সাধারণ জ্ঞান : বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

Article Stats 📡 Page Views
Reading Effort
826 words | 5 mins to read
Total View
4.4K
Last Updated
13-Nov-2021 | 02:53 PM
Today View
0
বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি

জাতীয় ভাষা — বাংলা

জাতীয় সঙ্গীত — আমার সোনার বাংলা (১ম ১০ চরণ)

জাতীয় পাখি — দোয়েল।

জাতীয় ফুল — শাপলা

জাতীয় ফল — কাঁঠাল

জাতীয় পশু — রয়েল বেঙ্গল টাইগার

জাতীয় বন — সুন্দরবন

জাতীয় বৃক্ষ — আমগাছ

জাতীয় মাছ — ইলিশ

জাতীয় জাদুঘর — জাতীয় জাদুঘর, শাহবাগ, ঢাকা।

জাতীয় পতাকা — সবুজের মাঝে লাল বৃত্ত

জাতীয় কবি — কাজী নজরুল ইসলাম

জাতীয় পার্ক — শহীদ জিয়া শিশু পার্ক

জাতীয় উৎসব — বাংলা নববর্ষ

জাতীয় খেলা — কাবাডি (হাডুডু)

জাতীয় স্মৃতিসৌধ — সম্মিলিত প্রয়াস, সাভার

জাতীয় ও স্বাধীনতা দিবস — ২৬ মার্চ

জাতীয় প্রতীক — উভয় পাশে ধানের শীষ পরিবেষ্টিত পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা।তার মাথায় পাট গাছের পরস্পর সংযুক্ত তিনটি পাতা এবং উভয় পাশে দুটি করে তারকা।

জাতীয় ধর্ম — ইসলাম

জাতীয় মসজিদ — বায়তুল মোকাররম

জাতীয় মন্দির — ঢাকেশ্বরী মন্দির

জাতীয় খেলার মাঠ — বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম

জাতীয় চিড়িয়াখানা — ঢাকা চিড়িয়াখানা, মিরপুর

জাতীয় উদ্যান — সোহরাওয়ার্দী উদ্যান

জাতীয় পতাকা

বর্তমান ডিজাইনার — পটুয়া কামরুল হাসান।

মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকার প্রথম ডিজাইনার – শিব নারায়ণ দাস

প্রথম উত্তোলন করা হয় — ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে

প্রথম উত্তোলন করা হয় যে স্থানে — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের বটতলায়।

প্রথম উত্তোলন করেন – তৎকালীন ছাত্রনেতা ডাকসু ভিপি আ.স.ম. আবদুর রব

জাতীয় পতাকা দিবস পালন করা হয় — ২ মার্চ

জাতীয় সংগীতের সাথে প্রথম উত্তোলন করা হয় – ৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে, পল্টন ময়দানে।

বিদেশী মিশনে সর্বপ্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয় — ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতাস্থ বাংলাদেশ মিশনে।

বিদেশী মিশনে প্রথম উত্তোলন করেন — এম হোসেন আলী

জাতীয় পতাকা দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও লাল বৃত্তের অনুপাত যথাক্রমে — ৫:৩:১

জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি সরকারীভাবে গৃহীত হয় — ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি।

জাতীয় সংসদ ভবন

অবস্থান – ঢাকার শেরে বাংলানগরে

স্থপতি – প্রখ্যাত মার্কিন স্থপতি লুই আই কান

নির্মাণ কাজ শুরু হয় – ১৯৬১ সালে

উদ্বোধন করা হয় – ১৯৮২ সালে

উদ্বোধন করেন – তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তার

সংসদ ভবন এলাকার আয়তন – ২১৫ একর

সংসদ সংলগ্ন লেকটির নাম – ক্রিসেন্ট লেক

বর্তমান সংসদ ভবনের পূর্বে পূর্ব বাংলার আইনসভা হিসেবে ব্যবহৃত হয় – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল।

স্থাপত্য উৎকর্ষের জন্য আগা খান পুরষ্কার লাভ করেন – ১৯৮৯ সালে

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ – এক কক্ষ বিশিষ্ট

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রতিক – শাপলা ফুল

*এ পর্যন্ত বিদেশী রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে জাতীয় সংসদে বক্তৃতা করেছেন – ২ জন

বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ

অবস্থান – ঢাকার সাভারের নবীনগরে

স্থাপতি – সৈয়দ মাইনুল হোসেন

উচ্চতা – ১৫০ ফুট (৪৬.৫ মিটার)

অপর নাম – সম্মিলিত প্রয়াস

ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ১৯৭২ সালে।

উদ্বোধন করেন – তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হোসেন মুহাম্মদ এরশাদ, ১৯৮২ সালে।

গঠন – ৭ টি ত্রিভুজ আকৃতির দেয়াল নিয়ে গঠিত হয়েছে। এই ৭ টি দেয়াল আমাদের জাতীয় সাতটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে নির্দেশ করে। যথা -
  • ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
  • ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন
  • ১৯৫৬ এর ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন
  • ১৯৬২ শিক্ষা আন্দোলন
  • ১৯৬৬ ছয়দফা আন্দোলন
  • ১৯৬৯ এর গণ অভ্যুত্থান
  • ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ

বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত

রচয়িতা ও সুরকার – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রচনার প্রেক্ষাপট – ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ

রচনাকাল – ১৯০৫ সাল, বাংলা ১৩১২ বঙ্গাব্দ

গানটি প্রথম প্রকাশিত হয় – বঙ্গদর্শন পত্রিকায় ১৯০৫ সালে।

ইংরেজি অনুবাদ করেন – সৈয়দ আলী আহসান

সর্বপ্রথম যে চলচ্চিত্রে গানটি ব্যবহার করা হয় – ১৯৭০ সালের মুক্তিপ্রাপ্ত জহির রায়হানের 'জীবন থেকে নেয়া' চলচ্চিত্রে।

