ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার ২০০+ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর
| Article Stats | 💤 Page Views |
|---|---|
|
Reading Effort 3,849 words | 22 mins to read |
Total View 4 |
|
Last Updated 3 hours ago |
Today View 4 |
১ ডিস্ট্রিবিউটরের কাজ কী?
উত্তর : প্রত্যেকটি স্পার্ক প্লাগ হাইডোল্টেজ কারেন্ট পৌঁছে দেওয়া ডিস্ট্রিবিউটরের কাজ।
২ স্পার্ক প্লাগ কোথায় থাকে?
উত্তর : পেট্রোল ইঞ্জিনের সিলিন্ডার হেডে।
৩ ইঞ্জিনে অয়েল (মোবিল) এর পরিমাণ কিসের সাহায্যে পরীক্ষা করা হয়?
উত্তর : ডিপস্টিক এর সাহায্যে।
৪ গাড়ির ড্যাশবোর্ডের তিনটি মিটারের নাম লিখুন-
উত্তর : (১) স্পিডমিটার; (২) ওডো মিটার; (৩) ট্রিপ মিটার; (৪) টেম্পারেচার গেজ; (৫) ফুয়েল গেজ (এখানে ৫টি দেওয়া হলো পরীক্ষার সময় যে কয়টি মনে থাকে)
৫ ট্রাফিক সাইন বা রোড সাইন (চিহ্ন) প্রধানত কত প্রকার ও কি কি?
উত্তর : প্রধানত ৩ প্রকার। যথা - বাধ্যতামূলক, সতর্কতামূলক, তথ্যমূলক
৬ সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ কী কী?
উত্তর :
(ক) অত্যধিক আত্ম বিশ্বাস
(খ) মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো
(গ) অননুমোদিত ওভার ট্রেকিং
(গ) অতিরিক্ত যাত্রী এবং মালামাল বহন
৭ ট্রাফিক সিগন্যাল বা সংকেত কত প্রকার ও কী কী?
উত্তর : তিন প্রকার। বাহুর সংকেত, আলোর সংকেত, শব্দ সংকেত।
৮ একজন পেশাদার চালক দৈনিক সর্বোচ্চ কত ঘণ্টা এক নাগাড়ে গাড়ী চালাতে পারে?
উত্তর : ৫ ঘণ্টা
৯ রাত্রিকালীন বিপরীত দিক থেকে আগত গাড়ীর মুখোমুখি হলে নিজ গাড়ির হেডলাইটের আলো কি করা উচিৎ?
উত্তর : নিজ গাড়ির আলো ডিম করা উচিৎ।
১০ মোটরযান আইনে ক্ষতিকর ধোয়া নির্গত গাড়ী চালানোর শাস্তি কী?
উত্তর : ২০০ টাকা।
১১ রাস্তায় গাড়ী চালাবার সময় সাইড মিরর (লুকিং গ্লাস) প্রতি মিনিটে কতবার দেখা উচিৎ?
উত্তর : ৬ থেকে ৮ বার।
১২ পাকা ও ভালো রাস্তায় ৫০ কি. মি. গতিতে গাড়ী চললে নিরাপদ দূরত্ব কত হবে?
উত্তর : ২৫ মিটার।
১৩ ব্রিজের উপরে ও ব্রিজের ঢালে কী করা উচিৎ নয়?
উত্তর : পার্কিং করা উচিৎ নয়।
১৪ নিয়মিত ব্যাটারীতে কি চেক করতে হয়?
উত্তর : পানি।
১৫ ইঞ্জিনের ২টি পার্টস এর নাম বলো-
উত্তর : সিলিন্ডার হেড, সিলিন্ডার ব্লগ, রিং, পিস্টন
১৬ গাড়ী রাস্তায় চলার সময় হঠাৎ ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গেলে প্রথমে কী চেক্ করতে হবে?
উত্তর : জ্বালানী বা ফুয়েল।
১৭ ফুয়েল লাইনে বাতাস প্রবেশের কারণে ফুয়েল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়াকে কী বলে?
উত্তর : এয়ার লক্।
১৮ প্রেট্রোল ইঞ্জিনে প্রতি সিলিন্ডারের জন্য স্পার্ক প্লাগ থাকে কয়টি?
উত্তর : ১টি।
১৯ ইঞ্জিন কুলিং সিস্টেমে কুলিং মিডিয়া হিসেবে সাধারণত কী ব্যবহৃত হয়?
উত্তর : পানি।
২০ ডিস্ট্রিল ওয়াটার কোথায় ঢালতে হয়?
উত্তর : ব্যাটারিতে।
২১ হেড লাইট না জ্বললে প্রথমে কী চেক্ করতে হয়?
উত্তর : নির্ধারিত ফিউজ।
২২ সাধারণত গাড়ি স্টার্ট না হওয়ার কারণ কী হতে পারে?
উত্তর : প্রয়োজনীয় জ্বালানী বা ফুয়েল না থাকা।
২৩ রেডিয়েটরের কাজ কী?
উত্তর : পানি ঠণ্ডা রাখা।
২৪ লুব ওয়েল কোথায় দিতে হয়?
উত্তর : ইঞ্জিন হেড কভারে।
২৫ কুলিং ফ্যানের কাজ কী?
উত্তর : রেডিয়েটরের ভেতর দিয়ে বাতাস প্রবাহিত করা এবং গরম পানিকে ঠাণ্ডা করা।
২৬ অপেশাদার ও পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়স কত?
উত্তর : অপেশাদার ১৮ বছর; পেশাদার ২১ বছর।
২৭ লাইসেন্স না থাকলে জরিমানা কত?
উত্তর : ২৫ হাজার টাকা ও ৬ মাসের জেল।
২৮ সাইলেন্সারের কাজ কী?
উত্তর : শব্দ নিয়ন্ত্রণ করা।
২৯ ক্যাচের কাজ কী?
