সাধারণ জ্ঞান : প্যারীচাঁদ মিত্র

Article Stats 📡 Page Views
Reading Effort
393 words | 3 mins to read
Total View
647
Last Updated
12-Nov-2021 | 10:34 AM
Today View
0
প্যারীচাঁদ মিত্র

প্যারীচাঁদ মিত্রের জন্মতারিখ কবে? — ২২ শে জুলাই, ১৮১৪ খ্রিষ্টাব্দে। 

তিনি কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? — কলকাতায়। 

তিনি কী কী ভাষায় দক্ষ ছিলেন? — বাংলা, পারসি ও ইংরেজি। 

তিনি কোন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ছিলেন? — প্যারীচাঁদ মিত্র অ্যান্ড সন্স।

প্যারীচাঁদ মিত্র কোন কোম্পানির ডিরেক্টর ছিলেন? — 'বেঙ্গল টি কোম্পানি' ও 'ডারাং টি কোম্পানি'। 

তিনি দেশোন্নতিবিধায়ক কোন কোন সভা সমিতির গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন? — জ্ঞানোপার্জিকা সভার যুগ্ম সম্পাদক (১৯৩৮), বেঙ্গল ব্রিটিশ ইন্ডিয়া সোসাইটির সম্পাদক (১৮৪৩), ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান এসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য (১৮৫১), পশুক্লেশ নিবারণী সভার সম্পাদক (১৮৬১), বঙ্গদেশীয় সামাজিক বিজ্ঞান সভার যুগ্ম সম্পাদক (১৮৬৭–১৮৭৫)। 

চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সমালোচনা করে রচিত প্রবন্ধের নাম কী? — The Zamindar and Royats. 

তিনি গরিব চাষিদের রক্ষাকবচ হিসেবে কী প্রবর্তনের দাবি উত্থাপন করেন? — পঞ্চায়েত ব্যবস্থা। 

তাঁর রচিত প্রথম উপন্যাসের নাম কী? — 'আলালের ঘরের দুলাল' (১৮৫৮)। 

'আলালের ঘরের দুলাল' গ্রন্থের পরিচয় দাও। 
— প্যারীচাঁদ মিত্রের প্রথম গ্রন্থ 'আলালের ঘরের দুলাল'। ১৯৫৪ খ্রিঃ থেকে মাসিক পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়ে ১৮৫৮ খ্রিঃ গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায়। কেউ বলেন, "আলালের ঘরের দুলাল" বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস গ্রন্থ। কারো মতে, উপন্যাস নয়, উপন্যাসের লক্ষণ মাত্র। অর্থাৎ এটি সার্থক কিনা এ নিয়ে নানা বিতর্ক আছে। অনেকের মতে "আলালের ঘরের দুলাল" শ্রেষ্ঠ সামাজিক নকশা। এখানে দেশীয় বন্ধ্যা শিক্ষা ব্যবস্থা, পাশ্চাত্য সভ্যতার অন্ধ অনুকরণ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিশৃঙ্খলা নিয়ে লেখক নিজের অভিমত প্রকাশ করেছেন। তবে আধুনিক ইংরেজি শিক্ষার আলোকে উচ্চ আদর্শ সম্পন্ন জীবন গঠনকে লেখক স্বাগত জানিয়েছেন। কাহিনী বর্ণনায় কৌতুক আছে। এ গদ্যের গ্রন্থে লেখক সচেতনভাবে চলতি ভাষা রীতি প্রয়োগ করেছেন। উদ্যোগটি বিশেষভাবে স্মরণীয়। এই গদ্যরীতি বাংলা সাহিত্যে "আলালী রীতি" হিসেবে পরিচিত। প্যারীচাঁদ মিত্র 'টেকচাঁদ ঠাকুর' নামে এ গ্রন্থটি পত্রিকায় লেখেন।ধনী বাবুরামের পুত্র মতিলাল কুসঙ্গে পড়ে এবং শিক্ষার ব্যাপারে পিতার অবহেলা তাকে অধঃপতনে নিয়ে যায়। পিতার মৃত্যুর পর মতিলাল প্রাপ্ত সব সম্পত্তি নষ্ট করে ফেলে। পরে দুঃখের জীবনে তার বোধোদয় ঘটে এবং হৃদয় মন পরিবর্তন করে সে সৎ এবং ধার্মিক হয়ে ওঠে। ধূর্ত উকিল বটলর, অর্থালোভী বাঞ্ছারাম, তোষামোদকারী বক্রেশ্বর ইত্যাদি জীবম্ত চরিত্র। তবে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো মোকাজান মিঞা বা ঠকচাচা৷ চরিত্রটি ধূর্ততা৷ বৈষয়িক বুদ্ধি ও প্রাণময়তা নিয়ে এই গ্রন্থের সর্বাপেক্ষা জীবন্ত চরিত্র। ''আলালের ঘরের দুলাল'' সার্থক উপন্যাস না হলেও বাংলা ভাষায় উপন্যাস রচনার প্লাটফর্মটি তৈরি করে দেয়। 

বাংলা উপন্যাস রচনার পথিকৃৎ ভাবা হয় কাকে? — প্যারীচাঁদ মিত্রকে। 

পাদ্রি লঙ সাহেব তাঁকে কী বলতেন? — ডিফেন্স অব বেঙ্গল। 

তিনি কোন ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করতেন? — টেকচাঁদ ঠাকুর।

তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থের নাম কী? — 'মদ খাওয়া বড় দায় জাত থাকার কও উপায়' (১৮৫৯), 'বামারঞ্জিকা' (১৮৬০), 'গীতাঙ্কুর' (১৮৬১), 'অভেদী' (১৮৭১) ইত্যাদি। 

তিনি কবে মৃত্যুবরণ করেন? — ২৩ শে নভেম্বর, ১৮৮৩ খ্রিঃ।

💎 উপরের লিখাগুলো ওয়ার্ড ফাইলে সেভ করুন!

মাত্র 10 টাকা Send Money করে অফলাইনে পড়ার জন্য বা প্রিন্ট করার জন্য উপরের লিখাগুলো Microsoft Word ফাইলে ডাউনলোড করুন।

Download (.doc)

Sribas Ch Das

Founder & Developer

HR & Admin Professional (১২+ বছর) ও কোচিং পরিচালক (১৪+ বছর)। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সহজ Study Content নিশ্চিত করতেই এই ব্লগ।

🏷️ Tag Related

⚡ Trending Posts

Facebook Messenger WhatsApp LinkedIn Copy Link

✅ The page link copied to clipboard!

Leave a Comment (Text or Voice)




Comments (0)

Old Taka Archive (ota.bd)

✓ ১০০% আসল নোটের নিশ্চয়তা