সাধারণ জ্ঞান : আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা / গণঅভ্যুত্থান, ১৯৬৯ / ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন / অসহযোগ আন্দোলন ১৯৭১

Article Stats 📡 Page Views
Reading Effort
716 words | 4 mins to read
Total View
14.1K
Last Updated
09-May-2021 | 12:16 PM
Today View
0
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয় কবে? – ১৯৬৮ সালের জানুয়ারি।

আগারতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামী কে ছিলেন?বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী কতজন ছিল? – ৩৫ জন।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারের জন্য গঠিত বিশেষ আদালতের বিচারপতিদের নেতৃত্বে কে ছিলেন? – তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এস. এ রহমান।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার কোন আসামীকে কবে হত্যা করা হয়? – সার্জেন্ট জহুরুল হক, ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান জহুরুল হক হলের পূর্ব নাম কী ছিল? – ইকবাল হল।

কবে, কোথায় আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচার কাজ শুরু হয়? – ১৯ জুন, ১৯৬৮; কুর্মিটোলা সেনানিবাসে।

গণঅভ্যুত্থান, ১৯৬৯
ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ কবে গঠিত হয়? – ১৯৬৯ সালের ৫ জানুয়ারি।

গণঅভ্যুত্থানে নিহত আসাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগের ছাত্র ছিলেন? – আইন বিভাগের।

গণঅভ্যুত্থানে আসাদ কবে শহীদ হন? – ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি।

১৯৬৯ সালের ২৪ জানুয়ারি নিহত মতিউর কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছিল? – ঢাকার বকসিবাজার নবকুমার ইনস্টিটিউটের।

১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান কীসের ভিত্তিতে হয়? – আওয়ামী লীগের ছয় দফা, ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগার দফা এবং গণতান্ত্রিক সংগ্রাম পরিষদের আট দফার ভিত্তিতে।

বর্তমান আসাদ গেটের পূর্ব নাম কী ছিল? – আইয়ুব গেট।

আসাদকে নিয়ে কোন কবি কবিতা রচনা করেন এবং কবিতার নাম কী? – কবি শামসুর রাহমান, আসাদের শার্ট।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কাকে বেয়নেট দিয়ে হত্যা করা হয়? – অধ্যাপক শামসুদ্দোহা; আসাদের শার্ট।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কাকে বেয়নেট দিয়ে হত্যা করা হয়? – অধ্যাপক শামসুদ্দোহা; ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে।

কবে শেখ মুজিবসহ জেলে আটক কারাবন্দিরা মুক্তি লাভ করেন? – ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯।

১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যক্ষ ফলাফল কী ছিল? – আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার এবং আইয়ুব খানের ক্ষমতা হস্তান্তর।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা কখন প্রত্যাহার করা হয়? – ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯।

কোন কোন ছাত্র সংগঠন মিলে এগার দফা প্রণয়ন করে? – ছাত্রলীগ (তোফায়েল), ছাত্র ইউনিয়ন (মতিয়া), ছাত্র ইউনিয়ন (মেনন) এবং এনএএফ (বিদ্রোহী গ্রুপ)।

কবে, কোথায় কার উদ্যোগ শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়? – ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ রেইসকোর্স ময়দানে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে তৎকালীন ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেন।

কবে ফিল্ডমার্শাল আইয়ুব খান পদত্যাগ করেন? – ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯।

প্রেসিডেন্ট আইউয়ুব কবে, কার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন? – ২৫ মার্চ, ১৯৬৯। তদানীন্তন প্রধান সেনাপতি আগা মোহম্মদ ইয়াহিয়ার নিকট।

আইয়ুব খানের পর কে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হন? – জেনারেল ইয়াহিয়া খান।

পূর্ব বাংলায় প্রথম চীফ সেক্রেটারি কে ছিলেন? – আজিজ আহম্মদ।

পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের প্রথম অধিবেশন কোথায় বসে? – ঢাকায়।

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন 
পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কবে? – ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর জাতীয় পরিষদ এবং ২৭ ডিসেম্বর প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

পূর্ব পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদের কতটি আসন ছিল? – ১৬৯টি। (পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩১৩টি)।