উত্তর : ইঞ্জিন ও গিয়ার বক্সের সংযোগ করা ও বিচ্ছিন্ন করা।
৩০ সুপরিকল্পিত ভাবে রাস্তায় যানবাহন পরিচালনার দায়িত্ব কোন কোন সংস্থার উপর ন্যাস্ত?
উত্তর : সুপরিকল্পিত ভাবে রাস্তায় যানবাহন পরিচালনার দায়িত্ব নিম্নে লিখিত সংস্থার উপর ন্যাস্ত- ক) যোগাযোগ মন্ত্রণালয় খ) সড়ক ও জনপথ বিভাগ গ) ট্রাফিক পুলিশ বিভাগ ঘ) সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ ঙ) ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
৩১ রাস্তায় চলমান গাড়ীর কাগজপত্র পরির্দশন করার ক্ষমতা রাখেন কারা?
উত্তর : ক) পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর, সার্জেন্ট ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। খ) বি.আর.টি.এ এর কর্মকর্তা। গ) মোবাইল কোর্টের ম্যাজিষ্ট্রেট ঘ) শুধুমাত্র উল্লেখিত প্রতিষ্ঠান/ব্যক্তি কাগজ পত্র পরির্দশন করবেন।
৩২ দুর্ঘটনা এড়াবার জন্য রাস্তা ব্যবহারকারীকে কি করতে হবে?
উত্তর : দুর্ঘটনা এড়াতে প্রত্যেক রাস্তা ব্যবহারকারীকে নিম্নের ৩টি বিষয় জানা প্রয়োজনঃ ক) ট্রাফিক আইন জানতে হবে। খ) ট্রাফিক আইন কার্যকরী করতে হবে। গ) ট্রাফিক আইন কার্যকরী করবার সদিচ্ছা থাকতে হবে।
৩৩ নিরাপদ ভ্রমনের জন্য ইঞ্জিন ষ্টার্ট করে ৫-১০ গজের মধ্যে অবশ্যই কি চেক করতে হয়?
উত্তর : ব্রেক প্যাডেলে চাপ প্রয়োগ করে ব্রেকের কার্যক্ষমতা।
৩৪ নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার সাধারণ নিয়ম কি কি?
উত্তর : ক) গতি যত মাইল তত গজ দূরত্ব বজায় রাখা। খ) গতি যত কিঃ মিঃ তত মিটারের অর্ধেক মিটার অথবা দুই সেকেন্ড সময়ের দূরত্ব বজায় রাখা।
৩৫ গতি কিসের উপর নির্ভর করে?
উত্তর : গতি সাধারনত নির্ভর করে- দৃষ্টিগোচরতার উপর/ আবহাওয়ার পরিস্থিতির উপর/ যানবাহনের উপর/ গাড়ীর অবস্থার উপর/রাস্তার উপর/চালকের উপর।
৩৬ গাড়ী দাঁড় করাতে চালক কিভাবে হাতের সংকেত দিবে?
উত্তর : হাত বের করে এলবো জয়েন্ট হতে হাত ৯০° বেন্ট (Bent) করে উপরের দিকে উঠাবে।
৩৭ ডান দিকের লেন সব সময় কারা ব্যবহার করবেন?
উত্তর : ওভারটেক করা গাড়ী।
৩৮ রাস্তার মাঝখানের অখন্ডিত ডাবল হলুদ লাইন-এর অর্থ কি?
উত্তর : আইল্যান্ড।
৩৯ মাঝখানের অখন্ডিত সাদা লাইন এর অর্থ কি?
উত্তর : ওভারটেক করা যাবে না।
৪০ ছোট ছোট বিভক্ত সাদা লাইন এর অর্থ কি?
উত্তর : ওভারটেক করা যাবে।
৪১ কোন কোন গাড়ী ট্রাফিক নিয়ম ভঙ্গ করতে পারেন?
উত্তর : জরুরী কাজে নিয়োজিত গাড়ী ভিআইপি গাড়ী/অগ্নিনির্বাপক গাড়ী/এম্বুলেন্স ট্রাফিক নিয়ম ভঙ্গ করতে পারেন।
৪২ জরুরী গাড়ী কি ধরনের সিগন্যাল ব্যবহার করেন?
উত্তর : ক) ভিআইপি গাড়ীঃ লাল বাতি ও সর্তক সংকেত ব্যবহার করেন। খ) অগ্নিনির্বাপক গাড়ীঃ লাল-নীল বাতি ও বেল বাজিয়ে থাকেন। গ) এম্বুলেন্সঃ লাল-নীল বাতি ও আলাদা হর্ন (সাইরেন) ব্যবহার করেন।
৪৩ জরুরী গাড়ীকে অন্যান্য যানবাহন কি ভাবে সুযোগ দিয়ে থাকে?
উত্তর : অন্যান্য যানবাহন চালকদের উচিত হবে যতটুকু সম্ভব রাস্তার বামে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা।
৪৪ ইন্টারসেকশন কাকে বলে?
উত্তর : একাধিক রাস্তার মিলিত স্থানকে ইন্টারসেকশন বলে।
৪৫ ইন্টারসেকশনে ঢুকার আগে চালকের কি করণীয়?
উত্তর : গতি কম করা/নিম্ন গিয়ার ব্যবহার করা/নিজের রাস্তায় থাকা, প্রয়োজনে থামা তারপর সর্তকতার সাথে যাওয়ার চেষ্টা করা।
৪৬ ইন্টারসেকশনে ঢুকার পরে কি করণীয়?
উত্তর : সর্তকতার সাথে থামাতে প্রস্তুত থেকে অগ্রসর হওয়া।
৪৭ ডান দিকে মোড় নিতে গেলে লাল বাতি জ্বলে উঠলে গাড়ী রাস্তার কোন পাশে দাঁড় করাবেন?
