বইয়ে খোঁজার সময় নাই
সব কিছু এখানেই পাই

সাধারণ জ্ঞান : উপজাতিয় বিদ্রোহ / বিভিন্ন উপজাতিদের অবস্থান / উপজাতিদের সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান / উপজাতিদের বর্ষবরণ ও উৎসবের নাম

উপজাতিয় বিদ্রোহ

উপজাতিয় বিদ্রোহ
সময়কাল
চাকমা বা কার্পাস বিদ্রোহ
১৭৭৬-৭৭
গারো জাগরণ ও বিদ্রোহ
১৮২৫-২৮, ১৮৩২-৩৩, ১৮৩৭-৮২
সাঁওতাল বিদ্রোহ
১৮৫৫-৫৬
হাজং বিদ্রোহ
১৮৪৪-৯০
ত্রিপুরা বিদ্রোহ
১৮৪৪-৯০

বিভিন্ন উপজাতিদের অবস্থান

জেলার নাম
বসবাসকারী উপজাতি
পার্বত্য চট্টগ্রাম
চাকমা, টিপরা, কুকি, লুসাই, তনচংগা
খাগড়াছড়ি
চাকমা, টিপরা, লুসাই, খোসাই, মগ
বান্দরবান
চাকমা, মারমা, মুরং, ত্রিপুরা, লুসাই, খোসাই, পাংখো, চক, বনজোগী, খুমি
রাঙামাটি
চাকমা, ত্রিপুরা, তনচংগা, কুকি, খ্যাং
ময়মনসিংহ
গারো, হাজং
সিলেট
মনিপুরী (বৃহত্তর সিলেট), খাসিয়া, সাঁওতাল, রাজবংশী, ওরাং, পাত্র
বগুড়া
সাঁওতাল, গারো, হাজং, হদি, দালুই
টাঙ্গাইল
গারো
রাজশাহী
সাঁওতাল
রংপুর
রাজবংশী, সাঁওতাল, ওঁরাও
নেত্রকোনা
হাজং, হদি, হাদুই
দিনাজপুর
সাঁওতাল
কক্সবাজার
মারমা
পটুয়াখালি (খেপুপাড়া)
মারমা, রাখাইন
সুন্দরবন
বাওয়ালী, মৌয়ালী

উপজাতিদের সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান

উপজাতীয় সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্র (বিরিশিরি) – নেত্রকোণা (১৬ আগস্ট ১৯৭৭)।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট – রাঙামাটি (১৯৭৮), বান্দরবান, খাগড়াছড়ি।

মনিপুরী ললিতকলা একাডেমি – মৌলভীবাজার।

রাখাইন সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট – রামু, কক্সবাজার।

ট্রাইবাল কালচারাল একাডেমি – দিনাজপুর।

উপজাতিদের বর্ষবরণ ও উৎসবের নাম

সাংগ্রাইন – মারমা (মগ)

বৈসুক – ত্রিপুরা

বিঝু – চাকমা।

বৈসাবি – পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয় বর্ষবরণ অনুষ্ঠান

ওয়ানগালা – গারোদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব।

মুৎসালাং/চে-চট-লাই/ছিয়াছত – মরং

সাংলান – খিয়াং

সাংগ্রেন  রাখাইন

No comments