বইয়ে খোঁজার সময় নাই
সব কিছু এখানেই পাই

সাধারণ জ্ঞান : উৎপাদন শিল্প

কাগজ ও মন্ড শিল্প

বাংলাদেশে প্রথম কখন, কোথায় কাগজ কল স্থাপিত হয়? – ১৯৫৩ সালে, চন্দ্রঘোনার কর্ণফুলী পেপার মিল।

বাংলাদেশে সর্ববৃহৎ কাগজের কল খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল কবে বন্ধ করা হয়? – ৩০ নভেম্বর, ২০০২।

খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলে কাঁচামাল হিসেবে কী ব্যবহৃত হতো? – সুন্দরবনের গেওয়া কাঠ।

খুলনা হাডবোর্ড মিলে কাঁচামাল হিসেবে কী ব্যবহার করা হয়? – সুন্দরী কাঠ।

কাঁচামাল হিসেবে আখের ছোবড়া ব্যবহৃত হয় কোন কাগজ মিলে? – উত্তরবঙ্গ কাগজ কল, পাকশী, পাবনা।

কাগজ তৈরির প্রধান প্রধান উপাদান কী কী? – বাঁশ, বেত, কাঠ, সবুজ পাট ও রাসায়নিক দ্রব্য।

সবুজ পাট থেকে প্রথম মণ্ড তৈরি শুরু হয় কবে? – ১০ নভেম্বর, ১৯৯৪।

কোন কাগজ কলে শুধুমাত্র নিউজপ্রিন্ট কাগজ তৈরি হতো? – খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল।

বাংলাদেশে মোট কাগজ কলের সংখ্যা কত? – ১০টি।

কাগজ তৈরির সর্বশেষ উদ্ভাবিত উপাদান কোনটি? – সবুজ পাট।

সবুজ পাট থেকে কাগজের মণ্ড তৈরির প্রযুক্তির উদ্ভাবন করে কোন দেশ? – বাংলাদেশ।

সবুজ পাট থেকে কাগজের মণ্ড তৈরির প্রস্তুাবক কে? – প্রফেসর এম. জহিরুদ্দিন খান।

জহিরুদ্দিন খান কবে প্রথম সবুজ পাট থেকে মণ্ড তৈরির কথা চিন্তা করেন? – ১৯৯৩ সালে।

পাটকে কাগজের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা নেয়া হয় কবে? – ১৯৯৮ সালে।

সবুজ পাট দিয়ে জিপসাম বোর্ড উৎপাদন শুরু হয় কবে থেকে? – ১৩ নভেম্বর, ১৯৯৪ সালে।

কাগজের কলগুলোতে পাটকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা নেয়া হয় কবে? – ১৯৭৮ সালে।

কর্ণফুলী কাগজকলে কী কাঁচামাল ব্যবহৃত হয়? – প্রধানত বাঁশ।

স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত একমাত্র কাগজ কল কোনটি? – সিলেট পাল্প অ্যান্ড পেপার মিল।

সার শিল্প

বাংলাদেশে সর্ববৃহ]ৎ সার কারখানা (সরকারি) কোনটি? – যমুনা সার কারখানা, জামালপুর।

ঘোড়াশাল সার কারখানায় কাঁচামাল হিসেবে কী ব্যবহৃত হয়? – তিতাস গ্যাস।

বাংলাদেশে কোন রাসায়নিক সারের চাহিদা সবচেয়ে বেশি? – ইউরিয়া সার।

বাংলাদেশের প্রথম ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কখন? – ১৯৬১ সালে। (বর্তমানে এটির নাম শাহজালাল ফার্টিলাইজার কারখানা)।

দেশে সরকারি সার কারখানা কতটি? – ৮টি।

FAFCO কী? – Karnofuly Fertizer Company.