উত্তর : রাস্তার ডান পার্শ্বে।
৪৮ লাল বাতি শেষে সবুজ বাতি জ্বলে গেলে কোন পথের গাড়ী আগে সুযোগ পাবে?
উত্তর : সোজা যাওয়ার গাড়ী আগে সুযোগ পাবে।
৪৯ অরক্ষিত লেভেল ক্রসিং সাধারনত কোথায় থাকে?
উত্তর : গ্রাম অঞ্চলে যেখানে সারাদিনে ২-৩টি ট্রেন চলাচল করে।
৫০ কোন কোন স্থানে হর্ন বাজানো নিষেধ?
উত্তর : যেখানে হর্ণ বাজানো নিষেধ বোর্ড আছে। যেমনঃ হাসপাতাল এলাকা/আবাসিক এলাকা/আদালত/শিক্ষা প্রতিষ্ঠান/উপাসনালয়।
৫১ ওভারটেকিং এর সময়ে দুর্ঘটনা এড়ানোর উপায় কি?
উত্তর : দর্শন আয়নার সাহায্যে পিছনের গাড়ীর গতি বিধি লক্ষ্য করা।
৫২ ওভারটেক করার পূর্বে চালকের कर्तव्य কি?
উত্তর : দর্শন আয়নার সাহায্যে/ডানদিকের রাস্তা নিরাপদ কিনা লক্ষ্য রাখা/সম্মুখ হতে কোন গাড়ী আসছে কিনা দেখে নিরাপদ মনে করলে ইন্ডিকেটর দিয়ে ওভারটেক করা।
৫৩ গাড়ীর সাধারণত স্কিডিং কোথায় হয়ে থাকে?
উত্তর : ভিজা রাস্তায় অতি দ্রুত চালালে, সকল হুইল সিলিন্ডার ব্রেক সমান ভাবে কাজ না করলে, রাস্তা পিচ্ছিল বা কর্দমাক্ত হলে, রাস্তায় বরফ বা ঘাস থাকলে।
৫৪ গাড়ী স্কিডিং করলে চালকের করণীয় কি?
উত্তর : এক্সিলারেটর প্যাডেল হতে পা উঠিয়ে গতি কমাবে। যে দিকে স্কিড করেছে সেই দিকে আস্তে স্টিয়ারিং ঘুরালে সামনের অংশ এগিয়ে নিরাপদ স্থানে ঘুরে আসবে। তারপর গাড়ীর গতি সর্বনিম্ন হলে ব্রেক দিয়ে থামাবেন।
৫৫ একজন যাত্রীর শ্বাস প্রশ্বাসে কষ্ট হলে চালক/কন্ডাক্টারের দায়িত্ব কি?
উত্তর : উক্ত ব্যক্তির মুখে মুখ লাগিয়ে শ্বাস দিবে এবং বুকে মৃদু চাপ প্রয়োগ করবে এবং পরে নিকটতম হাসপাতালে নিতে হবে।
৫৬ ইঞ্জিন ঠান্ডা রাখে কিভাবে?
উত্তর : বাতাস বা পানির সাহায্যে।
৫৭ গরম রেডিয়েটরে ঠান্ডা পানি ঢাললে ইঞ্জিনের কি ক্ষতি হতে পারে?
উত্তর : ইঞ্জিন ব্লক ক্রেক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
৫৮ রেডিয়েটরের সাথে কয়টি হোজ পাইপ সংযুক্ত থাকে?
উত্তর : দুইটি হোজ পাইপ থাকে।
৫৯ কি কি কারণে ইঞ্জিন বন্ধ হয় বা ষ্টার্ট হয় না?
উত্তর : ট্যাংকে ফুয়েল না থাকলে/ডিজেল পাইপে বাতাস ঢুকলে/ পেট্রোল ইঞ্জিনের এইচ.টি তার বা এলটি তার লুজ হলে বা ছিঁড়ে গেলে /ব্যাটারী চার্জ দূর্বল হলে।
৬০ স্কিডিং সাধারনতঃ কত প্রকার?
উত্তর : ৩ প্রকারঃ ক) সামনের দুই চাকার স্কিডিং খ) পিছনের দুই চাকার স্কিডিং গ) চার চাকার স্কিডিং।
৬১ রাস্তায় গাড়ী চলতে চলতে হঠাৎ বন্ধ হওয়ার কারণ কি?
উত্তর : ক) বাড়ীতে জ্বালানি না থাকা খ) স্পার্ক প্লাগ খারাপ হওয়া।
৬২ শক এবজরভারের কাজ কি?
উত্তর : শক এবজরভারের কাজ হল গাড়ীর ঝাকুনি কমানো।
৬৩ রাস্তায় গাড়ী বের করার পূর্বে কোন কোন অংশ পরিদর্শন করতে হয়?
উত্তর : জালানী, লুব অয়েল, রেডিয়েটরের পানি, ব্রেক ফ্লুইড, চাকার হাওয়া, নাট-বোল্ট এবং ব্রেকের কার্যক্ষমতা।
৬৪ পেট্রোল ইঞ্জিনে ভেপার লক বলতে কি বুঝ?
উত্তর : ফুয়েল লাইন অত্যাধিক তাপের ফলে ভিতরে বাষ্পের সৃষ্টি হয়ে জ্বালানী সরবরাহ বন্ধ হওয়াকে ভেপার লক বলে।
৬৫ ডিজেল ইঞ্জিনে এয়ার লক হয় কিভাবে?
উত্তর : জ্বালানি সরবারহ লাইনে বাতাস প্রবেশ করলে এয়ার লক হয়। পাম্প করে এয়ার ব্লিপিং স্ক্রু লুজ করে বাতাস বের করে এটি দূর করা যায়।
৬৬ কি কি লক্ষণ দেখা দিলে ইঞ্জিন ওভার হলিং করা প্রয়োজন?
