ফ্ল্যাট বন্ধকি চুক্তিপত্র ফরম্যাট ও লেখার নিয়ম - MS Word / Docx

Article Stats 📡 Page Views
Reading Effort
737 words | 5 mins to read
Total View
4
Last Updated
14 hours ago
Today View
2

ফ্ল্যাট বন্ধকি (মর্টগেজ) চুক্তিপত্র

তারিখ: [দিন/মাস/বছর]
চুক্তি সম্পাদনের স্থান: [স্থান, যেমন: চট্টগ্রাম]

প্রথম পক্ষ (বন্ধকদাতা / ঋণগ্রহীতা ও ফ্ল্যাটের মালিক):

নাম: [নাম]
পিতা/স্বামীর নাম: [পিতার/স্বামীর নাম]
মাতার নাম: [মাতার নাম]
জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর (NID): [এনআইডি নম্বর]
স্থায়ী ঠিকানা: [ঠিকানা]
বর্তমান ঠিকানা: [ঠিকানা]
পেশা: [পেশা] ধর্ম: [ধর্ম]

দ্বিতীয় পক্ষ (বন্ধকগ্রহীতা / ঋণদাতা):

নাম: [নাম]
পিতা/স্বামীর নাম: [পিতার/স্বামীর নাম]
মাতার নাম: [মাতার নাম]
জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর (NID): [এনআইডি নম্বর]
স্থায়ী ঠিকানা: [ঠিকানা]
বর্তমান ঠিকানা: [ঠিকানা]
পেশা: [পেশা] ধর্ম: [ধর্ম]

পরম করুণাময় মহান সৃষ্টিকর্তার নাম স্মরণ করিয়া অত্র ফ্ল্যাট বন্ধকি বা রেহেন চুক্তিপত্রের বয়ান আরম্ভ করিলাম।

যেহেতু, প্রথম পক্ষ নিচে তফসিল বর্ণিত ফ্ল্যাটটির একক ও নিরঙ্কুশ মালিক এবং দখলদার। প্রথম পক্ষের ব্যবসায়িক/জরুরি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে নগদ অর্থের আবশ্যক হওয়ায়, তিনি দ্বিতীয় পক্ষের নিকট [মোট টাকার পরিমাণ অঙ্কে]/- (কথায়: [টাকার পরিমাণ কথায়] মাত্র) টাকা ঋণ হিসেবে প্রস্তাব করেন। দ্বিতীয় পক্ষ উক্ত প্রস্তাবে সম্মত হয়ে প্রথম পক্ষকে উক্ত টাকা ঋণ হিসেবে প্রদান করতে এবং প্রথম পক্ষ তার মালিকানাধীন তফসিল বর্ণিত ফ্ল্যাটটি দ্বিতীয় পক্ষের অনুকূলে জামানত বা বন্ধক (Security/Mortgage) হিসেবে রাখতে সম্মত হয়ে নিম্নোক্ত শর্তাবলীতে এই চুক্তি সম্পাদন করলেন।