বেসরকারি বৃহৎ সারকারখানা কোনটি? – কাফকো (যৌথ উদ্যোগে)।

যমুনা সার কারখানার নির্মাণ কাজ শেষ হয় কত তারিখে? – ২৫ ডিসেম্বর, ১৯৯২।

ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয় কত সালে? – ৩১ নভেম্বর, ১৯৯৩।

কাফকো সার কারখানায় কখন থেকে উৎপাদন শুরু হয়? – জানুয়ারি, ১৯৯৫।

ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা বন্ধ হওয়ার কারণ কী? – কন্ট্রোল ও প্রটেকটিভ ইনস্ট্রুমেন্ট অকার্যকর হওয় যাওয়ায়।

ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানার স্থলে প্রতিষ্ঠিতব্য কারখানার নাম কী? – শাহজালাল ফার্টিলাইজার কারখানা।

কাফকো নির্মাণে কোন দেশ সহায়তা করেছে? – জাপান।

দেশের একমাত্র দানাদার ইউরিয়া প্রস্তুতকারী সার কারখানা কোনটি? – যমুনা সার কারখানা।

কখন থেকে যমুনা সার কারখানা বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে? – ১ জুলাই, ১৯৯২।

ইউরিয়া সারের কাঁচামাল কী? – মিথেন গ্যাস।

পাট শিল্প

স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে মোট কতটি পাটকল জাতীয়কারণ করা হয়? – ৭৩টি।

কোন সাল থেকে বাংলাদেশের পাটকলগুলোকে বিরাষ্ট্রীয়করণ শুরু হয়? – ১৯৮২ সালের জুলাই মাস থেকে।

ব্রিটিশ বাংলার প্রথম পাটকলটিকে কোথা থেকে কে রিষড়ায় স্থাপন করেন? – জর্জ অকল্যান্ড, ইংল্যান্ডের ডান্ডি থেকে।

পূর্ব বাংলা বা বর্তমান বাংলাদেশের কোথায় প্রথম পাটকল স্থাপিত হয়? – সিরাজগঞ্জে।

পাটের বহুমূখীকরণের লক্ষ্যে গঠিত ফোরামের নাম কী? – ইনভেস্টরস ফোরাম (১৯৯৯ সালে)।

আইজেও এর বর্তমান নাম কী? – আইজেএসজি।

বাংলাদেশে বর্তমানে পাটকলের মোট সংখ্যা কত? – ৭৬টি (আদমজী পাটকল বাদে)।

বাংলাদেশে সর্বপ্রথম পাটকল কোথায় স্থাপন করা হয়? – ১৯৫১ সালে ১০০০ তাঁত নিয়ে নারায়ণগঞ্জের আদমজী নগরে। [আদমজী পাটকল বন্ধ হয় ৩০ জুন, ২০০২]

পাটকলগুলোতে কী কী উৎপাদন করা হয়? – চট, বস্তা, কার্পেট, দড়ি, ব্যাগ, ম্যাট, শোপিস ইত্যাদি।

ব্রিটিশ বাংলার প্রথম পাটকল কবে, কোথায় বসানো হয়? – ১৮৫৫ সালে, শ্রীরামপুরের কাছে উরিষ্যায়।

বাংলাদেশের পাট শিল্পের প্রধান কেন্দ্রগুলো কোথায় কোথায় অবস্থিত? – নারায়ণগঞ্জ, খুলনায় ও চট্টগ্রামে।

বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশন-এর আওতাধীন পাটকলের সংখ্যা কত? – ৩৫টি।

বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে কোন দেশ সবচেয়ে বেশি কাঁচা পাট আমদানি করে? – চীন।

কোন প্রতিষ্ঠান সবুজ পাট ব্যবহার করে কাগজের মণ্ড তৈরির প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে? – বিসিআইসির অর্থানুকূল্যে গঠিত ও পরিচালিত টাস্কফোর্স।

জুটনে পাটের ভাগ কত? – ৭০%।

জুটন কে আবিষ্কার করেন? – ড. মো. সিদ্দিকুল্লাহ।

পাটের জীবন রহস্য আবিষ্কার করেন কে? – ডা. আকসুদুল আলম।

জাতীয়করণকৃত পাটকলগুলোর পরিচালনার দায়িত্ব অর্পিত হয় কোন প্রতিষ্ঠানের উপর? – বাংলাদেশ জুট মিল কর্পোরেশন (বিজিএমসি) এর উপর।

রেয়ন ও সিল্ক শিল্প

বাংলাদেশের একমাত্র রেয়ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের নাম কী? – কর্ণফুলী রেয়ন মিল, রাঙামাটি (চন্দ্রঘোনা, বর্তমানে বন্ধ)।

