বাসা ভাড়ার চুক্তিপত্র নমুনা - MS Word / Docx

Article Stats 💤 Page Views
Reading Effort
1,168 words | 7 mins to read
Total View
18.2K
Last Updated
12-May-2026 | 12:14 AM
Today View
0
বাসা ভাড়ার চুক্তিপত্র

বাসা ভাড়ার চুক্তিপত্র


১ম পক্ষ : বাড়ীর মালিক

নাম : মো. আজগর আলী

পিতা : মৃত আকবর আলী

ঠিকানা : সিরাজা মঞ্জিল, বহদ্দার হাট, চট্টগ্রাম।

মোবাইল নং : ০১৭ ০০০০ ০০০০


২য় পক্ষ : ভাড়াটিয়া

নাম :

পিতা :

ঠিকানা :

মোবাইল নং :

জাতীয় পরিচয়পত্র নং :


অগ্রীম টাকা ২০,০০০/- কথায় : বিশ হাজার টাকা মাত্র এবং মাসিক ভাড়া ২০,০০০ টাকায় (বিশ হাজার টাকা মাত্র) বিদ্যুৎ, গ্যাস বিল, পানির বিল, কমিউনিটি পুলিশ বিল ব্যতিরেকে এই বাসা ভাড়া চুক্তিপত্র অত্র মঙ্গলবার, ২৫শে এপ্রিল ২০২৩ তারিখে সম্পাদন করা হইল।


বাসার তফসিল

সালেহা কুঠির, নীচতলা, ১টি রুম, ১টি টয়লেট, ১টি কিচেন (ডাবল বার্নার গ্যাসের লাইন সহ), সিরাজা মঞ্জিল, বহদ্দার হাট, চট্টগ্রাম।

শর্তসমূহ

১। বাসা ভাড়ার মেয়াদ ১ বছর যাহার তারিখ ......................... ইং হইতে ......................... ইং পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে। মেয়াদান্তে উভয় পক্ষ ইচ্ছা করিলে পুনরায় ভাড়া নির্ধারণ পূর্বক এই চুক্তির মেয়াদ বাড়াইতে পারিবেন অন্যথা দ্বিতীয় পক্ষ বাসা ছাড়িয়া দিবেন।


২। ভাড়াকৃত বাসা শুধু পারিবারিক বাসস্থান হিসাবে ব্যাবহার করা যাইবে। ২য় পক্ষ ১ম পক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে কোনো সাবলেট দিতে পারিবেন না। পাড়া-পড়শী অন্যান্য ভাড়াটিয়াদের বিরক্তিকর কোনো কাজ কর্ম বা অসদাচরণ করা যাইবে না। এছাড়া জুয়াখেলা ও কোনো সমাজ বিরোধী কার্যকলাপ ভাড়াকৃত ফ্যাটে করিতে পারিবেন না। এমন কোনো কাজ করিবেন না যাতে বাসার নিরাপত্তা বিঘœ হতে পারে। বারান্দার জানালা দিয়ে ময়লা, আবর্জনা, কফ এবং যে কোনো কিছু নিচে ফেলা যাবে না।


৩। ভাড়াকৃত বাসা দ্বিতীয় পক্ষ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখিবেন এবং সকল প্রকার ফিটিংস যত্ন সহকারে ব্যবহার করিবেন এবং ইহার মেরামতের প্রয়োজন হইলে দ্বিতীয় পক্ষ নিজ খরচে করিবেন।


৪। প্রতি মাসের ৫ (পাঁচ) তারিখের মধ্যে দ্বিতীয় পক্ষ সেই মাসের বাসা ভাড়া প্রথম পক্ষের নিকট পৌঁছাইয়া দিবেন এবং রশিদ গ্রহন করিবেন। রশিদের নিচের লাইনে কোনো নোটিশ আছে কিনা দেখে নিবেন। বাসা সংক্রান্ত কোনো অনুরোধ কোনো বিষয় নোটিশ দেওয়া থাকিলে তা গুরুত্ব সহকারে পড়বেন এবং মেনে চলবেন।


৫। মালিক অথবা তাহার প্রতিনিধি কর্তৃক ভাড়াকৃত বাসার কোনো অংশ পরিদর্শনের দরকার হইলে দ্বিতীয় পক্ষ পরিদর্শনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করিবেন।


৬। কোনো সময়ে যে কোনো কারণে ২য় পক্ষের ভাড়াকৃত বাসা ছেড়ে দেওয়ার প্রয়োজন হইলে বা ১ম পক্ষের নিজস্ব প্রয়োজনে ৩০ দিন পূর্বে লিখিতভাবে এক পক্ষ অন্য পক্ষকে নোটিশ প্রদান করিবেন। কোনো পক্ষের কোনো ওজর আপত্তি চলিবে না এবং নোটিশ কালীন সময়ে নতুন ভাড়াটিয়াকে বাসা প্রদর্শনে দ্বিতীয় পক্ষ সকল প্রকার সহযোগিতা করবেন।


