My All Garbage

Shuchi Potro
সাধারণ জ্ঞান বাংলা ব্যাকরণ বাংলা রচনা সমগ্র ভাবসম্প্রসারণ তালিকা অনুচ্ছেদ চিঠি-পত্র ও দরখাস্ত প্রতিবেদন প্রণয়ন অভিজ্ঞতা বর্ণনা সারাংশ সারমর্ম খুদে গল্প ভাষণ লিখন দিনলিপি সংলাপ অ্যাসাইনমেন্ট-২০২১ English Grammar Composition / Essay Paragraph Letter, Application & Email Dialogue List Completing Story Report Writing Graphs & Charts পুঞ্জ সংগ্রহ বই পোকা হ য ব র ল তথ্যকোষ পাঠ্যপুস্তক CV & Job Application My Study Note আমার কলম সাফল্যের পথে
About Contact Service Privacy Terms Disclaimer Earn Money


বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শিক্ষা সহায়ক ওয়েবসাইট

ভাষণ : এইডস কী- বাঁচতে হলে জানতে হবে

‘এইডস কী- বাঁচতে হলে জানতে হবে’– শীর্ষক আলোচনা সভার একজন বক্তা হিসেবে একটি মঞ্চভাষণ তৈরি কর।

অথবা, ঘাতক ব্যাধি ‘এইডস’-এর ভয়াবহ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে যুবসমাজের উদ্দেশে একটি ভাষণ তৈরি কর।

অথবা, “এইডস— মৃত্যুর অপর নাম : বাঁচতে হলে জানতে হবে” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের উপযোগী ভাষণ প্রস্তুত কর।


‘এইডস কী— বাঁচতে হলে জানতে হবে’ শীর্ষক আলোচনা সভা

‘এইড্স কী- বাঁচতে হলে জানতে হবে’ শীর্ষক আলোচনা সভার মান্যবর সভাপতি, সম্মানিত প্রধান অতিথি, আলোচকবৃন্দ, সমবেত সুধী আসসালামু আলাইকুম ।

সুধীমণ্ডলী,
আজকের অনুষ্ঠানে আমাকে কিছু বলার সুযোগদানের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। কোনো আবিষ্কার বা সৃষ্টি যদি এমন হয় যে, তা মানবসভ্যতার বিকাশ সাধনে ভূমিকা রাখবে কিংবা উপকারে আসবে, তার বিস্তার ঘটে খুবই ধীরগতিতে। কিন্তু আবিষ্কার বা সৃষ্টি যদি ধ্বংসাত্মক হয় তবে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বময়। এইড্স তেমনি একটি জীবন বিনষ্টকারী ঘাতক ব্যাধি।

সুধীবৃন্দ,
UNAIDS-এর এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে এইড্স রোগীর সংখ্যা ছিল ১৩৪, এইড্স থেকে মৃত্যুর সংখ্যা ৭৪, এইচআইভি পজেটিভ মানুষের সংখ্যা ৬৫৮। কিন্তু ইতোমধ্যে বাংলাদেশে এইচআইভি এইড্স আক্রান্তের সংখ্যা এক বছরে ৬৫৮ থেকে বেড়ে ৮৭৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এর প্রধান কারণ এইড্স সম্পর্কে সচেতনতার অভাব। তাই এইড্স কী, বেঁচে থাকার জন্য তা আমাদের জানতে হবে।

সুধীমণ্ডলী,
১৯৮৩ সালে ফরাসি গবেষক লুক মনটরগনিয়ার এবং ১৯৮৭ সালে আমেরিকার রবার্ট গ্যালো আবিষ্কার করেন ভাইরাসঘটিত এজেন্ট HIV টাইপ ওয়ান থেকে এইড্স ব্যাধির সৃষ্টি। পশ্চিম আফ্রিকার এইড্স রোগীদের পরীক্ষা করে HIV টাইপ টু বের করা হয়। এইচআইভির প্রধান কাজ মানুষের শরীরের স্বাভাবিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেওয়া। এইচআইভি আক্রান্ত রোগীর সঙ্গে অনিরাপদ যৌনমিলনে, রক্ত আদান-প্রদানের মাধ্যমে এইচআইভি একজনের দেহ থেকে অন্যজনের দেহে প্রবেশ করে। শিশুরা এইচআইভিতে আক্রান্ত হয় আক্রান্ত মায়ের দুধ পান করে। এ তিন জাতীয় তরলের মাধ্যমে এইড্স রোগ ছড়ায় ।

সুধীবৃন্দ,
এইডস সম্পর্কে আমাদের সচেতন হতে হবে। তবে এই রোগ কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়। একসাথে চলাফেরা, বসবাস, এমনকি একই গ্লাসে পানি পান করলেও এইড্স ছড়ায় না। তাই এইডস আক্রান্তদের ঘৃণা করা উচিত নয়। তাদের সঙ্গে মানবিক আচরণ ও সহায়তা করতে হবে। রোগকে ঘৃণা করতে হবে, রোগীকে ঘৃণা করা যাবে না। কাজেই বাঁচতে হলে আমাদের সবাইকে জানতে হবে। না জানলে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা যাবে না। আর এইড্স প্রতিরোধ সম্ভব হবে না।

সবাইকে ধন্যবাদ।

No comments