১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কতটি আসন লাভ করে? – ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি। বাকি ২টি আসন যথাক্রমে পিডিপি ও স্বতন্ত্র সদস্য লাভ করে।

পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক আইন পরিষদের কতটি আসন পেয়েছিল? – ৩০০টি।

আওয়ামী লীগ প্রাদেশিক পরিষদের কতটি আসন পেয়েছিল? – ১৮২টি।

সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে ভুট্টোর দাবি কী ছিল? – দ্বিতীয় সংখ্যাগরিষ্ট দল হিসেবে ক্ষমতার অর্ধেক লাভ করা।

প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান কবে, কেন আইন কাঠামো আদেশ (Legal Frame Work Order) জারি করেন? – ৩০ মার্চ, ১৯৭০। নির্বাচিত জন প্রতিনিধিদের দ্বারা দেশের সংবিধান রচনা করার জন্য। এক ব্যক্তি এক ভোট।

জাতীয় পরিষদের প্রথম অধিবেশনের স্থান ও তারিখ কবে কোথায় হবে বলে ঘোষণা করা হয়? – ঢাকায়; ৩ মার্চ ১৯৭১।

৩ মার্চ, ১৯৭১ এর জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে যোগদান না করার কথা ভুট্টো কবে ঘোষণা করেন? – ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১।

৬ মার্চ, ১৯৭১ এর ঘোষণানুযায়ী জাতীয় পরিষদের অধিবেশন কবে বসার কথা? – ২৪ মার্চ, ১৯৭১।

৭ মার্চ, ১৯৭১ এ শেখ মুজিবের ঐতিহাসিক ভাষণের বৈশিষ্ট্য কী? – অহিংস ও অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি প্রদান, স্বাধীনতার পরোক্ষা ঘোষণা, পূর্ব পাকিস্তানে আওয়ামী লীগের অসামরিক প্রশাসন চালু করা।

ঢাকায় মুজিব ইয়াহিয়া বৈঠক কবে শুরু হয়? কত দিন পর্যন্ত আলোচনা চলে? – ১৬ থেকে ২৫ মার্চ, ১৯৭১ পর্যন্ত মোট ১০ দিন।

আলোচনা ভেঙে দিয়ে ইয়াহিয়া খান কবে ঢাকা ত্যাগ করেন? – ২৫ মার্চ রাতে।


অসহযোগ আন্দোলন ১৯৭১ 
  • বঙ্গবন্ধু তাঁর ৭ মার্চের ভাষণে আওয়ামী লীগের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশ পরিচালনার ঘোষণা দেন। তিনি তাঁর ভাষণে কোর্ট-কাচারী, অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করার ঘোষণা করেন।
  • বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘যে পর্যন্ত আমার দেশের মুক্তি না হচ্ছে ততদিন খাজনা-ট্যাক্স বন্ধ করে দেয়া হলো।’ ২৫ মে জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে যোগদানের পূর্বশর্ত হিসেবে চারটি দাবি তিনি ঘোষণা করেন। পাকিস্তান সরকার এ দাবিগুলো মেনে না নেয়া পর্যন্ত তিনি অসহযোগ আন্দোলন অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেন।
  • পাকিস্তান সরকারও দাবিগুলো মেনে নেয়নি, ফলে বাঙালির আন্দোলন বেগবান হয়ে ওঠে।

💎 উপরের লিখাগুলো ওয়ার্ড ফাইলে সেভ করুন!

মাত্র 10 টাকা Send Money করে অফলাইনে পড়ার জন্য বা প্রিন্ট করার জন্য উপরের লিখাগুলো Microsoft Word ফাইলে ডাউনলোড করুন।

Download (.docx)

Sribas Ch Das

Founder & Developer

HR & Admin Professional (১২+ বছর) ও কোচিং পরিচালক (১৪+ বছর)। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সহজ Study Content নিশ্চিত করতেই এই ব্লগ।

🏷️ Tag Related

⚡ Trending Posts

Facebook Messenger WhatsApp LinkedIn Copy Link

✅ The page link copied to clipboard!

Leave a Comment (Text or Voice)




Comments (0)

Old Taka Archive (ota.bd)

✓ ১০০% আসল নোটের নিশ্চয়তা