My All Garbage

Shuchi Potro
সাধারণ জ্ঞান বাংলা ব্যাকরণ বাংলা রচনা সমগ্র ভাবসম্প্রসারণ তালিকা অনুচ্ছেদ চিঠি-পত্র ও দরখাস্ত প্রতিবেদন প্রণয়ন অভিজ্ঞতা বর্ণনা সারাংশ সারমর্ম খুদে গল্প ভাষণ লিখন দিনলিপি সংলাপ অ্যাসাইনমেন্ট-২০২১ English Grammar Composition / Essay Paragraph Letter, Application & Email Dialogue List Completing Story Report Writing Graphs & Charts পুঞ্জ সংগ্রহ বই পোকা হ য ব র ল তথ্যকোষ পাঠ্যপুস্তক CV & Job Application My Study Note আমার কলম সাফল্যের পথে
About Contact Service Privacy Terms Disclaimer Earn Money


বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শিক্ষা সহায়ক ওয়েবসাইট

সাধারণ জ্ঞান : বিপ্রদাশ বড়ুয়া

বিপ্রদাশ বড়ুয়া 

বিপ্রদাশ বড়ুয়া কবে, কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? — ১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দের ২০ শে সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 

তাঁর পিতামাতার নাম কী? — পিতার নাম অরুণ কুমার বড়ুয়া ; মাতার নাম সুষমা বড়ুয়া। 

তাঁর পিতার পেশা কী ছিল? — ডাক্তার। 

তিনি কবে, কোথা থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন? — ১৯৫৮ খ্রিঃ রাঙামাটি (সরকারি) উচ্চ বিদ্যালয় থেকে। 

তিনি কবে, কোথা থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পরীক্ষা পাশ করেন? — ১৯৬৭ সালে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে বাংলায় স্নাতক ও পরের বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

কর্মজীবনে তিনি কী ছিলেন? — বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সহকারী পরিচালক হিসেবে চাকরী করেন এবং অবসর গ্রহণ করেন। 

বিপ্রদাশ বড়ুয়া রচিত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থসমূহের পরিচয় উল্লেখ কর।
উপন্যাস : 'অচেনা' (১৯৭৫), 'ভয় ভালোবাসা নির্বাসন' (১৯৮৮), 'শ্রামণ গৌতম' (১৯৯৬), 'অশ্রু ও আগুনের নদী' (২০০৬)। 

ছোটদের উপন্যাস : 'রোবট ও ফুল ফোটানোর রহস্য' (১৯৯৮), 'জাদুমানিক স্বাধীনতা' (১৯৯২), 'রাতের রেলগাড়িতে ছায়াপথে ভ্রমণ' (২০০০)।

ছোটগল্প : 'যুদ্ধজয়ের গল্প' (১৯৮৫), 'গাঙচিল' (১৯৮৬), 'স্বপ্নমিছিল' (১৯৮৯), 'আমি মুক্তিযুদ্ধ সমর্থন করি' (১৯৯১), 'বনের ভেতর অদ্ভুত রেস্তোরাঁ ' (২০০০)।

প্রবন্ধগ্রন্থ : 'কবিতায় বাকপ্রতিমা' (১৯৭৬)।

নাটক : 'কুমড়োলতা ও পাখি' (১৯৯৭)।

শিশুসাহিত্য : 'সূর্য লুঠের গান' (১৯৮০), 'বাঘের উপর টাগ' (১৯৯৩)।

জীবনী : 'বিদ্যাসাগর' (১৯৮৮), 'পল্লীকবি জসীমউদ্দীন' (১৯৯৭)। 

প্রকৃতি বিষয়ক : 'কাছের পাখি দূরের পাখি' (১৯৭৯), 'নদী মেঘলা বাংলাদেশ' (১৯৯৪), 'পাখির ভুবন' (২০০২)।

ভ্রমন–গ্রন্থ : 'অপরূপ মায়ানমার' (২০০৩), 'মায়াবি জাপান' (২০১০), 'ভূস্বর্গ ভ্রমণ : বাংলাদেশ' (২০১১)। 

