বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শিক্ষা সহায়ক ওয়েব সাইট

ব্যাকরণ : ধ্বনি ও বর্ণ

ধ্বনি ও বর্ণ

ধ্বনি ও বর্ণের মধ্যে সম্পর্ক কী? – একটি মৌখিক এবং অপরটি ভাষার লৈখিক রূপ।মূলত ধ্বনিসমূহ লিখিতভাবে প্রকাশ করার প্রতীক/চিহ্ন সমূহ হল বর্ণ।

বাংলা ভাষায় মৌলিক ধ্বনিগুলো কয়ভাগে বিভক্ত এবং কী কী? – ২ ভাগে বিভক্ত। স্বরধ্বনি এবং ব্যঞ্জনধ্বনি

স্বরধ্বনি কাকে বলে? – যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমূহ অন্য কোনো ধ্বনির সংমিশ্রণ বা সহায়তা ছাড়া স্পষ্টভাবে উচ্চারিত হয়, তাকে স্বরধ্বনি বলে।

আগে ব্যবহৃত স্বরবর্ণ গুলো কি কি? – অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ ঋৃ এ ঐ ও ঔ অং অঃ

মৌলিক স্বরধ্বনিগুলো উল্লেখ করো? – অ আ ই উ এ অ্যা ও।

যৌগিক স্বরধ্বনিগুলো উল্লেখ কর? – ঐ ঔ।

ব্যঞ্জনধ্বনি কাকে বলে? – যেসব ধ্বনি অন্তত একটি স্বরধ্বনির সাহায্য ছাড়া উচ্চারিত হতে পারেনা, সেগুলোকে ব্যঞ্জনধ্বনি বলে।

স্পর্শ ধ্বনি কাকে বলে? – কন্ঠ, তালু, মূর্ধা, দন্ত, ওষ্ঠ স্পর্শ করে যে ধ্বনি উচ্চারিত হয় তাকে স্পর্শ ধ্বনি বলে। (ক থেকে ম পর্যন্ত ২৫ টি স্পর্শ ধ্বনি)

কন্ঠ্য বর্ণ কোনগুলো? – ক খ গ ঘ ঙ।

অন্তঃস্থ বর্ণ কোনগুলো? – য র ল ব (এই 'ব' কে গণনা করা হতো। এখন করা হয়না)

স্বরবর্ণে পূর্ণমাত্রা বর্ণ কয়টি ও কী কী? – ৬ টি (অ আ ই ঈ উ ঊ)।

স্বরবর্ণে অর্ধমাত্রা বর্ণ কয়টি ও কী কী? – ১ টি (ঋ)

স্বরবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণ কয়টি ও কী কী? – ৪ টি (এ ঐ ও ঔ)।

বাংলাতে যুগ্ম স্বরধ্বনি কোনগুলো? – ঐ (অ+ই), ঔ (অ+উ)

মৌলিক স্বরধ্বনি কতটি ও কী কী? – ৭ টি। (অ আ ই উ এ অ্যা ও)

ব্যঞ্জনবর্ণে পূর্ণমাত্রা বিশিষ্ট বর্ণের সংখ্যা কতটি ও কী কী? – ২৬ টি (ক ঘ চ ছ জ ঝ ট ঠ ড ঢ ত দ ন ফ ব ভ ম য র ল ষ স হ ড় ঢ় য়)

ব্যঞ্জনবর্ণে অর্ধমাত্রা বিশিষ্ট বর্ণের সংখ্যা কতটি ও কী কী? – ৭ টি। (খ গ ণ থ ধ প শ)

ব্যঞ্জনবর্ণে মাত্রাহীন বিশিষ্ট বর্ণের সংখ্যা কতটি ও কী কী? – ৬ টি। ( ঙ ঞ ৎ ং ঁ )

বাংলা ৫০ টি বর্ণে পূর্ণমাত্রা বিশিষ্ট বর্ণ কতটি? – ৩২ টি।

বাংলা ৫০ টি বর্ণে অর্ধমাত্রা বিশিষ্ট বর্ণ কতটি? – ৮ টি।

বাংলা ৫০ টি বর্ণে মাত্রাহীন বিশিষ্ট বর্ণ কতটি? – ১০ টি।

উচ্চারণ রীতি অনুসারে ব্যঞ্জনবর্ণের শ্রেণিবিভাগ কী? – ঘোষ – অঘোষ; মহাপ্রাণ – অল্পপ্রাণ

ঘোষ বর্ণ কী ও কোনগুলো? – যে বর্ণগুলো উচ্চারণ করতে ফুসফুস থেকে অধিক বাতাস বের হয় এবং নিনাদিত উচ্চারণ হয় তাদেরকে ঘোষ বর্ণ বলে। যথা— বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম বর্ণ এবং য, র, ল, ব, হ।

অঘোষ বর্ণ কি ও কোনগুলো?  যে বর্ণগুলো উচ্চারণ করতে ফুসফুস থেকে কম বাতাস বের হয় এবং কম নাদিত হয় তাদেরকে অঘোষ বর্ণ বলে।যথা— বর্গের প্রথম, দ্বিতীয় বর্ণ এবং স।

মহাপ্রাণ বর্ণ কী ও কোনগুলো? – যে বর্ণসমূহ উচ্চারণ প্রলম্বিত হয় অর্থাৎ ফুসফুস তাড়িত বাতাস অধিক প্রবাহিত হয়, সেগুলো মহাপ্রাণ বর্ণ। যথা— বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ।

অল্পপ্রাণ বর্ণ কী ও কোনগুলো? — যে বর্ণসমূহ উচ্চারণ নাতিদীর্ঘ হয় অর্থাৎ ফুসফুস তাড়িত বাতাস কম প্রবাহিত হয়, সেগুলো অল্পপ্রাণ বর্ণ।যথা— বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্গ।

No comments