My All Garbage

Shuchi Potro
সাধারণ জ্ঞান অ্যাসাইনমেন্ট-২০২১ বাংলা রচনা সমগ্র ভাবসম্প্রসারণ তালিকা অনুচ্ছেদ চিঠি-পত্র ও দরখাস্ত প্রতিবেদন প্রণয়ন সারাংশ সারমর্ম খুদে গল্প ব্যাকরণ Composition / Essay Paragraph Letter, Application & Email Dialogue List Completing Story Report Writing Graphs & Charts English Note / Grammar পুঞ্জ সংগ্রহ বই পোকা হ য ব র ল তথ্যকোষ পাঠ্যপুস্তক CV & Job Application বিজয় বাংলা টাইপিং My Study Note আমার কলম সাফল্যের পথে
About Contact Service Privacy Terms Disclaimer Earn Money


বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শিক্ষা সহায়ক ওয়েব সাইট

৮ম শ্রেণি : বিজ্ঞান : ৯ম সপ্তাহ : ২০২১

৮ম শ্রেণি : বিজ্ঞান : ৯ম সপ্তাহ

তোমার প্রতিদিনের পর্যবেক্ষণ থেকে ব্যাপন ও অভিস্রবণের দুটি করে ঘটনা উল্লেখ কর। ব্যাপন ও অভিস্রবণ প্রক্রিয়ার থেকে যে কোনো একটির জন্য পরীক্ষণ সম্পন্ন করে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি ধারাবাহিকভাবে লিখ।

সংকেত :
ক) ব্যাপন এর বৈশিষ্ট্য
খ) অভিস্রবনের বৈশিষ্ট্য
গ) ব্যাপন ও অভিস্রবণের পরীক্ষণ (ছোলা পানিতে ভেজান, রান্নার গন্ধ ছড়িয়ে পড়া, ফুড কালার পানিতে ছড়িয়ে পড়া এরূপ বিষয় পর্যবেক্ষণ)

নমুনা সমাধান

পদার্থ যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণুগুলো দ্বারা গঠিত তা সর্বদা চলমান অবস্থায় থাকে। তরল ও গ্যাসের ক্ষেত্রে অণুগুলোর চলন দ্রুত হয় এবং বেশি ঘনত্বের স্থান থেকে কম ঘনত্বের দিকে অণুগুলো ছড়িয়ে পড়তে থাকে, এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে যতোক্ষন না অণুগুলো উভর জায়গায় সমান হয়। অণুগুলোর এরূপ চলন প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে। 

ব্যাপন জীবের বিভিন্ন শরীরবৃত্তিয় প্রক্রিয়ার ভূমিকা রাখে। যেমন: উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের সময় বাতাসের কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে। এই কাজটি ব্যাপন দ্বারা সম্ভব হয়। উদ্ভিদ দেহে শোষিত পানি বাষ্পাকারে প্রস্বেদনের মাধ্যমে দেহ থ্রক্র ব্যাপন প্রক্রিয়ায় বের করে দেয়। প্রাণীদের শ্বসনের সময় অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাধ্যমে আদান প্রদান ও রক্ত পুষ্টি উপাদান, অক্সিজেন প্রভৃতি লসিকায় বহন ও লসিকা থেকে কোষে পরিবহন করা ব্যাপন দ্বারা সম্পন্ন হয়। 

অভিস্রবণ বলতে দুটো ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ একটি অর্ধভেদ্য পর্দা দিয়ে পাশাপাশি আলাদা করে রাখলে পর্দা ভেদ করে কম ঘন দ্রবণ থেকে অধিক ঘন দ্রবণের দিকে দ্রাবক অণু প্রবেশ করার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। দুটো দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে।অভিস্রবন এক প্রকার ব্যাপন।অভিস্রবণ কেবলমাত্র তরলের ক্ষেত্রে ঘটে।  একে অন্যভাবে বলা যায় কোনো শক্তির প্রয়োগ ছাড়াই তরলের বাস্তবিক চলাচল।অভিস্রবণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়— অন্তঃঅভিস্রবণ, বহিঃঅভিস্রবণ। কোষের বাইরে অবস্থিত তরল পদার্থ যখন অর্ধভেদ্য পর্দা ভেদ করে ভেতরে প্রবেশ করে তখন সেই প্রক্রিয়াকে অন্তঃঅভিস্রবণ বলে। কোষের ভেতর থেকে যখন তরল পদার্থ পর্দা ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে যায় তখন সেই প্রক্রিয়াকে বহিঃঅভিস্রবণ প্রক্রিয়া বলে।

জীবকোষের কোষাবরণ বা প্লাজমা পর্দা অর্ধভেদ্য পর্দা হিসেবে কাজ করে। প্লাজমা পর্দা দিয়ে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় মাটিস্থ পানি মূলরোমের মধ্যের প্রবেশ করে বা বাইরে আসে। কোষস্থিত পানি খনিজ লবণকে দ্রবীভুত করে কোষ রসে পরিণত করে। সুতারাং কোষের মধ্যে বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়াগুলোকে সচল রাখার জন্য অভিস্রবণের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।


আরো দেখুন :

৯ম সপ্তাহের নমুনা সমাধান :
৮ম শ্রেণি : বিজ্ঞান

No comments