My All Garbage

Shuchi Potro
সাধারণ জ্ঞান বাংলা ব্যাকরণ বাংলা রচনা সমগ্র ভাবসম্প্রসারণ তালিকা অনুচ্ছেদ চিঠি-পত্র ও দরখাস্ত প্রতিবেদন প্রণয়ন অভিজ্ঞতা বর্ণনা সারাংশ সারমর্ম খুদে গল্প ভাষণ লিখন দিনলিপি সংলাপ অ্যাসাইনমেন্ট-২০২১ English Grammar Composition / Essay Paragraph Letter, Application & Email Dialogue List Completing Story Report Writing Graphs & Charts পুঞ্জ সংগ্রহ বই পোকা হ য ব র ল তথ্যকোষ পাঠ্যপুস্তক CV & Job Application My Study Note আমার কলম সাফল্যের পথে
About Contact Service Privacy Terms Disclaimer Earn Money


বিজয়ের মাস
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শিক্ষা সহায়ক ওয়েবসাইট
HSC Preparation 2022

সাধারণ জ্ঞান : গিরিশচন্দ্র সেন

গিরিশচন্দ্র সেন

গিরিশচন্দ্র সেন কবে জন্মগ্রহণ করেন? — ১৮৩৫ সালে।

গিরিশচন্দ্র সেন কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? — বর্তমান নরসিংদী জেলার পাঁচদোনা গ্রামে।

তিনি কিভাবে ও কবে ব্রাহ্মমতে দীক্ষিত হন? — কেশবচন্দ্র সেন ও বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর প্রভাবে ১৮৭১ সালে ব্রাহ্মমতে দীক্ষিত হয়ে বিভিন্ন ভাষা ও ধর্ম সম্পর্কে পঠন—পাঠনে আগ্রহান্বিত হন।

তিনি কোন কোন ভাষায় সুপণ্ডিত ছিলেন? — বাংলা, সংস্কৃত, পারসি, আরবি (আরবি ভাষা ও ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে জানতে তিনি লক্ষ্মৌ যান।)

কী কারণে তিনি চিরদিন অমর হয়ে থাকবেন? — বাঙালি মুসলিমদের জন্য মুসলিম ধর্মগ্রন্থ বঙ্গানুবাদ ও মহাপুরুষদের জীবনী রচনা, বিশেষত বাংলা ভাষায় প্রথম পবিত্র কুরআন শরীফ অনুবাদের জন্য।

গিরিশচন্দ্রের পবিত্র কুরআন অনুবাদ সম্পর্কে লেখ।
— যে কোনো বিষয় এক ভাষা থেকে আরেক ভাষায় রূপান্তর তথা অনুবাদ করার কাজটি খুবই স্পর্শকাতর ও সাহসের। আর বিষয়টি যদি ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত হয় তবে তাতে সাবধানতার পরিমাণ আরো বেশি হয়ে দাঁড়ায়। গিরিশচন্দ্র সেন দীর্ঘ ৬ বছর (১৮৮১-১৮৮৬) পরিশ্রম করে নিজের বিদ্যার উপর সাহস ও দৃঢ়তা রেখে কুরআনের ১ম অনুবাদ করেন। তাঁর এই অনুবাদ কর্মটি মুসলিম পণ্ডিতগণ অনুমোদন ও সাদরে গ্রহণ করার ফলে তাঁর কষ্টের সার্থকতা আসে। মওলানা আকরম খাঁ (তিনি গিরিশচন্দ্র সেনের পরে কুরআন অনুবাদ করেন) গিরিশচন্দ্র সেনের অনুবাদের লিখিত প্রশংসা করেন।

গিরিশচন্দ্র সেনের মুসলিমদের জন্য রচিত গ্রন্থসমূহের পরিচয় দাও।
  • শেখ ফরিদুদ্দিন আত্তারের পারসি ভাষার গ্রন্থ 'তাজকেরাতুল আত্তালিয়া' অবলম্বনে 'তাপসমালা'। 'তাপসমালা'তে ৯৬ জন মুসলিম সাধকের জীবনচরিত রচিত হয়েছে।
  • 'মিশকাত শরিফে'র অর্ধেক অনুবাদ করেন 'হাদিস-পূর্ব বিভাগ' নামে।
  • শেখ ফরিদুদ্দিন আত্তারের 'মানতেকুহতায়েব' এবং মাওলানা জালালুদ্দিন রুমির 'মসনবি শরীফ' পারসি গ্রন্থ থেকে উপাদান নিয়ে লেখেন 'তত্ত্বরত্নমালা'।

গিরিশচন্দ্র সেন রচিত আরো কয়েকটি গ্রন্থের নাম লিখ।
— 'হাদিস বা মেসকাত মসাবিহ'; 'মহাপুরুষচরিত'; 'মহাপুরুষ মোহাম্মদ ও তৎপ্রবর্তিত এসলাম ধর্ম'; এমাম হাসান ও হোসায়েনের জীবনী'; 'চারটি মুসলমান নারী' সহ মোট ৪২ টি গ্রন্থ তিনি রচনা ও অনুবাদ করেন।

গিরিশচন্দ্র সেন সম্পর্কে কি বলা হয়?
— ধর্মচর্চা যে শুধু আপনধর্মের গুণকীর্তন ও মাহাত্ম্য বর্ণনা নয়, পরধর্ম ও মতের ভালো দিকগুলো প্রকাশ ও উন্মোচন, গিরিশচন্দ্র সেন দেখিয়েছেন দারুণভাবে। একজন অমুসলিম হয়েও গিরিশচন্দ্র সেন প্রথম বাঙালি মুসলিমদের সামনে উপস্থাপন করলেন তাদের পবিত্র গ্রন্থ আল কুরআন, তাদের নানা রকম ধর্মগ্রন্থ, বই-পুস্তক, জীবনী যার সবগুলো এক একটি অনন্য দৃষ্টান্ত।

তিনি কবে মৃত্যুবরণ করেন? — ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ই আগষ্ট।

No comments