৭। দ্বিতীয় পক্ষ শুধু মাত্র ডাবল গ্যাস বার্নার ব্যাবহার করিতে পারিবেন।


৮। প্রত্যেক মাসের গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের শেষ তারিখের (বিলের) ৫ দিন পূর্বে দ্বিতীয় পক্ষ পরিশোধ করিতে বাধ্য থকিবেন। সব ফ্লাটের গ্যাস ও বিদ্যুৎ মিটার আলাদা। সুতরাং অহেতুক বিল নিয়ে নিশ্চিত না হয়ে কেনো রকম মন্তব্য না করাই ভাল। প্রয়োজনে ২/১ মাস আমাদের সাথে এক সাথে কাজ করে যাচাই বাছাই করে নিতে পারেন। পানির মটর ও বাড়ির অন্যান্য কমন বাতির জন্য আলাদা বিদ্যুৎ মিটার আছে। ওয়াসার বিল (পানির বিল) ও কমন বিদ্যুতের বিল ভবনের সব পরিবারের মধ্যে (১ম পক্ষ সহ) সমহারে বণ্টন করা হয়, যা ২য় পক্ষ ১ম পক্ষকে বিল পরিশোধের শেষ তারিখের (বিলের) ৫ দিন পূর্বে পরিশোধ করতে হবে।


৯। (ক) সাধারণত রাত ১১টার পর শীত কালীন ১০টা ৩০ মিনিটের পর মোইন গেইট ভিতর থেকে হেজবোল্ড এবং কাবসিবল গেইট বড় তালা দিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়। কারণ দেখাগিয়েছে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অপকর্ম ঘটেছে। তালা খোলা থাকলে চুরি ডাকাতির ঝুকি বেশী থাকে, কিছুটা চিন্তা মুক্ত ভাবে ফ্লাটের সবাই নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারেন। অনেক সময় অধিক রাতে গেইট বন্ধ করে দিলে কেউ যদি খুলেন তার আওয়াজে ঘুম ভেঙ্গে গেলে দুঃশ্চিন্তায় হয়তো উঠে গিয়ে মেইন গেইট দেখে আসতে হয়। এই কারণে হয়তো ঐ রাতে ঘুমটা বলতে গেলে নষ্ট হয়ে যায়। পরের দিনটা কিভাবে যেতে পারে বলুন! আবার সকালে নামায পরে একটু ঘুমালে গেইট পিটা পিটি শুরু হয়। মেহেমান, আপনার কাজের বুয়া আপনার/আপনি ঘুমাবেন। আর আমরা ঘুম ভেঙ্গে চার তলা থেকে নেমে খুলবো এটাতো হয়না। তাই রাত ১১টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত মেইন গেইট বন্ধ থাকবে। অবাধে চলাফেরা নিষেধ। তবে বিশেষ বিশেষ ইমারজেন্সী মানবিক কারণে কেউ যদি বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন মনে করেন তবে ১১ টার পূর্বে আমাদের থেকে চাবি নিয়ে অথবা আপনাদের কাছে বিকল্প চাবি থাকলে আমাদের নলেজে দিয়ে ব্যাবহার করুন এবং আপনাদের কাছে চাবি থাকলেও অহরহ আসা যাওয়া, রাতে বারবার ব্যাবহার করা চলবেনা। আমাদের নলেজে দিতে হবে নইলে বাসা ছেড়ে দিতে হবে অথবা চাবি নিয়ে নেওয়া হবে। আমার ছোট্ট ভাঙ্গাচুড়া বাসা যাই থাক আপনাকে নিয়ম মেনে চলতে হবে। মানুষের জন্যই নিয়ম এবং আমরা মুসলমানদের বাথরুমে ঢুকার ও বাহির হওয়ার সময়ও নিয়ম কানুন চলতে হয়, জীবনের সকল ক্ষেত্রেই নিয়ম মানতে হয়। আপনি না শুধু আপনার মেহমানদেরও সাবধান করবেন। চিল্লা-ফাল্লা গেইট খুলে রাখা এই গুলো চলবেনা। আমি ভাল লোক কিনা যানি না। ভাল লোক ভাড়া দিতে চেষ্টা করি এবং তাদের সম্মান করার চেষ্টা ও স্বার্থ রক্ষা আমার দ্বায়িত্ব।


(খ) যদি কোনো ভাড়াটিয়াকে দুইয়ের অধিক অরিজিনাল চাবি দেওয়া হয় তাহলে আপনি অনুগ্রহ করে ডুবলিকেট চাবি বানাবেন না। এতে গেইটের তালা নষ্ট হয়ে যায়। পরবর্তিতে তালা খোলায় সমস্যা হয়।


