বইয়ে খোঁজার সময় নাই
সব কিছু এখানেই পাই

সাধারণ জ্ঞান : পাট, চা

পাট

আন্তর্জাতিক পাট সংস্থা (IJO) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৯৪৮ সালে।

আন্তর্জাতিক পাট সংস্থা (IJO) এর বর্তমান নাম কী? – আন্তর্জাতিক জুট স্টাডি গ্রুপ (IJSG)।

IJSG কবে প্রতিষ্ঠা করা হয়? – ২৭ এপ্রিল ২০০২।

IJSG-এর সদর দফতর কোথায়? – ফার্মগেট, ঢাকা।

বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী অফল কোনটি? – পাট।

জুটন কী? কে, কত সালে আবিষ্কার করেন? – পাট ও তুলার (৭০:৩০) সংমিশ্রণে তৈরী বিশেষ ধরনের কাপড়। ১৯৮৯ সালে ড. মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ জুটন আবিষ্কার করেন।

বাংলাদেশের কোথায় সবচেয়ে বেশি পাট চাষ করা হয়? – রংপুর।

পাট উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কত? – দ্বিতীয় (প্রথম-ভারত)।

পাট রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ কোনটি? – ভারত।

বাংলাদেশের পাট ব্যবসার প্রধান কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত? – নারায়ণগঞ্জ।

বাংলাদেশের ড্যান্ডি বলা হয় কাকে? – নারায়ণগঞ্জকে (প্রাচ্যের ড্যান্ডি-স্কটল্যান্ড)।

আন্তর্জাতিক পাট সংস্থা কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৯৮৪ সালে।

আন্তর্জাতিক পাট সংস্থার সদর দফতর (বর্তমানে বিলুপ্ত) কোথায় ছিল? – ঢাকায়।

বাংলাদেশের পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত? – ঢাকার শেরেবাংলা নগরে। [১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত]

আন্তর্জাতিক পাট সংস্থার সদস্য কয়টি? – ২৯টি।

আন্তর্জাতিক পাট সংস্থা কবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়? – ১১ এপ্রিল ২০০০ সালে।

আন্তর্জাতিক পাট সংস্থার IJSG বর্তমান সদর দফতর কোথায়? – ঢাকায়।

পাটের জীবন রহস্য আবিস্কার করেন কে? – মাকসুদল আলম। (তিনি মৃত্যু বরণ করেন ২০ ডিসেম্বর ২০১৪ সালে)

চা

বাংলাদেশে সর্বপ্রথম কখন, কোথায় চা চাষ শুরু হয়? – ১৮৫৪ সালে, সিলেটের মালনীছড়ায়।

বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে সর্বপ্রথম কোথায় চা চাষ শুরু হয়? – শ্রীমঙ্গল, সিলেট।

বাংলাদেশে মোট চা বাগান কতটি? – ১৬৬টি।

জেলাওয়ারি চা বাগান নিম্নরূপ-
মৌলভীবাজার-৯১টি; হবিগঞ্জ-২৩টি; চট্টগ্রাম-২২টি; সিলেট-২০টি; রাঙামাটি-১টি; ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১টি; পঞ্চগড়-৫টি; বান্দরবান-১টি; ঠাকুরগাঁও-১টি; নীলফামারী-১টি।

বাংলাদেশের চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (RTRI) কবে কোথায় স্থাপিত হয়? – ১৯৫৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি, মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল।

বাংলাদেশের সর্বশেষ চা বাগান কোথায় অবস্থিত? – বান্দরবান জেলায়।

বিশ্বের দীর্ঘতম চা বাগান কোনটি? – শ্রীমঙ্গল চা বাগান।

সবচেয়ে বেশি চা উৎপন্ন হয় কোন জেলায়? – মৌলভীবাজার।

চা উৎপাদনে শীর্ষ দেশ কোনটি? – চীন।

চা রপ্তানীতে শীর্ষ দেশ কোনটি? – শ্রীলংকা।

বাংলাদেশী চা কোম্পানির মধ্যে বৃহত্তর কোম্পানি কোনটি? – ন্যাশনাল টি কোম্পানি লিমিটেড।

বাংলাদেশ চা বোর্ড কবে কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়? – ১৯৭৭ সালে চট্টগ্রামে।

বাংলাদেশের কোন জেলায় আরো চা বাগান তৈরীর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে? – পঞ্চগড়, নীলফামারী ও কুড়িগ্রাম।

বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে? – মৌলভীবাজার (৯১টি বাগান)।

চা উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের কততম? – দশম (রপ্তানিতে ১৫তম)।

দেশে উৎপাদিত চায়ের কত শতাংশ বিদেশে রপ্তানি করা হয়? – ৬৫%।

বাংলাদেশের চা বহির্বিশ্বের কোন দেশে বেশি রপ্তানি হয়? – পোল্যান্ড।

চা বাজারজাতকরণের একমাত্র নিলাম বাজার কোথায় অবস্থিত? – চট্টগ্রাম।

বাংলাদেশে উৎপাদিত চা কত প্রকার ও কী কী? – দুই প্রকার। যথা: কালো চা ও সবুজ চা।

চা শিল্পের উন্নয়নে গঠিত টাস্কফোর্স কতটি বাগানকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন? – ৬টি।

বাংলাদেশ চা গবেষণা কেন্দ্র কর্তৃক প্রথম বারের মতো উদ্ভাবিত দুটি ক্লোন চা কী কী? – বিটি-১২ এবং বিটি-১৩।

বাংলাদেশের কোন জেলায় অর্গানিক চা উৎপাদন শুরু হয়েছে? – পঞ্চগড় জেলায়।

পঞ্চগড়ে উৎপাদিত দেশের প্রথম অর্গানিক চায়ের নাম কী? – মীনা চা (কাজী এন্ড কাজী টি এস্টেট)।

No comments