বিপ্রদাশ বড়ুয়া কী কী পুরস্কার ও পদক লাভ করেন? — কথাশিল্পী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮২), আন্তর্জাতিক যুববর্ষ পদক (১৯৮৫), অগ্রণী ব্যাংক শিশুসাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৯, ১৯৯২, ১৯৯৮), বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৯১), অতীশ দীপঙ্কর স্বর্ণপদক (১৯৯৭)। 

'মংডুর পথে' থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু  তথ্য— 
'মংডুর পথে' বিপ্রদাশ বড়ুয়ার কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে? — অপরূপ মায়ানমার থেকে। 

'অপরূপ মায়ানমার' কবে গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায়? — ২০০৩ সালে।

মায়ানমারের পূর্ব নাম কী? — বার্মা। 

ব্রিটিশ যুগ বলতে কী বোঝান হয়েছে? — যে সময় ব্রিটিশেরা এ অঞ্চল শাসন করেছে। 

পাদরী কারা? — খ্রিষ্টীয় ধর্ম প্রচারকদের পাদরী বলে। 

সপ্তদশ শতাব্দী কোন সময়? — ১৬০১ থেকে ১৭০০ খ্রিঃ পর্যন্ত।

পর্তুগিজ কারা? — পর্তুগাল দেশের অধিবাসী। 

পর্তুগিজরা বসত অঞ্চলকে কী বলতো? — ব্যান্ডেল।

চট্টগ্রামের ব্যান্ডেল রোড কাদের স্মৃতি বহন করছে? — পর্তুগিজদের। 
 
'খাঁচা–ছাড়া পাখির মতো উড়াল দিলাম।' –এটা কী? — একটি উপমা।

আরাকানের বর্তমান নাম কী? — রাখাইন রাজ্য।

রাখাইন রাজ্যের রাজধানীর নাম কী? — সিত্তিওয়ে।

শুক্লপক্ষ কী? — পূর্ণিমার চাঁদের উদ থেকে অবসান পর্যন্ত সময়।

'মহিলারা চিরস্বাধীন।' –এই বাক্য দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে? — মায়ানমারে নারী স্বাধীনতা আছে ব্যাপক। নারীরা দোকানের মালিক, ভাসমান দোকান পরিচালনা, বাজারে দ্রব্য বিক্রি সবকিছু করে, পুরুষেরা এতে কোনো আপত্তি বা বিপত্তি করে না।

'বয়' কারা? — খাবারের দোকানে যারা পরিবেশনের কাজ করে কথ্য ভাষায় তাদের বয় বলে।

পুলকসহ খাওয়া কী? — আনন্দের সাথে আহার করা।

প্যাগোডা কী? — বৌদ্ধদের উপাসনালয়। 

মায়ানমারের মুদ্রার প্রকৃত নাম কী? — ক্যাত (Kyat)।

'চ্যা' কী? — মায়ানমারের মুদ্রার আঞ্চলিক উচ্চারণ।

চীবর কী? — বৌদ্ধ ভিক্ষুকদের পরিধানযোগ্য সেলাইবিহীন কাপড়।

চীবর সাধারণত কোন রঙের হয়ে থাকে? — লাল বা লাল রঙের কাছাকাছি। 

মহাথেরো কে? — বৌদ্ধ ধর্মীয় প্রধান গুরু।

ধানী লঙ্কা কী? — ধানের মতো ছোট কিন্তু অধিক ঝাল বিশিষ্ট এক ধরনের মরিচ।

বড়ুয়া কারা? — চট্টগ্রামের সমতলে বসবাসকারী বাংলা ভাষাভাষী বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠী। 

পাইক্যা কী? — তিন চাকার রিকশা জাতীয় ইঞ্জিনচালিত যান।

প্রৌঢ় কারা? — যারা যৌবন ও বার্ধক্যের মাঝামাঝি অবস্থাপ্রাপ্ত। 

কুমারী কাকে বলে? — অবিবাহিতা নারীকে।

No comments