১০। সরকারী, প্রাকৃতি কারণে পানি, বিদ্যুৎ এবং গ্যাস সমস্যা দেখা দিলে তার জন্য ১ম পক্ষকে কোনো রকম দোষারোপ করা যাবে না, তাছাড়া অতিরিক্ত পানি খরচ করবেন না, এতে অন্য কোনো ফ্যাটের পানির অভাব হতে পারে।


১১। দ্বিতীয় পক্ষ বাসা ছাড়িয়া যাওয়ার সময় বাসা এবং ইহার যাবতীয় জিনিসপত্র পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং অক্ষত অবস্থায় প্রথম পক্ষের নিকট বুঝাইয়া দিবেন।


১২। দিনে প্রধান গেইট সব সময় বন্ধ রাখবেন। কারণ যে কোনো সময় আপত্তিকর ঘটনা ঘটতে পারে। দরজাটি বন্ধ থাকলে অন্তত একটা বাজে লোক সরাসরি ঢুকতে একটু চিন্তা-ভাবনা করবে। তাছাড়া আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন কুকুর-বিড়াল ঢুকে ভিতরের পরিবেশ নষ্ট করে। সুতরাং গেইটটি খোলা দেখলেই বন্ধ করে রাখবেন এবং নিয়মিত যাতায়াতকারী মেহমানদেরকেও এই বিষয়টি জানিয়ে দেয়া আপনারই দায়িত্ব।


১৩। সরকারী যাবতীয় ট্যাক্স বা বিল, যেমন- বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস বিল ইত্যাদি বৃদ্ধি প্রাপ্ত হইলে দ্বিতীয় পক্ষ ভাড়াটিয়াকে সেই অনুপাতে বর্ধিত ভাড়া প্রদান করিতে হইবে।


১৪। আমাদের এই ভবনে যাহারা আছেন তাদের প্রতি মাসে ভাড়া ছাড়াও অতিরিক্ত কিছু খরচ হয়। মনে রাখতে হবে বাসা ভাড়া বিল বাদেও আপনাদের প্রতি মাসে অন্তত ১০০ থেকে ২০০ টাকা অতিরিক্ত খরচ হতে পারে। যেমন ঝাড়ুদাড়, ময়লা ফেলা, ছোট খাটো ফিটিংস ভাংতে পারে, লাইন জাম হতে পারে, আপনার ঘরের দরজার সামনে সিড়ির লাইটের লাইনটা আপনার সাথে থাকতে পারে, ২/১টি বাল্ব কিনতে হতে পারে আপনার থেকে। সুতরাং এই সমস্ত ব্যাপারে কেহ কারপন্যতা এবং মুখ কালো না করাই ভালো।


১৫। যারা মূলত স্থায়ীভাবে থাকবেন অর্থাৎ আপনার ঘরের সকল সদস্যের নাম ও মোবাইল নাম্বার দিবেন।


১৬। সচরাচর যারা আপনার বাসায় আসা-যাওয়া করবেন, প্রয়োজনে তাদের নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার দিতে হবে।


উপরোক্ত শর্তসমূহ অথবা ইহার কোনো অংশ ২য় পক্ষ ভাড়টিয়া ভঙ্গ করলে এই চুক্তিপত্র বাতিল বলিয়া গণ্য হবে এবং ২য় পক্ষ (ভাড়াটিয়া) বাসা ছাড়িয়া দিতে বাধ্য থাকিবেন। এতদ্বার্থে আমরা উভয় পক্ষ স্বেচ্ছায় এবং সু-স্বাস্থ্য শরীরে এই চুক্তিপত্র স্বাক্ষর করিলাম।







------------------------- -------------------------
প্রথম পক্ষ (বাড়ীর মালিক) দ্বিতীয় পক্ষ (ভাড়াটিয়া)
স্বাক্ষর ও তারিখ স্বাক্ষর ও তারিখ


সাক্ষীগণের নাম ও স্বাক্ষর :


১। পূর্ণ নাম : ................................................................


স্বাক্ষর : ............................... তরিখ : .......................


২। পূর্ণ নাম : ................................................................


স্বাক্ষর : ............................... তরিখ : .......................


৩। পূর্ণ নাম : ................................................................


স্বাক্ষর : ............................... তরিখ : .......................

Download

আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী নিচের বাটন থেকে উপযুক্ত ফন্টে ডাউনলোড করুন।

📥অভ্র / ইউনিকোড দিয়ে লিখা 📥 বিজয় দিয়ে লিখা

আপনার জন্য আরো কিছু

Sribas Ch Das

Founder & Developer

HR & Admin Professional (১২+ বছর) ও কোচিং পরিচালক (১৪+ বছর)। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সহজ Study Content নিশ্চিত করতেই এই ব্লগ।

🏷️ Tag Related

⚡ Trending Posts

Facebook Messenger WhatsApp LinkedIn Copy Link

✅ The page link copied to clipboard!

Leave a Comment (Text or Voice)




Comments (0)

Old Taka Archive (ota.bd)

✓ ১০০% আসল নোটের নিশ্চয়তা