপয়েড প্রভৃতি পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হতে হয়, এসব রোগে অনেকে অকালে মৃত্যুবরণ করে। পানির এ প্রকট সমস্যা দূর করার জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার আবেদন করেও কোনো লাভ হয়নি। 

অতএব, আমাদের এ মারাত্মক সমস্যাটি সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করে অনতিবিলম্বে এই গ্রামে কয়েকটি নলকূপ স্থাপন করে অসহায় জনগণকে অকালমৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সদয়দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। 

আলুনিয়া গ্রামবাসীর পক্ষে
মো. আফজাল হোসেন
ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর।

No comments