বইয়ে খোঁজার সময় নাই
সব কিছু এখানেই পাই

সাধারণ জ্ঞান : গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা

গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা

WTO এর কততম সম্মেলনে ‍যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে পোশাক রপ্তানি খাতে শুল্কমুক্ত সুবিধা না দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে? – ১১তম সম্মেলনে (হংকংয়ে অনুষ্ঠিত, ১৩-১৫ ডিসেম্বর ২০০৫)।

বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের পথ প্রদর্শক কে? – নুরুল কাদির।

পোশাক শিল্পের অগ্রযাত্রা শুরু হয় কত সালে? – ১৯৭৬ সালে (১ লক্ষ টাকার পোশাক রপ্তানির মধ্যদিয়ে)।

বিশ্ব বাজার পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান কততম? – মার্কিন যুক্তরষ্ট্রে ৫ম কানাডায় ১০ম ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৮ম।

তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ কোন তারিখ পর্যন্ত জিএসপি (GSP) সুবিধা পায়? – ৩১ ডিসেম্বর ২০০৪ সাল পর্যন্ত।

বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে স্থাপিত প্রথম গার্মেন্টস কোনটি এবং কোথায় স্থাপিত হয়? – দেশ গার্মেন্টস, চট্টগ্রাম।

দেশের প্রথম রপ্তানিকারক গার্মেন্টস কোনটি? – রিয়াজ গার্মেন্টস (১৯৬০ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত)।

রিয়াজ গার্মেন্টস কবে প্রথম পোশাক রপ্তানি শুরু করে? – ১৯৭৮ সালে।

বাংলাদেশ থেকে প্রথম কোন দেশে তৈরি পোশাক রপ্তানি করা হয়? – ফ্রান্সে।

বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বস্তশিল্প নিয়ন্ত্রণকারি প্রতিষ্ঠিানের নাম কী? – বাংলাদেশ বস্ত্রশিল্প কর্পোরেশন (বিটিএমসি)।

বাংলাদেশ বস্ত্রকল কর্পোরেশন এর প্রতিষ্ঠা কবে? – ২৬ মার্চ ১৯৭২।

BGMEA-এর প্রতিষ্ঠা কবে? – ১৯৭৭ সালে।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পকে কবে থেকে শিশু শ্রমিক মুক্ত ঘোষণা করা হয়? – ১ নভেম্বর, ১৯৯৬।

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্প কোনটি? – তৈরি পোশাক শিল্প।

বর্তমানে বাংলাদেশে বস্ত্রকলের সংখ্যা কত? – ৬৫টি। (সরকারি ২৪টি)

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত বস্ত্র স্থানীয় চাহিদার কত অংশ পূরণ করে? – ৯ শতাংশ।

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানি করে বার্ষিক কী পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে? – ২০০কোটি মার্কিন ডলার (প্রায়)।

বাংলাদেশে তৈরি পোশাক কোন দেশে বেশি রপ্তানি করা হয়? – যুক্তরাষ্ট্রে।

সম্প্রতি বিশ্ব ঐতিহ্যের মধ্যে বাংলাদেশের কোন পোশাক স্থান পায়? – মসলিন (২০১৪)।

No comments