উত্তর : জ্বালানি ও লুব-ওয়েল বেশী খরচ হলে, কালো ধোয়া ছাড়লে, বহন ক্ষমতা কমে গেলে এবং কম্প্রেশন দুর্বল হলে।
৬৭ ডিজেল ইঞ্জিন হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাব্য কারণ কি?
উত্তর : ট্যাংকে ফুয়েল নেই, ফুয়েল পাম্প অকেজো, ইনটেক ও এগজষ্ট ভাল্ব কাজ না করা, গর্ভনর অকেজো অথবা পিষ্টন ও বিয়ারিং জাম হওয়া।
৬৮ মোটরযান কাকে বলে?
উত্তর : মোটরযান অর্থ কোনো যন্ত্রচালিত যান, যার চালিকাশক্তি বাইরের বা ভিতরের কোনো উৎস হতে সরবরাহ হয়ে থাকে।
৬৯ গাড়ি চালনার আগে করণীয় কাজ কী কী?
উত্তর : বৈধ কাগজপত্র সাথে রাখা, জ্বালানি, পানি, ব্যাটারি কানেকশন, লুব অয়েল, ব্রেক ফ্লুইড, লাইটিং সিস্টেম ও চাকার কন্ডিশন পরীক্ষা করা।
৭০ মোটরযানের মেইনটেনেন্স বা রক্ষণাবেক্ষণ বলতে কী বুঝায়?
উত্তর : ত্রুটিমুক্ত অবস্থায় একটি গাড়ি হতে দীর্ঘদিন সার্ভিস পাওয়ার জন্য প্রতিদিন যে সমস্ত মেরামত কাজ করা হয়, তাকে মেইনটেনেন্স বলে।
৭১ একটি মোটরযানে প্রতিদিন কী কী মেইনটেনেন্স করতে হয়?
উত্তর : জ্বালানি, পানি, লুব অয়েল, ব্রেক অয়েল পরীক্ষা করা এবং সার্বিকভাবে গাড়িটি ত্রুটিমুক্ত আছে কিনা তা দেখা।
৭২ সার্ভিসিং বলতে কী বুঝায়?
উত্তর : ইঞ্জিন ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশের কার্যক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য নির্দিষ্ট সময় পরপর যে কাজগুলো করা হয়, তাকে সার্ভিসিং বলে।
৭৩ গাড়ি সার্ভিসিংয়ে কী কী কাজ করা হয়?
উত্তর : লুব অয়েল ও ফিল্টার পরিবর্তন, রেডিয়েটর পরিষ্কার করা, গ্রিজিং পয়েন্টে গ্রিজ দেওয়া এবং চাকার হাওয়া চেক করা।
৭৪ গাড়ি চালনাকালে কী কী কাগজপত্র গাড়ির সঙ্গে রাখতে হয়?
উত্তর : ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ট্যাক্সটোকেন, ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট ও রুটপারমিট।
৭৫ রাস্তায় গাড়ির কাগজপত্র কে কে চেক করতে পারেন?
উত্তর : পুলিশ কর্মকর্তা (সার্জেন্টের নিচে নয়), বিআরটিএর কর্মকর্তা এবং মোবাইলকোর্টের কর্মকর্তা।
৭৬ মোটরসাইকেলে হেলমেট পরিধান ও আরোহী বহন সম্পর্কে আইন কী?
উত্তর : চালক ব্যতীত ১ জন আরোহী বহন করা যাবে এবং উভয়কেই হেলমেট পরিধান করতে হবে।
৭৭ সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ কী কী?
উত্তর : অত্যধিক আত্মবিশ্বাস, মাত্রাতিরিক্ত গতি, অননুমোদিত ওভারটেকিং এবং অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন।
৭৮ গাড়ি দুর্ঘটনায় পতিত হলে চালকের করণীয় কী?
উত্তর : আহত ব্যক্তির চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিকটবর্তী থানায় রিপোর্ট করা।
৭৯ আইন অনুযায়ী গাড়ির সর্বোচ্চ গতিসীমা কত?
উত্তর : হালকা মোটরযানে ৭০ মাইল/ঘণ্টা, মাঝারি যাত্রীবাহী ৩৫ মাইল/ঘণ্টা এবং মালবাহী ৩০ মাইল/ঘণ্টা।
৮০ মোটরযান কাকে বলে?
উত্তর : মোটরযান অর্থ কোনো যন্ত্রচালিত যান, যার চালিকাশক্তি বাইরের বা ভিতরের কোনো উৎস হতে সরবরাহ হয়ে থাকে।
৮১ মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স কী?
উত্তর : সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে মোটরযান চালানোর জন্য লাইসেন্স কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ইস্যুকৃত বৈধ দলিলই মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স।
৮২ পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কাকে বলে?
উত্তর : যে লাইসেন্স দিয়ে একজন চালক বেতনভোগী কর্মচারী হিসেবে কোনো মোটরযান চালিয়ে থাকে।
৮৩ অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কাকে বলে?
উত্তর : যে লাইসেন্স দিয়ে বেতনভোগী কর্মচারী না হয়ে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত হালকা মোটরযান বা মোটরসাইকেল চালানো যায়।
৮৪ ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার সর্বনিম্ন বয়স কত?
উত্তর : পেশাদার চালকের ক্ষেত্রে ২১ বছর এবং অপেশাদার চালকের ক্ষেত্রে ১৮ বছর।
৮৫ হালকা মোটরযান কাকে বলে?
উত্তর : যে মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাই ওজন ৬,০০০ পাউন্ড বা ২,৭২৭ কেজির অধিক নয়।
৮৬ মধ্যম বা মাঝারি মোটরযান কাকে বলে?