শর্তাবলী

  1. ঋণের পরিমাণ ও গ্রহণ: দ্বিতীয় পক্ষ আজ রোজ [তারিখ] তারিখে প্রথম পক্ষকে [নগদ/চেক/ব্যাংক ট্রান্সফার]-এর মাধ্যমে মোট [টাকার পরিমাণ]/- টাকা ঋণ প্রদান করলেন (চেক নং- [...], ব্যাংক ও শাখার নাম: [...])। প্রথম পক্ষ উক্ত টাকা সম্পূর্ণ রূপে বুঝে পেলেন।
  2. ঋণের মেয়াদ ও পরিশোধ: এই বন্ধকি ঋণের মেয়াদ হবে [মাস/বছর], যা [শুরুর তারিখ] হতে [শেষের তারিখ] পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। প্রথম পক্ষ উক্ত মেয়াদের মধ্যে দ্বিতীয় পক্ষকে ঋণের সম্পূর্ণ টাকা (এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে লভ্যাংশ/সুদসহ) এককালীন বা কিস্তিতে পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবেন।
  3. মূল দলিলপত্র হস্তান্তর: ঋণের জামানত স্বরূপ প্রথম পক্ষ তফসিল বর্ণিত ফ্ল্যাটের মূল মালিকানা দলিল (দলিল নং- [...]), নামজারি খতিয়ান, ডিসিআর, খাজনার দাখিলা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক মূল কাগজপত্র দ্বিতীয় পক্ষের নিকট গচ্ছিত রাখলেন।
  4. ফ্ল্যাটের দখল, রক্ষণাবেক্ষণ ও বিল পরিশোধ: বন্ধক চলাকালীন সময়ে ফ্ল্যাটের বাস্তব দখল প্রথম পক্ষের (মালিকের) অনুকূলেই থাকবে। উক্ত ফ্ল্যাটের গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, সার্ভিস চার্জ, সিটি কর্পোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স এবং অন্যান্য সকল সরকারি/বেসরকারি পাওনা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় প্রথম পক্ষ নিজ দায়িত্বে পরিশোধ করবেন। এর কোনো দায়ভার দ্বিতীয় পক্ষের উপর বর্তাবে না।
  5. সম্পত্তির দায়মুক্তি (Encumbrance-Free Guarantee): প্রথম পক্ষ ঘোষণা করছেন যে, বন্ধকিকৃত ফ্ল্যাটটি সম্পূর্ণ নিষ্কণ্টক ও দায়মুক্ত। এটি পূর্বে অন্য কোনো ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির নিকট বিক্রয় বা বন্ধক রাখা হয়নি। যদি প্রথম পক্ষের এই ঘোষণার কোনো ব্যত্যয় পাওয়া যায়, তবে দ্বিতীয় পক্ষ প্রথম পক্ষের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
  6. বন্ধক চলাকালীন সম্পত্তিতে নিষেধাজ্ঞা: এই চুক্তির মেয়াদ চলাকালীন এবং দ্বিতীয় পক্ষের সম্পূর্ণ পাওনা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত প্রথম পক্ষ উক্ত ফ্ল্যাটটি অন্য কারো নিকট হস্তান্তর, বিক্রয়, দান, হেবা বা পুনরায় বন্ধক রাখতে পারবেন না।
  7. ঋণ পরিশোধে ব্যর্থতা বা খেলাপ (Default Clause): যদি প্রথম পক্ষ নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে দ্বিতীয় পক্ষের ঋণের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হন, তবে দ্বিতীয় পক্ষ পাওনা আদায়ের নিমিত্তে উপযুক্ত আদালতের মাধ্যমে বা দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তফসিল বর্ণিত ফ্ল্যাটটি নিলাম বা বিক্রয় করে তার পাওনা (আসল, লভ্যাংশ এবং আইনি খরচসহ) আদায় করে নিতে পারবেন। এতে প্রথম পক্ষ বা তার ওয়ারিশগণ কোনো ওজর-আপত্তি করতে পারবেন না।
  8. বন্ধক খালাস (Redemption of Mortgage): প্রথম পক্ষ তার গৃহীত সম্পূর্ণ ঋণ ও পাওনা দ্বিতীয় পক্ষকে বুঝিয়ে দেওয়ার পর, দ্বিতীয় পক্ষ গচ্ছিত রাখা সকল মূল কাগজপত্র প্রথম পক্ষকে ফেরত দেবেন এবং নিজ খরচে একটি "বন্ধক খালাস দলিল" (Deed of Redemption) রেজিস্ট্রি করে দিতে বাধ্য থাকবেন।
  9. ওয়ারিশগণের দায়বদ্ধতা: চুক্তির মেয়াদ পূর্তির পূর্বে কোনো পক্ষের মৃত্যু হলে বা আইনি অক্ষমতা তৈরি হলে, উভয় পক্ষের বৈধ ওয়ারিশ বা স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তিগণ এই চুক্তির সকল শর্ত মানতে এবং ঋণ পরিশোধ ও অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে আইনত বাধ্য থাকবেন।
  10. সালিশ ও আইনগত ব্যবস্থা: চুক্তির কোনো শর্ত নিয়ে বিবাদ দেখা দিলে উভয় পক্ষ প্রথমে আলোচনার মাধ্যমে তা মীমাংসার চেষ্টা করবেন। ব্যর্থ হলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আদালতের শরণাপন্ন হতে পারবেন।

তফসিল (বন্ধকিকৃত সম্পত্তির বিবরণ)

জেলা: [জেলার নাম], থানা/উপজেলা: [থানা], সাব-রেজিস্ট্রি অফিস: [অফিসের নাম], মৌজা: [মৌজার নাম]।
খতিয়ান নং: [সিএস/আরএস/বিএস খতিয়ান নম্বর]
দাগ নং: [দাগ নম্বর]
ফ্ল্যাটের বিবরণ: [ভবনের নাম, যদি থাকে], [ফ্ল্যাট নম্বর, যেমন: ৪-এ], [তলা, যেমন: ৪র্থ তলায়]।
ফ্ল্যাটের আয়তন: [বর্গফুট] (কমন স্পেসসহ)।
ফ্ল্যাটের চৌহদ্দি: উত্তরে: [...], দক্ষিণে: [...], পূর্বে: [...], পশ্চিমে: [...]

আমরা, প্রথম ও দ্বিতীয় পক্ষ, উপরের সকল শর্ত স্বেচ্ছায়, সজ্ঞানে, সুস্থ মস্তিষ্কে এবং অন্যের বিনা প্ররোচনায় পড়ে ও বুঝে অত্র বন্ধকি চুক্তিপত্রে নিজ নিজ নাম স্বাক্ষর করিলাম।

স্বাক্ষরসমূহ

প্রথম পক্ষের (বন্ধকদাতা/ঋণগ্রহীতা) স্বাক্ষর: ____________________
তারিখ:


দ্বিতীয় পক্ষের (বন্ধকগ্রহীতা/ঋণদাতা) স্বাক্ষর: ____________________
তারিখ:

সাক্ষীগণের বিবরণ ও স্বাক্ষর:

১ম সাক্ষী:
নাম:
পিতার নাম:
ঠিকানা:
স্বাক্ষর ও তারিখ: ____________________

২য় সাক্ষী:
নাম:
পিতার নাম:
ঠিকানা:
স্বাক্ষর ও তারিখ: ____________________

নমুনা চুক্তিপত্রটি ডাউনলোড করুন

আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী নিচের বাটন থেকে উপযুক্ত ফন্ট ফরম্যাটটি নির্বাচন করুন।

📥অভ্র / ইউনিকোড দিয়ে লিখা 📥 বিজয় দিয়ে লিখা

Sribas Ch Das

Founder & Developer

HR & Admin Professional (১২+ বছর) ও কোচিং পরিচালক (১৪+ বছর)। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সহজ Study Content নিশ্চিত করতেই এই ব্লগ।

🏷️ Tag Related

⚡ Trending Posts

Facebook Messenger WhatsApp LinkedIn Copy Link

✅ The page link copied to clipboard!

Leave a Comment (Text or Voice)




Comments (0)