কীভাবে মোবাইল অপারেটর পরিবর্তন করবেন? বাংলাদেশে MNP সেবার নিয়মাবলী ও খরচ।
| Article Stats | 💤 Page Views |
|---|---|
|
Reading Effort 434 words | 3 mins to read |
Total View 1K |
|
Last Updated 19-Jun-2026 | 12:32 PM |
Today View 0 |
কীভাবে মোবাইল অপারেটর পরিবর্তন (MNP) করবেন?
বাংলাদেশে MNP সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া নিচে সহজ ধাপে আলোচনা করা হলো:
- কাঙ্ক্ষিত অপারেটর নির্বাচন: যে অপারেটরে যেতে চান, তাদের কাস্টোমার কেয়ারে সরাসরি যোগাযোগ করুন।
- প্রয়োজনীয় নথিপত্র: জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) সাথে রাখুন।
- চার্জ পরিশোধ: নির্ধারিত ফি (বর্তমানে প্রায় ১৫৮ টাকা) জমা দিন।
- সক্রিয়করণ: ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আপনার নতুন সিম সক্রিয় হবে।
মনে রাখবেন: সফলভাবে অপারেটর পরিবর্তনের পর পরবর্তী ৯০ দিন পর্যন্ত আপনি আর এমএনপি (MNP) সুবিধা নিতে পারবেন না।
গত ১ অক্টোবর ২০১৮ থেকে ৭২তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশে প্রথম বারের মত চালু হয়েছে MNP (Mobile Number Portability)। এই সুবিধার মধ্য দিয়ে আপনি আপনার ১১ ডিজিটের মোবাইল নম্বর অপরিবর্তিত রেখে যেকোনো অপারেটরে চলে যেতে পারবেন।
যেমন ধরুন আমার মোবাইল নম্বর 01614705499
এটি আমি এয়াটেল থেকে ক্রয় করেছি এবং এটিতে অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত এয়ারটেল অপারেটর চালু আছে। আমি বর্তমানে এয়ারটেলের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছি এবং ইন্টারনেট থেকে শুরু করে সকল সুবিধা এয়ারটেল থেকে পেয়ে আসছি।
আমি চাইলে এই মোবাইল নম্বরটি হুবুহু ঠিক রেখে অর্থাৎ একটা অংকও পরিবর্তন না করে রবি, গ্রামীণ, বাংলালিক বা টেলিটকে চলে যেতে পারবো। এই সুবিধাটিকেই MNP বলে।
এখন প্রশ্ন হলো; আপনি অপারেটর পরিবর্তন কেন করবেন?
আপনি যদি এমন কোনো এলাকায় থাকেন যেখানে আপনার অপারেটরের নেটওয়ার্ক কম, অথবা আপনি যে অপারেটরে আছেন সেই অপারেটরে কল চার্জ বেশি, বা যদি মনে করেন অন্য কোনো অপারেটরে সুযোগসুবিধা বেশি। তাহলে আপনি চাইলে আপনার অপারেটর পরিবর্তন করতে পরেন। এই সুবিধা আপনি Pre-paid বা Post-paid যেকোনো নম্বরেই পাবেন।
এই সুবিধাটি পেতে চাইলে আপনাকে যা করতে হবে-
প্রথম ধাপ : আপনার মোবাইল নম্বরটি যে অপারেটরে নিতে চান, SIM কার্ডটি সহ আপনাকে সেই অপারেটরের কাস্টোমার কেয়ার অফিসে যেতে হবে।
দ্বিতীয় ধাপ : যাওয়ার সময় জাতীয় পরিচয় পত্রের (NID Card) মূলকপি/ফটোকপি সাথে নিতে হবে। অথবা পূর্বে SIM কার্ডটি রেজিস্ট্রেশন করার সময় যে যে কাগজপত্র দিয়েছিলেন সেসকল কাগজপত্র সাথে নিয়ে যেতে হবে।
তৃতীয় ধাপ : অপারেটর পরিবর্তন বাবদ ৫০ টাকা + নতুন SIM বাবদ ১০০ টাকা; মোট ভ্যাট সহ ১৫৮ টাকা পরিশোধ করতে হবে।
চতুর্থ ধাপ : নতুন SIM কার্ডটি সাথে নিয়ে চলে আসবেন এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আপনার নতুন SIM কার্ডটি চালু হবে এবং আপনার অপারেটর পরিবর্তিত হয়ে যাবে। যদি আপনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপারেটর পরিবর্তন করতে চান তবে আপনাকে আরো অতিরিক্ত ১০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে।
শর্ত : একবার অপারেটর পরিবর্তনের পর ৯০ দিনের মধ্যে আপনি আর অপারেটর পরিবর্তন করতে পারবেন না। ৯০ দিন পর আপনি চাইলে আবার অপারেটর পরিবর্তন করতে পারবেন। এইভাবে যতবার ইচ্ছা আপনি অপারেটর পরিবর্তন করতে পারবেন।
নতুন অপারেটরে আসার পর আপনার মোবাইলের ব্যালেন্স দেখা, টাকা রিচার্জ করা, ইন্টারনেট চালু করা থেকে শুরু করে সব কিছুই নতুন অপারেটরের নিয়ম মতই করতে হবে।
অর্থাৎ মোবইল নম্বর আপনার একটাই থাকবে। এইবার আপনি কোন নেটওয়ার্ক/অপারেটর ব্যবহার করবেন সেটা আপনার ইচ্ছা।
Leave a Comment (Text or Voice)
Comments (0)