সাধারণ জ্ঞান : প্রোটোজোয়া

প্রোটোজোয়া

ম্যালেরিয়া রোগের সৃষ্টির উৎস হিসেবে পূর্বে কি ধারণা করা হতো? — দূষিত বায়ুকে।

ম্যালেরিয়া (Malaria) শব্দের অর্থ কী? — দূষিত বাতাস।

ম্যালেরিয়া শব্দটা সর্বপ্রথম কে প্রয়োগ করেন? — টর্টি।

ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু কে আবিষ্কার করেন? — ফরাসি ডাক্তার চার্লস ল্যাভেরন (১৮৮০ সালে)।

ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু কোন মশা বহন করে? — অ্যানোফিলিস মশকী।

অ্যানোফিলিস (স্ত্রী মশকী) কিসের মাধ্যমে মানুষের শরীরে ম্যালেরিয়ার জীবাণু প্রবেশ করে? — লালার মাধ্যমে।

আমাশয় কয় ধরনের হয়ে থাকে? — ২ ধরনের (ব্যাকটেরিয়া & অ্যামিবা ঘটিত)।

ব্যাকটেরিয়া ঘটিত আমাশয় কোনটি? — Shigella dysenteriae

অ্যামবিক ডিসেন্ট্রি কী? — Entamoeba histolytica নামক অ্যামিবা দিয়ে ঘটিত ডিসেন্ট্রি।

ম্যালেরিয়া শব্দটা কোন ভাষা হতে আগত? — ইটালিয়ান।

'স্ত্রী এ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া জীবাণু বহন করে' — কার উক্তি? — মেজর রোনাল্ড রস।

বহু নিউক্লিয়াস যুক্ত ম্যালেরিয়া পরজীবীকে বলা হয় — সাইজন্ট।

কোন গাছের বাকল হতে 'কুইনাইন' আহরিত হয়? — সিংকোনা (সিল্কোনা)।

'সিল্কোনা' কোন রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়? — আমাশয়।

কোনটি রক্ত আমাশয়ের জীবাণু? — সিগেলা।

খাদ্য ও পানিবাহিত সংক্রামক রোগ কোনগুলো? — আমাশয়, কলেরা, টাইফয়েড, প্যারাটাইফয়েড, পোলিও, হেপাটাইটিস এ, ই ইত্যাদি।

বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ কোনগুলো? — হাম, ইনফ্লুয়েঞ্জা, গুটি বসন্ত, জল বসন্ত, নিউমোনিয়া, সার্স, ম্যাম্পস, মেনিনজাইটিস, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি ইত্যাদি।

পতঙ্গবাহিত সংক্রামক রোগ কোনগুলো? — কালাজ্বর, ডেঙ্গুজ্বর, পীতজ্বর, ম্যালেরিয়া ইত্যাদি।

ভেক্টর কী? — যে সকল পতঙ্গ অন্য জীবের দেহে জীবাণু সংক্রমণ ঘটায়, তাদেরকে ভেক্টর বলে।

ভেক্টর হিসেবে এডিস মশা কারণে কোন রোগগুলো হয়ে থাকে? — ডেঙ্গুজ্বর, জিকাজ্বর, পীতজ্বর, চিকুনগুনিয়া।

কালাজ্বরের ভেক্টর কী? — সান্ড ফ্লাই (Sand fly)।

কোন রোগগুলো ছোঁয়াচে রোগ? — স্ক্যাবিস, কুষ্ঠ, হার্পিস ইত্যাদি।

যৌন সংস্পর্শে যে রোগগুলো হয়ে থাকে — এইডস, হেপাটাইটিস বি, সি, গনোরিয়া,সিফিলিস ইত্যাদি।

প্লেগ রোগের পোষক কোনটি? — ইঁদুর।

পোষক হিসেবে হাস, মুরগী, কবুতর, পাখি যে রোগটি ছড়ায়? — বার্ড ফ্লু।

সংক্রামক ব্যাধি হল — যক্ষ্মা।

কিউলেক্স মশা কোন রোগের জীবাণু ছড়ায়? — গোদ।

কোন প্রাণী ফাইলেরিয়াসিস রোগ সৃষ্টি করে? — মশা।

রক্তে কোন এসিডের মাত্রা বেড়ে গেলে গোদ রোগ হয়? — ইউরিক এসিডের।

কোন রোগের ক্ষেত্রে বিশ্বে প্রথম কোয়ারন্টাইন প্রথা চালু হয়? — প্লেগ।

আধুনিক ইতিহাসে প্রথম কোয়ারন্টাইন প্রথা কবে চালু হয়? — ১৬৬৫ সালে।

তাপ দিয়ে পানিকে কীভাবে জীবাণুমুক্ত করা হয়? — পানি ফুটতে শুরু করার পর আরো ২০ মিনিট তাপ দিয়ে।

স্ফুটন শুরু হওয়ার পর কত মিনিট ধরে স্ফুটন করলে পানি জীবাণুমুক্ত হয়? — ১৫ থেকে ২০ মিনিট।

ধারালো যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করার ভাল পদ্ধতি হল — কেমিক্যাল স্টেরিলাইজেশন।

সার্জিক্যাল ইন্সট্রুমেন্ট জীবাণুমুক্ত করার সবচেয়ে ভাল পদ্ধতি কোনটি? — অটোক্লোভ।
Post a Comment (0)
Previous Post Next Post