মার্চের দিনগুলি

৮ম শ্রেণি : অ্যাসাইনমেন্ট : কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা : ৫ম সপ্তাহ : ২০২১

৮ম শ্রেণি : অ্যাসাইনমেন্ট : কর্ম ও জীবনমুখী শিক্ষা : ৫ম সপ্তাহ

এ্যাসাইনমেন্ট বা নির্ধারিত কাজ :
ক. বিদ্যালয়ের পাঠাগারে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা করছে।
খ. শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার করছে।
গ. শ্রেণিতে শিক্ষক পাঠদান করছে।
ঘ. শিক্ষক বই বিতরণ করছেন।
এই চারটি চিত্র অংকন করে কোনটি কায়িক শ্রম ও কেনটি মেধাশ্রম এবং কেন?

নমুনা সমাধান

মানুষ তার শারীরিক শ্রম দিয়ে যে কাজ করে তাকে কায়িক শ্রম এবং মস্তিষ্ক দিয়ে যে কাজ করা হয় তাকে মেধা শ্রম বলা হয়। বাঁচার জন্য এই দুই ধরনের শ্রমই প্রয়োজন। মেধা যেমন কাজের প্রেরণা যোগায় তেমন কায়িক শ্রমও কাজের রসদ যোগায়। দু’ই একে অপরের পরিপূরক, দৈনন্দিন জীবনে বেঁচে থাকতে শারীরিকভাবে অনেক কাজ করতে হয় যা মেধা দিয়ে সফলভাবে সম্পন্ন করতে হয়। এসব কাজ শরীর ও মন উভয়কে সচল রাখে।

ছবি - ১
ছবি - ১ : বিদ্যালয়ের পাঠাগারে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা করছে

বিদ্যালয়ের পাঠাগেরর শিক্ষার্থী পড়াশুনা করছে যা মেধা শ্রম। পড়াশুনার কাজে শারীরিক শ্রম থেকে মেধা শ্রমের বেশি প্রয়োজন হয়। পাঠ্যদানের প্রতিটি বিষয় আমাদের যত্নসহকারে মন ও মস্তিষ্কে ধারণ করতে হয়, যাতে আমরা সময়মতো কাজে লাগাতে পারি। বই পড়ায় মেধা শ্রম মুখ্য। তাই শিক্ষার্থীদের পড়াশুনা করা মেধা শ্রমের উদাহরণ।

ছবি - ২
ছবি - ২ : শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার করছে

শিক্ষার্থী কর্তৃক শ্রেণীকক্ষ পরিষ্কার কায়িক শ্রমের অন্তর্ভুক্ত। কারণ এ কাজের জন্য শারীরিক শক্তির প্রয়োজন পড়ে অনেক বেশি। শক্তির দ্বারাই এই ধরণের কাজগুলো সম্পন্ন করা যায় বলে এ কাজ কায়িক শ্রমের অন্তভুক্ত।

ছবি - ৩
ছবি - ৩ : শ্রেণিতে শিক্ষক পাঠদান করছে

এই ছবিতে শিক্ষক শ্রেণিতে পাঠদান করছে। এ কাজে মেধা শ্রমের প্রয়োজনীয়তা অনেক। শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের পড়া বুঝতে পারা বা মস্তিষ্কে ধারণ করার জন্য বিভিন্ন উপায়ে তাদের পাঠদান করানো জন্য মেধাশ্রমের প্রয়োজন পড়ে। শিক্ষার্থীরা যাতে সহজভাবে তাদের পাঠ্যবিষয় মস্তিষ্কে ধারণ করতে পারে শিক্ষক সব সময় সেভাবে চেষ্টা থাকে তাই তা মেধা শ্রমের অন্তভুক্ত।

ছবি - ৪
ছবি - ৪ : শিক্ষক বই বিতরণ করছেন

৪ নং ছবিতে শিক্ষকের বই বিতরণ একটি কায়িক শ্রম। কারণ এ কাজে মেধা খাটাতে হয় না। এ কাজে শ্রমের প্রয়োজন পরে। তাই চিত্র ৪ কায়িক শ্রমের উদাহরণ।

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post