উত্তর : রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাই ওজন ৬,০০০ পাউন্ডের বেশি কিন্তু ১৪,৫০০ পাউন্ডের (৬,৫৯০ কেজি) অধিক নয়।
৮৭ ভারী মোটরযান কাকে বলে?
উত্তর : যে মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাই ওজন ১৪,৫০০ পাউন্ড বা ৬,৫৯০ কেজির অধিক।
৮৮ প্রাইভেট সার্ভিস মোটরযান কাকে বলে?
উত্তর : চালক ব্যতীত ৮ জনের বেশি যাত্রী বহনের উপযোগী যা মালিকের নিজের কাজে বিনা ভাড়ায় ব্যবহৃত হয়।
৮৯ পিএসভি (PSV) লাইসেন্স কী?
উত্তর : ভাড়ায় চালিত যাত্রীবাহী পাবলিক সার্ভিস মোটরযান চালানোর জন্য অতিরিক্ত যে লাইসেন্স গ্রহণ করতে হয়।
৯০ শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে গাড়ি চালানো কী বৈধ?
উত্তর : ইনস্ট্রাক্টরের উপস্থিতিতে এবং গাড়ির সামনে-পেছনে 'L' লিখে নির্ধারিত এলাকায় চালানো বৈধ।
৯১ কোন কোন ব্যক্তি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে?
উত্তর : মৃগীরোগী, উন্মাদ, রাতকানা, কুষ্ঠরোগী, হৃদরোগী, বধির এবং শারীরিক নিয়ন্ত্রণহীন ব্যক্তি।
৯২ রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট ছাড়া গাড়ি চালানোর শাস্তি কী?
উত্তর : সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড অথবা ২,০০০ টাকা জরিমানা। পরবর্তী মেয়াদে শাস্তি দ্বিগুণ হতে পারে।
৯৩ ইনসিওরেন্স বিহীন অবস্থায় গাড়ি চালানোর জরিমানা কত?
উত্তর : ২,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।
৯৪ রাস্তায় গাড়ির কাগজপত্র কে কে চেক করার ক্ষমতা রাখেন?
উত্তর : পুলিশ কর্মকর্তা (সার্জেন্টের নিচে নয়), বিআরটিএ-র কর্মকর্তা এবং মোবাইল কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেট।
৯৫ ট্রাফিক সাইন বা রোড সাইন প্রধানত কত প্রকার?
উত্তর : ৩ প্রকার। (১) বাধ্যতামূলক (বৃত্তাকার), (২) সতর্কতামূলক (ত্রিভুজাকার) এবং (৩) তথ্যমূলক (আয়তক্ষেত্রাকার)।
৯৬ লাল বৃত্তাকার সাইন কী নির্দেশনা প্রদর্শন করে?
উত্তর : নিষেধ বা করা যাবে না (অবশ্য বর্জনীয়) নির্দেশনা প্রদান করে।
৯৭ নীল বৃত্তাকার সাইন কী নির্দেশনা প্রদর্শন করে?
উত্তর : করতে হবে বা অবশ্যই পালনীয় নির্দেশনা প্রদর্শন করে।
৯৮ লাল ত্রিভুজাকার সাইন কী নির্দেশনা প্রদর্শন করে?
উত্তর : সতর্ক হওয়ার নির্দেশনা বা সামনে বিপদ আছে তা নির্দেশ করে।
৯৯ নীল রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?
উত্তর : সাধারণ তথ্যমূলক সাইন।
১০০ সবুজ রঙের আয়তক্ষেত্র সাইন কোথায় ব্যবহৃত হয়?
উত্তর : জাতীয় মহাসড়কে পথনির্দেশক তথ্য প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
১০১ ট্রাফিক সিগন্যাল বা সংকেত কত প্রকার?
উত্তর : ৩ প্রকার। বাহুর সংকেত, আলোর সংকেত এবং শব্দ সংকেত।
১০২ ট্রাফিক লাইট সিগন্যালের অনুক্রম কী?
উত্তর : লাল বাতি (থামুন), সবুজ বাতি (চলুন), হলুদ বাতি (থামানোর প্রস্তুতি নিন)।
১০৩ রাস্তায় মাঝখানের অখণ্ডিত একটি সাদা লাইনের অর্থ কী?
উত্তর : এই লাইন অতিক্রম বা ওভারটেক করা যাবে না।
১০৪ রাস্তায় মাঝখানের ভাঙা সাদা লাইনের অর্থ কী?
উত্তর : নিরাপদ মনে করলে ওভারটেক করা যাবে।
১০৫ দ্বৈত অখণ্ড লাইন (Double Solid Line) কী বুঝায়?
উত্তর : এটি ট্রাফিক আইল্যান্ড বা রাস্তার বিভক্তি বুঝায়; যা অতিক্রম করা নিষেধ এবং দণ্ডনীয়।
১০৬ লাল বৃত্তে '৫০ কি.মি.' লেখা থাকলে কী বুঝায়?
উত্তর : সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় ৫০ কি.মি.; এর বেশি গতিতে চালানো যাবে না।
১০৭ নীল বৃত্তে '৫০ কি.মি.' লেখা থাকলে কী বুঝায়?
উত্তর : সর্বনিম্ন গতিসীমা ঘণ্টায় ৫০ কি.মি.; এর কম গতিতে চালানো যাবে না।
১০৮ জেব্রা ক্রসিংয়ে চালকের প্রধান কর্তব্য কী?
উত্তর : পথচারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া এবং গাড়িকে জেব্রা ক্রসিংয়ের আগে থামানো।
১০৯ গোল চক্করে গাড়ি চালানোর প্রধান নিয়ম কী?
উত্তর : ডান দিক থেকে আগত গাড়িকে অগ্রাধিকার প্রদান করা।
১১০ হেডলাইট ফ্ল্যাশিং বা 'আপার-ডিপার' ব্যবহারের নিয়ম কী?