গানটিতে মোট চরণ আছে – ২৫ টি

জাতীয় সংগীত হিসেবে বিবেচিত – ১ম ১০ চরণ

কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে বাজানো হয় – ১ম ৪ চরণ

বাংলাদেশের নদ–নদী

নদী গবেষণা বিদ্যাকে বলা হয় – পোটমোলোজি

যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয় – ১৯৭২ সালে

বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদী – ৫৭ টি

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন নদীর সংখ্যা – ৫৪ টি

মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশকারী নদী – ৩ টি ( নাফ, সাঙ্গু, মাতামুহুরী)

বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট গঠিত হয় – ১৯৭৭ সালে

বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত – ভাঙ্গা, ফরিদপুর

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের নদী – ১ টি (পদ্মা)

বাংলাদেশ ও ভারতকে বিভক্তকারী নদী – হাড়িয়াভাঙ্গা নদী

বাংলাদেশের প্রধান নদী বন্দর – নারায়ণগঞ্জ

বাংলার সুয়েজখার বলা হয় – গাবখান নদী

কুমিল্লার দুঃখ বলা হয় – গোমতী নদীকে

বাংলার দুঃখ বলা হয় – দামোদার নদীকে

চট্টগ্রামের দুঃখ বলা হয় – চাকতাই খালকে

বাংলাদেশের জলসীমায় উৎপত্তি ও সীমান্ত নদী – হালদা

বাংলাদেশ ও মায়ানমার কে বিভক্তকারী নদী – নাফ (৬৫ কি.মি দৈর্ঘ্য)

কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র যে নদীতে অবস্থিত – কর্ণফুলী

বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশকারী নদী – ১ টি (কুলিখ)

ব্রহ্মপুত্র নদের তিব্বতীয় অংশের নাম – সানপো

পশ্চিমা বাহিনীর নদী বলা হয় – বিল ডাকাতিয়াকে।

নদীর বর্তমান - পুরাতন নাম

যমুনা নদীর পুরাতন নাম → জোনাই

পদ্মা নদীর পুরাতন নাম → নলিনী

বুড়িগঙ্গা নদীর পুরাতন নাম → দোলাই

ব্রহ্মপুত্র নদীর পুরাতন নাম → লোহিত্য

নদ - নদীর উৎপত্তিস্থল

পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল – হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ

যমুনা নদীর উৎপত্তিস্থল – কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর

মেঘনা নদীর উৎপত্তিস্থল – আসামের নাগ ও মনিপুর পাহাড়

কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল – আসামের লুসাই পাহাড়ের লংলেহ উপত্যকা

ব্রহ্মপুত্র নদীর উৎপত্তিস্থল – তিব্বতের কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর

করতোয়া নদীর উৎপত্তিস্থল – সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল

সাঙ্গু নদীর উৎপত্তিস্থল – আরাকান পর্বত

নদ-নদীর – মিলিতস্থান এবং প্রবাহ

পদ্মা ও মেঘনা নদীর মিলিতস্থান – চাঁদপুর → প্রবাহ মেঘনা

পদ্মা ও যমুনা নদীর মিলিতস্থান – গোয়ালন্দ, রাজবাড়ী → প্রবাহ পদ্মা

তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর মিলিতস্থান – চিলমারী,কুড়িগ্রাম → প্রবাহ ব্রহ্মপুত্র

পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর মিলিতস্থান – ভৈরব বাজার → প্রবাহ মেঘনা

দ্বীপ

বাংলাদেশের বৃহত্তম ব-দ্বীপের নাম – সুন্দরবন

পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপের নাম – বাংলাদেশ

বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা – ভোলা

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ – সেন্টমার্টিন, কক্সবাজার

সেন্টমার্টিন দ্বীপের অপরনাম – নারিকেল জিঞ্জিরা

সাগর দ্বীপ বা দ্বীপ জেলা – ভোলা

সন্দীপ দ্বীপ অবস্থিত – চট্টগ্রাম

বাতিঘরের জন্য বিখ্যাত দ্বীপ – মহেশখালী (কক্সবাজার)

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে একমাত্র বিরোধপূর্ণ দ্বীপ – দক্ষিণ তালপট্টি

সবচেয়ে বড় দ্বীপ – ভোলা

দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের অপরনাম – নিউমুর/পূর্বাশা

বাংলাদেশের চর

মহুরীর চর অবস্থিত – ফেনী

দুবলার চর অবস্থিত – সুন্দরবনের দক্ষিণে

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী চর – নির্মল চর রাজশাহী

চর নিউটন, চর মানিক, চর মনপুরা, চর জব্বার অবস্থিত – ভোলায়

চর আলেকজান্ডার, চর গজারিয়া অবস্থিত– লক্ষ্মীপুরে

দুবলার চর, পাটনি চর অবস্থিত – সুন্দরবনে।

আজিবুল হাসান
১ এপ্রিল, ২০২১

💎 উপরের লিখাগুলো ওয়ার্ড ফাইলে সেভ করুন!

মাত্র 10 টাকা Send Money করে অফলাইনে পড়ার জন্য বা প্রিন্ট করার জন্য উপরের লিখাগুলো .doc ফাইলে ডাউনলোড করুন।

Download (.doc)

Sribas Ch Das

Founder & Developer

HR & Admin Professional (১২+ বছর) ও কোচিং পরিচালক (১৪+ বছর)। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সহজ Study Content নিশ্চিত করতেই এই ব্লগ।

🏷️ Tag Related

⚡ Trending Posts

Facebook Messenger WhatsApp LinkedIn Copy Link

✅ The page link copied to clipboard!

Leave a Comment (Text or Voice)




Comments (0)