My All Garbage

Shuchi Potro
সাধারণ জ্ঞান বাংলা ব্যাকরণ বাংলা রচনা সমগ্র ভাবসম্প্রসারণ তালিকা অনুচ্ছেদ চিঠি-পত্র ও দরখাস্ত প্রতিবেদন প্রণয়ন অভিজ্ঞতা বর্ণনা সারাংশ সারমর্ম খুদে গল্প ভাষণ লিখন দিনলিপি সংলাপ অ্যাসাইনমেন্ট-২০২১ English Grammar Composition / Essay Paragraph Letter, Application & Email Dialogue List Completing Story Report Writing Graphs & Charts পুঞ্জ সংগ্রহ বই পোকা হ য ব র ল তথ্যকোষ পাঠ্যপুস্তক CV & Job Application My Study Note আমার কলম সাফল্যের পথে
About Contact Service Privacy Terms Disclaimer Earn Money


বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শিক্ষা সহায়ক ওয়েবসাইট

সাধারণ জ্ঞান : বাংলাদেশের রপ্তানি দ্রব্য ও ক্রেতা দেশ / বাংলাদেশের প্রধান প্রধান আমদানি দ্রব্য / রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল / EPZ সমূহ

বাংলাদেশের রপ্তানি দ্রব্য ও ক্রেতা দেশ

তৈরি পোশাক : যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভূক্ত দেশসমূহ।

হিমায়িত খাদ্য : ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, থাইল্যান্ড, মধ্যপ্রাচ্য, ই.ইউ।

চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্য : যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, জাপান, কোরিয়া, ভারত, বেলজিয়াম, পোল্যান্ড।

চা : যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, জাপান, জার্মানী, ফ্রান্স, ইতালি।

পাট ও পাটজাত দ্রব্য : ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, জাপান, জার্মানী, ফ্রান্স, ইতালি, পোল্যান্ড, হাঙ্গেরী।

কাগজ ও নিউজপ্রিন্ট : ভারত, পাকিস্তান, ইরাক, হাঙ্গেরী, পোল্যান্ড।

হস্তশিল্পজাত দ্রব্য : যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্য, ইতালি।

বাংলাদেশের প্রধান প্রধান আমদানি দ্রব্য

খাদ্যশস্য : যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, থাইল্যান্ড ও ভারত।

খনিজ তেল : মধ্যপ্রাচ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।

পরিবহন যান ও যন্ত্রপাতি : জাপান, ভারত, ইতালি, ফ্রান্স ও জার্মানী।

কলকব্জা ও যন্ত্রপাতি : যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও যুক্তরাজ্য।

লৌহ ও ইস্পাতজাত দ্রব্য : যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, যুক্তরাজ্য, থাইল্যান্ড, জাপান ও ডেনমার্ক।

রাসায়নিক দ্রব্য ও ঔষধপত্র : যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, যুক্তরাজ্য, থাইল্যান্ড, জাপান ও ডেনমার্ক।

প্রাণীজ, ভেষজ তৈল ও চর্বি : অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও শ্রীলংকা।

রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল

BEPZA কী? – Bangladesh Export Processing Zone Authority.

বাংলাদেশে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলগুলো কী নামে পরিচিত? – ইপিজেড (EPZ) (BEPZA নিয়ন্ত্রিত)।

বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ে EPZ এর অবদান কত? – ১৮%

EPZ নিয়ন্ত্রনকারী সংস্থার নাম কী? – BEPZA.

বাংলাদেশে এ যাবৎ কয়টি ইপিজেড স্থাপিত হয়েছে? – ১০টি। ৮টি (সরকারি) সর্বশেষ কর্ণফুলী ইপিজেডসহ এবং ২টি (বেসরকারি)।

বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড কোনটি? – চট্টগ্রাম ইপিজেড।

চট্টগ্রাম ইপিজেড কত সালে স্থাপিত হয়? – ১৯৮৩ সালে।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড কোনটি? – ঢাকা ইপিজেড; সাভারে (১৯৮৭ সালে স্থাপিত)।

বাংলাদেশের তৃতীয় ইপিজেড কোনটি? – মংলা ইপিজেড।

বাংলাদেশের চতুর্থ ইপিজেড কোনটি? – কুমিল্লা ইপিজেড।

বাংলাদেশের পঞ্চম এবং উত্তরাঞ্চলের প্রথম ইপিজেড কোনটি? – ঈশ্বরদী ইপিজেড, পাবনা।

বাংলাদেশের একমাত্র কৃষি ভিত্তিক ইপিজেড ও উত্তরাঞ্চলের দ্বিতীয় ইপিজেড কোনটি? – উত্তরা ইপিজেড, নীলফামারী।

বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ইপিজেড কোনটি? – REPZ (রাঙ্গুনিয়া ইপিজেড)।

REPZ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় কবে? – ১০ অক্টোবর ১৯৯৯।

দেশের দ্বিতীয় বেসরকারি ইপিজেড কোনটি? – KEPZ (কোরিয়া ইপিজেড), ১২ মে ২০০৭।

KEPZ (কোরিয়ান ইপিজেড) কোথায় অবস্থিত? – চট্টগ্রাম, কর্ণফূলী নদীর মোহনায়।

KEPZ প্রস্তুতকরণে কোন দেশীয় কোম্পানি বিনিয়োগ করে? – দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়ংওয়ান।

বাংলাদেশের ইপিজেডগুলোতে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করে কোন দেশ? – দক্ষিণ কোরিয়া।

সম্প্রতি ঢাকা ইপিজেডে ইউরোপের কোন দেশটি বিনিয়োগ করে? – সুইজারল্যান্ড।

EPZ সমূহে বিনিয়োগকারী দেশ কয়টি? – ৩৩টি।

আদমজী ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় কবে? – ৬ মার্চ ২০০৬ (নারায়নগঞ্জে)।

বাংলাদেশে সর্বশেষ ইপিজেডের নাম কী? – কর্ণফুলী ইপিজেড।

বাংলাদেশ নির্মিতব্য ইপিজেড সংখ্যা কতটি? – ২টি; (ফেনী ইপিজেড এবং মেঘনা ইপিজেড, মুন্সিগঞ্জ)।

বেপজার গভর্নিং বডি কবে ফেনী ও মেঘনা ইপিজেড স্থাপনের অনুমোদন দেয়? – ১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৮।

EPZ সমূহ

নাম আয়তন অবস্থান কার্যক্রম শুরু
চট্টগ্রাম ৪৫৩ একর হালিশহর, চট্টগ্রাম ১৯৮৩
ঢাকা ৩৫৩ একর সাভার, ঢাকা ১৯৯৩
মংলা ৪৬০ একর মংলা, বাগেরহাট ২৩ মে, ১৯৯৮
ঈশ্বরদী ৩০৯ একর পাকশি, পাবনা ১৯৯৮
উত্তরা ২৬৫ একর সঙ্গলশী সদর, নীলফামারী ১৯৯৯
কুমিল্লা ২৬৭ একর বিমান বন্দর, কুমিল্লা ১৫ জুলাই, ২০০০
আদমজী নারায়ণগঞ্জ ৬ মার্চ ২০০৬
কর্ণফুলী ২২২ একর পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম ১২ সেপ্টেম্বর ২০০৬

বেসরকারি ২টি ইপিজেড
১. রাঙ্গুনিয়া ইপিজেড, স্থাপিত – ১০ অক্টোবর ১৯৯৯।
২. কেইপিজেড, আয়তন – ২,৬০০ একর, অবস্থান – চট্টগ্রাম, স্থাপিত – ১২ মে ২০০৭।

2 comments:


Show Comments