উত্তর : রাতে বিপরীত দিক থেকে গাড়ি আসলে লো-বিম বা ডিপার ব্যবহার করে নিরাপদ পাসিং নিশ্চিত করা।
১১১ হ্যাজার্ড বা বিপদ সংকেত বাতি কখন জ্বালানো হয়?
উত্তর : গাড়ি বিকল হলে, বিপজ্জনক মুহূর্তে এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সতর্কবার্তা হিসেবে।
১১২ গাড়ির সামনে-পেছনে লাল রঙের 'L' লেখা থাকলে কী বুঝায়?
উত্তর : এটি একটি শিক্ষানবিশ (Learner) চালক পরিচালিত গাড়ি।
১১৩ নিরাপদ দূরত্ব (Safe Distance) বলতে কী বুঝায়?
উত্তর : সামনের গাড়ির সাথে সংঘর্ষ এড়াতে নিরাপদে থামানোর জন্য মাঝে যে পরিমাণ ফাঁকা জায়গা রাখতে হয়।
১১৪ পাকা ও ভালো রাস্তায় ৫০ কি.মি. গতিতে নিরাপদ দূরত্ব কত?
উত্তর : ২৫ মিটার।
১১৫ পাকা ও ভালো রাস্তায় ৫০ মাইল গতিতে নিরাপদ দূরত্ব কত?
উত্তর : ৫০ গজ বা ১৫০ ফুট।
১১৬ কখন বাম দিক দিয়ে ওভারটেক করা যায়?
উত্তর : যখন সামনের গাড়িটি ডান দিকে মোড় নেওয়ার জন্য রাস্তার মাঝখানে অবস্থান নেয়।
১১৭ কোন কোন স্থানে ওভারটেক করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ?
উত্তর : সরু রাস্তা, ব্রিজ, জাংশন, অন্ধ বাঁক, পাহাড়ের ঢাল এবং হাসপাতাল এলাকায়।
১১৮ কোন কোন স্থানে গাড়ি পার্ক করা নিষেধ?
উত্তর : ব্রিজের ওপর, সরু রাস্তায়, জেব্রা ক্রসিংয়ে, বাস স্টপেজ এবং রেলক্রসিংয়ের আশেপাশে।
১১৯ নীরব এলাকায় হর্ন বাজানোর শাস্তি কী?
উত্তর : ১০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা। হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নীরব এলাকার অন্তর্ভুক্ত।
১২০ লুকিং গ্লাস কতক্ষণ পর পর দেখা উচিত?
উত্তর : প্রতি মিনিটে গড়ে ৬ থেকে ৮ বার।
১২১ পাহাড়ি রাস্তায় গাড়ি চালানোর বিশেষ সতর্কতা কী?
উত্তর : ১ নম্বর (ফার্স্ট) গিয়ারে সতর্কতার সাথে চালানো এবং কোনোভাবেই ওভারটেকিং না করা।
১২২ বৃষ্টির সময় গাড়ি কেন ধীর গতিতে চালাতে হয়?
উত্তর : রাস্তা পিচ্ছিল থাকায় ব্রেকের কার্যক্ষমতা কমে যায় এবং গাড়ি স্কিড করার সম্ভাবনা থাকে।
১২৩ ব্রিজে ওঠার আগে চালকের প্রধান সতর্কতা কী?
উত্তর : গতি কমানো এবং ব্রিজের ওপর ওভারটেকিং বা পার্কিং না করা।
১২৪ লেভেলক্রসিং বা রেলক্রসিং কত প্রকার?
উত্তর : ২ প্রকার। (১) রক্ষিত রেলক্রসিং (পাহারাদার আছে), (২) অরক্ষিত রেলক্রসিং (পাহারাদার নেই)।
১২৫ বিমানবন্দরের কাছে চালককে কেন সতর্ক থাকতে হয়?
উত্তর : বিমানের প্রচণ্ড শব্দে চালক বিচলিত হতে পারেন অথবা ভিভিআইপি মুভমেন্ট থাকতে পারে।
১২৬ মোটরসাইকেলে হেলমেট ব্যবহার করা কেন বাধ্যতামূলক?
উত্তর : দুর্ঘটনায় মানুষের সবচেয়ে স্পর্শকাতর অঙ্গ 'মাথা'কে গুরুতর আঘাত থেকে রক্ষা করার জন্য।
১২৭ পেশাদার চালকের দৈনিক কর্মঘণ্টা কত?
উত্তর : এক নাগাড়ে ৫ ঘণ্টার বেশি নয়; বিরতিসহ দিনে সর্বোচ্চ ৮ ঘণ্টা।
১২৮ সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণগুলো কী কী?
উত্তর : মাত্রাতিরিক্ত গতি, অননুমোদিত ওভারটেকিং, অতিরিক্ত মালামাল বহন এবং চালকের অত্যধিক আত্মবিশ্বাস।
১২৯ গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়লে চালকের প্রথম কাজ কী?
উত্তর : আহত ব্যক্তির চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিকটবর্তী থানায় রিপোর্ট করা।
১৩০ মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর শাস্তি কী?
উত্তর : সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড অথবা ১,০০০ টাকা জরিমানা। দ্বিতীয়বার অপরাধ করলে শাস্তি অনেক বেশি।
১৩১ বেপরোয়া গাড়ি চালনার সর্বোচ্চ সাজা কী?
উত্তর : সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড অথবা ৫০০ টাকা জরিমানা এবং লাইসেন্স বাতিল হতে পারে।
১৩২ ক্ষতিকর ধোঁয়া নির্গত গাড়ির জরিমানা কত?
উত্তর : ২০০ টাকা জরিমানা।
১৩৩ রাস্তায় গাড়ি মেরামত করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির শাস্তি কী?