বাংলাদেশে সিল্ক উৎপন্ন হয় কোথায়? – রাজশাহীতে।

দেশে বস্ত্র কল কয়টি? – ৬৫টি।

দেশের প্রথম বস্ত্র কল কোনটি? – সায়হাম কটন মিল।

তাঁতবস্ত্র বয়ন শিল্পের জন্য বাংলাদেশের কোন কোন স্থান বিখ্যাত? – ঢাকা, কুষ্টিয়া, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা, নরসিংদী ও পাবনা।


চিনি শিল্প

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ চিনিকল কোনটি? – কেরু অ্যান্ড কোং লি., দর্শনা, চুয়াডাঙ্গা। (১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত)।

বাংলাদেশের প্রথম চিনিকল কোনটি? – কেরু অ্যান্ড কোং লি.।

বাংলাদেশের কোন বিভাগ চিনি শিল্পে উন্নত? – রাজশাহী বিভাগ।

বাংলাদেশে বর্তমানে কতটি সরকারি চিনিকল রয়েছে? – ১৫টি।

বাংলাদেশে বর্তমানে বেসরকারি চিনিকল কয়টি? – ৩টি।

বাংলাদেশে চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা কোনটি? – রেইন উইক জগ্নেশ্বর (কুষ্টিয়া)।

রেল উইক জগ্নেশ্বর কী? – চিনি কলের যন্ত্রপাতি মেরামতের প্রতিষ্ঠান।

বিশ্বের ১৩০টি চিনি উৎপাদনকারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান কততম? – ৬৭তম।

বিশ্বে সবচেয়ে চিনি ভোগ করে কোন দেশের মানুষ? – ইসরাইলের।

লবণ শিল্প

বাংলাদেশের কোন কোন জেলায় লবণ উৎপন্ন হয়? – কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বৃহত্তর বরিশাল, খুলনা, নোয়াখালী এবং লক্ষীপুরে।

চট্টগ্রামের কোথায় লবণ উৎপন্ন হয়? – বাঁশখালীতে।

বৃহত্তর বরিশালের কোথায় কোথায় লবণ উৎপাদিত হয়? – ঝালকাঠি ও পটুয়াখালী জেলায়।

সিমেন্ট শিল্প

বাংলাদেশের সর্বপ্রথম সিমেন্ট কারখানা কোনটি? – ছাতক সিমেন্ট কারখানা (১৯৪০)।

মংলা সিমেন্ট কারখানা কোথায় অবস্থিত? – বাগেরহাট।

দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম সিমেন্ট কারখানা কোনটি এবং কোথায়? – লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট ফ্যাক্টরি, সুনামগঞ্জের ছাতকে। (ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয় ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪)।

বাংলাদেশে সিমেন্ট কারখানা কতটি? – ১৪টি (এর মধ্যে সরকারি ৫টি)।

ইস্পাত ও প্রকৌশল শিল্প

বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন (BSEC)-এর প্রতিষ্ঠা কবে? – ১ জুলাই ১৯৭৬।

BSEC-এর পূর্ণরূপ কী? – Bangladesh Steel & Engineering Corporation.

BSEC-এর সদর দফতর কোথায়? – কাওরান বাজার, ঢাকা।

প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে BSEC-এর অধীনে কতটি শিল্প প্রতিষ্ঠান ছিল? – ৬২টি (বর্তমানে ৯টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে)।

জাহাজ নির্মাণ শিল্প

বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত কারখানা কোথায় অবস্থিত? – খুলনা, মংলা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা।

খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডের কার্যক্রম শুরু হয় কবে? – ১৯৫৪ সালে।

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত কারখানা কোনটি? – খুলনা শিপইয়ার্ড লি.।

আনন্দ শিপইয়ার্ড কবে বাংলাদেশে প্রথম ক্লাসশিপ তৈরি করে? – ১৯৯২ সালে।

ঢাকা ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়াকর্স কোথায় অবস্থিত? – কেরানীগঞ্জ, ঢাকা।

বাংলাদেশ প্রথম কবে, কোন দেশে জাহাজ রপ্তানি করে? – ১৫ মে ২০০৮, ডেনমার্কে।

বাংলাদেশ থেকে রপ্তানিকৃত প্রথম জাহাজটির নাম কী? – স্টেলা মেরিস।

ওয়েস্টর্ন মেরিন শিপেইয়ার্ড যাত্রা শুরু করে কবে? – ১৯৯৪ সালে (জাহাজ নির্মাণ শুরু ২০০০ সালে)।

No comments