উত্তর : সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা এবং মালামাল বাজেয়াপ্ত হতে পারে।
১৩৪ গাড়ি বের করার আগে কোন কোন জিনিস চেক করা উচিত?
উত্তর : জ্বালানি, পানি, মবিল, ব্রেক ফ্লুইড, চাকার প্রেশার এবং লাইটিং সিস্টেম।
১৩৫ ফাস্ট এইড (First Aid) কী?
উত্তর : দুর্ঘটনার পর ডাক্তার বা হাসপাতালে নেওয়ার আগে দ্রুত যে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
১৩৬ ইঞ্জিনের মেইনটেনেন্স বা রক্ষণাবেক্ষণ বলতে কী বুঝায়?
উত্তর : ত্রুটিমুক্ত অবস্থায় গাড়ি থেকে দীর্ঘদিন সার্ভিস পাওয়ার জন্য প্রতিদিন যে মেরামত কাজ করা হয়।
১৩৭ সার্ভিসিং বলতে কী বুঝায়?
উত্তর : ইঞ্জিনের স্থায়িত্ব বাড়াতে নির্দিষ্ট সময় পর পর তেল ও ফিল্টার পরিবর্তন এবং বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা।
১৩৮ রেডিয়েটরের কাজ কী?
উত্তর : ইঞ্জিনের গরম পানিকে বাতাস ও কুলিং ফ্যানের সাহায্যে ঠাণ্ডা রাখা।
১৩৯ কুলিং ফ্যানের কাজ কী?
উত্তর : রেডিয়েটরের ভেতর দিয়ে বাতাস প্রবাহিত করা এবং গরম পানিকে ঠাণ্ডা করা।
১৪০ ইঞ্জিনের অয়েল (মবিল) কেন বদলাতে হয়?
উত্তর : দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে মবিলের পিচ্ছিলতা ও গুনাগুণ নষ্ট হয়ে যায় বিধায় এটি বদলাতে হয়।
১৪১ ইঞ্জিনে মবিলের পরিমাণ কিসের সাহায্যে পরীক্ষা করা হয়?
উত্তর : ডিপস্টিক (Dipstick) এর সাহায্যে।
১৪২ স্পার্ক প্লাগ কোথায় থাকে এবং এর কাজ কী?
উত্তর : পেট্রোল ইঞ্জিনের সিলিন্ডার হেডে থাকে; এটি দহন প্রকোষ্ঠে বৈদ্যুতিক স্পার্ক তৈরি করে জ্বালানি জ্বালায়।
১৪৩ ব্যাটারিতে নিয়মিত কী পরীক্ষা করতে হয়?
উত্তর : পানির (ডিস্টিল ওয়াটার) লেভেল পরীক্ষা করতে হয়।
১৪৪ ব্যাটারি টার্মিনাল পরিষ্কারের পর কী লাগানো উচিত?
উত্তর : গ্রিজ বা পেট্রোলিয়াম জেলি লাগানো উচিত যাতে মরিচা না পড়ে।
১৪৫ ড্যাশবোর্ডে স্পিডোমিটারের কাজ কী?
উত্তর : গাড়ি কত স্পিডে বা বেগে চলছে তা প্রদর্শন করা।
১৪৬ ওডোমিটার (Odometer) কী কাজে লাগে?
উত্তর : গাড়ি তৈরির প্রথম থেকে আজ পর্যন্ত মোট কত কি.মি. বা মাইল চলল তা দেখায়।
১৪৭ ফুয়েল গেজের কাজ কী?
উত্তর : গাড়ির ফুয়েল ট্যাংকে তেলের পরিমাণ প্রদর্শন করা।
১৪৮ টেম্পারেচার গেজ কী নির্দেশনা দেয়?
উত্তর : ইঞ্জিনের তাপমাত্রা নির্দেশ করে; এটি লাল দাগে থাকলে ইঞ্জিন ওভারহিট বুঝায়।
১৪৯ ডিস্ট্রিবিউটরের কাজ কী?
উত্তর : প্রতিটি স্পার্ক প্লাগে হাইভোল্টেজ কারেন্ট পৌঁছে দেওয়া।
১৫০ সাইলেন্সারের কাজ কী?
উত্তর : ইঞ্জিনের দহন থেকে সৃষ্ট প্রচণ্ড শব্দকে নিয়ন্ত্রণ বা হ্রাস করা।
১৫১ ক্লাচ (Clutch) প্যাডেলের কাজ কী?
উত্তর : ইঞ্জিন এবং গিয়ার বক্সের সংযোগ করা ও বিচ্ছিন্ন করা; যা গিয়ার পরিবর্তনের সময় প্রয়োজন হয়।
১৫২ এয়ার ক্লিনার (Air Cleaner) কেন পরিষ্কার রাখা জরুরি?
উত্তর : এটি ধূলিকণা মুক্ত বিশুদ্ধ বাতাস ইঞ্জিনে সরবরাহ করে; নোংরা বাতাস ইঞ্জিনের দ্রুত ক্ষয় সাধন করে।
১৫৩ কার্বুরেটরের অবস্থান ও কাজ কী?
উত্তর : এটি এয়ার ক্লিনারের নিচে থাকে; এর কাজ হলো ফুয়েল ও বাতাস নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশ্রিত করা।
১৫৪ এয়ার লক (Air Lock) কী?
উত্তর : ফুয়েল লাইনে বাতাস প্রবেশের কারণে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়াকে এয়ার লক বলে।
১৫৫ ভেপার লক (Vapor Lock) কী?
উত্তর : অতিরিক্ত তাপের কারণে ফুয়েল লাইনে বাষ্পের সৃষ্টি হয়ে তেল সরবরাহ বন্ধ হওয়াকে ভেপার লক বলে।
১৫৬ ইঞ্জিন 'ওভারহলিং' কখন করতে হয়?
উত্তর : মবিল অতিরিক্ত খরচ হলে, কালো ধোঁয়া ছাড়লে এবং ইঞ্জিনের কম্প্রেশন দুর্বল হয়ে টান কমে গেলে।
১৫৭ ফোর হুইল ড্রাইভ (4WD) কখন ব্যবহার করতে হয়?
উত্তর : পিচ্ছিল বা কর্দমাক্ত রাস্তায় যেখানে চাকা পিছলে যেতে পারে, সেখানে চারটি চাকায় শক্তি দেওয়ার জন্য।
১৫৮ শক এবজরভারের কাজ কী?
উত্তর : রাস্তার অসমতা বা গর্তের কারণে সৃষ্ট ঝাকুনি থেকে গাড়ির বডি ও আরোহীদের রক্ষা করা।
১৫৯ টুলবক্স (Toolbox) কেন সাথে রাখা উচিত?
উত্তর : মোটরযানের জরুরি ও ছোটখাটো মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এতে রাখা হয়।
১৬০ চলন্ত অবস্থায় ব্রেক ফেল করলে করণীয় কী?
উত্তর : এক্সিলারেটর থেকে পা সরিয়ে গিয়ার ধাপে ধাপে কমিয়ে গতি নিয়ন্ত্রণ করা এবং নিরাপদ কিছুতে ঠেকিয়ে থামানোর চেষ্টা করা।
১৬১ চলন্ত অবস্থায় টায়ার বাস্ট করলে কী করা উচিত?
উত্তর : স্টিয়ারিং শক্ত করে ধরে রাখা এবং হঠাৎ ব্রেক না করে আস্তে আস্তে গতি কমিয়ে গাড়ি থামানো।
১৬২ ইঞ্জিন হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে প্রথমে কী চেক করতে হয়?
উত্তর : জ্বালানি বা ফুয়েল আছে কিনা তা চেক করতে হয়।
১৬৩ হেডলাইট না জ্বললে প্রথমে কী চেক করবেন?
উত্তর : নির্ধারিত ফিউজ বা বাল্ব কেটে গিয়েছে কিনা তা চেক করতে হয়।
১৬৪ গরম রেডিয়েটরে ঠাণ্ডা পানি ঢাললে কী ক্ষতি হতে পারে?
উত্তর : ইঞ্জিনের সিলিন্ডার ব্লক বা হেড ক্র্যাক (ফেটে) যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
১৬৫ টায়ার রোটেশন (Tyre Rotation) কী?
উত্তর : চাকাগুলোর ক্ষয় সমান করার জন্য নির্দিষ্ট সময় পর পর সামনের চাকা পেছনে এবং পেছনের চাকা সামনে লাগানো।
১৬৬ টায়ারের প্রেশার কম বা বেশি হলে কী অসুবিধা হয়?
উত্তর : প্রেশার বেশি হলে টায়ার মাঝখানে ক্ষয়ে যায় এবং কম হলে দু-পাশে ক্ষয়ে গিয়ে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়।
১৬৭ পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ কত বছর?
উত্তর : সাধারণত ৫ বছর; এরপর নবায়ন করতে হয়।
১৬৮ রুট পারমিট (Root Permit) কী?
উত্তর : যাত্রীবাহী বা মালবাহী গাড়ি যে নির্ধারিত রুটে চলবে তার জন্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত বৈধ অনুমতিপত্র।
১৬৯ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানোর শাস্তি কী?
উত্তর : অনধিক ৪ মাস কারাদণ্ড অথবা ৫,০০০ টাকা জরিমানা (আইন অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে)।
১৭০ বাসের সর্বনিম্ন আসন সংখ্যা কত?
উত্তর : চালকসহ সর্বনিম্ন ৩২ জন।
১৭১ মিনিবাসের আসন সংখ্যা কত?
উত্তর : চালকসহ ১৬ থেকে সর্বোচ্চ ৩২ জন।
১৭২ ডিজেল ও পেট্রোল ইঞ্জিনের মূল পার্থক্য কী?
উত্তর : পেট্রোল ইঞ্জিনে স্পার্ক প্লাগ ও কার্বুরেটর থাকে; ডিজেল ইঞ্জিনে ইনজেক্টর ও কম্প্রেশন ইগনিশন সিস্টেম থাকে।
১৭৩ ওভারটেকিং নিষেধ সম্বলিত সাইন বোর্ড কোন আকৃতির হয়?
উত্তর : লাল বৃত্তাকার।
১৭৪ গাড়ির গতি কমানোর হাতের সংকেত কী?
উত্তর : ডান হাত জানালা দিয়ে বের করে তালু নিচের দিকে রেখে ধীরে ধীরে উপরে-নিচে নামানো।
১৭৫ ওড মার্কিংয়ের দ্বৈত অখণ্ড লাইন কী বুঝায়?
উত্তর : এটি একটি স্থায়ী দেয়ালের মতো কাজ করে যা কোনোভাবেই অতিক্রম করা যাবে না।
১৭৬ লুকিং গ্লাস কত সময় পর পর দেখা উচিত?
উত্তর : প্রতি মিনিটে ৬-৮ বার।
১৭৭ এয়ারলক দূর করার উপায় কী?
উত্তর : ফুয়েল পাম্পের সাহায্যে পাম্প করে এয়ার ব্লিপিং স্ক্রু লুজ করে বাতাস বের করে দেওয়া।
১৭৮ গাড়ির ব্যাটারির ভোল্টেজ কত থাকে?
উত্তর : সাধারণত ১২ ভোল্ট (কিছু ছোট গাড়িতে ৬ ভোল্ট)।
১৭৯ ফুয়েল বলতে কী বুঝায়?
উত্তর : ফুয়েল বলতে জ্বালানি অর্থাৎ পেট্রোল, অকটেন, সিএনজি বা ডিজেলকে বুঝায়।
Leave a Comment (Text or Voice)
Comments (0)