সাধারণ জ্ঞান : আন্তর্জাতিক সমাজ ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা
| Article Stats | 📡 Page Views |
|---|---|
|
Reading Effort 304 words | 2 mins to read |
Total View 460 |
|
Last Updated 09-May-2021 | 01:07 PM |
Today View 0 |
আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার একক বা উপাদান হচ্ছে – রাষ্ট্র।
১৬১৮ সালে সম্পাদিত ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি হল ইউরোপে ধর্ম রাজনীতি নিয়ে বিরোধের মীমাংসার সাক্ষ্য সম্পাদিত একটি শান্তিচুক্তি।
ধর্ম ও রাজনীতিকে কেন্দ্র করে ইউরোপে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল ১৬১৮ সালে।
কোন উপাদানগুলো আন্তর্জাতিক সমাজ সৃষ্টিতে সহায়ক হয় – দ্বন্দ্ব সংঘাত বন্ধ, সহযোগীতা, জাতি, রাষ্ট্র, ধর্ম ও আত্মীয়তার বন্ধন।
সংঘাত সংঘর্ষ ও সহযোগীতা হচ্ছে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য। আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা প্রতিটি রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমিকতাকে স্বীকারে করে। আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে কোন রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।
আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে Power Politics. বর্তমান ব্যবস্থায় একমাত্র পরাশক্তি – যুক্তরাষ্ট্র।
বর্তমান আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা একমেরুকেন্দ্রীক। সোভিয়েত ইউনিয়নের ভাঙ্গনের পূর্বে বিশ্বব্যবস্থা ছিল দ্বিমেরু কেন্দ্রীক।
সমাজ জীবনের প্রাথমিক পর্যায় গোষ্ঠী। আন্তর্জাতিক সমাজের প্রাথমিক পর্যায় ছোট ছোট জাতীয় রাষ্ট্র (ইউরোপ)।
আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার কর্তা- ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, জাতীয় রাষ্ট্র।
আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা নতুনভাবে প্রভাব বিস্তার করছে – N.G.O. Multinational Corporation (MNC).
Clandestine actor বা Sectet Agent হল দায়িত্বপ্রাপ্ত যে গোপন প্রতিষ্ঠান অন্য রাষ্ট্রের সামরিক রাজনৈতিক অর্থনৈতিক বিষয় সম্পর্কিত গোপন খবর নিজ সরকারকে অবহিত করে। এর উদাহরণ হচ্ছে মার্কিন CIA.
আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সৃষ্টি করেছে আত্মনির্ভরশীলতার সম্পর্ক (Interdependency Relation).
আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে বর্তমানে আরো ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে Transnational Problem (আন্ত : রাষ্ট্রীয় সমস্যা)।
Transnational Problem-এর উদাহরণ হচ্ছে Climate Change, International terrorism ইত্যাদি।
আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় বিশ্বের ইতিহাস সবচেয়ে পুরাতন আন্তর্জাতিক সংস্থার নাম Central Commission for the Navigation on the Rhine (CCNR) (একে Rhine Commian ও বলা হয়)। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮১৫ সালে।
CCNR এর সদস্য বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদাল্যান্ডস ও সুইজারল্যান্ড। এর উদ্দেশ্য ছিল Rhine Basin এর Navigation এর Security নিশ্চিত করা।
আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার ইতিহাসে ২য় প্রাচীন আন্তর্জাতিক সংস্থার নাম Universal Postal Union (UPU). UPU প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৭৪ সালে বান চুক্তির মাধ্যমে। UPU জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত হয় – ১৯৪৮ সালে। এর সদর দপ্তর বার্ন, সুইজারল্যান্ড।
UPU এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম ছিল General Postal Union (GPU) (প্রতিষ্ঠার চার বছর পর এর নাম হয় UPU).
প্রকৃত অর্থে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় সবচেয়ে কার্যকর আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান – জাতিসংঘ (১৯৪৫)।
১৬১৮ সালে সম্পাদিত ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি হল ইউরোপে ধর্ম রাজনীতি নিয়ে বিরোধের মীমাংসার সাক্ষ্য সম্পাদিত একটি শান্তিচুক্তি।
ধর্ম ও রাজনীতিকে কেন্দ্র করে ইউরোপে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল ১৬১৮ সালে।
কোন উপাদানগুলো আন্তর্জাতিক সমাজ সৃষ্টিতে সহায়ক হয় – দ্বন্দ্ব সংঘাত বন্ধ, সহযোগীতা, জাতি, রাষ্ট্র, ধর্ম ও আত্মীয়তার বন্ধন।
সংঘাত সংঘর্ষ ও সহযোগীতা হচ্ছে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য। আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা প্রতিটি রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমিকতাকে স্বীকারে করে। আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে কোন রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।
আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে Power Politics. বর্তমান ব্যবস্থায় একমাত্র পরাশক্তি – যুক্তরাষ্ট্র।
বর্তমান আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা একমেরুকেন্দ্রীক। সোভিয়েত ইউনিয়নের ভাঙ্গনের পূর্বে বিশ্বব্যবস্থা ছিল দ্বিমেরু কেন্দ্রীক।
সমাজ জীবনের প্রাথমিক পর্যায় গোষ্ঠী। আন্তর্জাতিক সমাজের প্রাথমিক পর্যায় ছোট ছোট জাতীয় রাষ্ট্র (ইউরোপ)।
আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার কর্তা- ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, জাতীয় রাষ্ট্র।
আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা নতুনভাবে প্রভাব বিস্তার করছে – N.G.O. Multinational Corporation (MNC).
Clandestine actor বা Sectet Agent হল দায়িত্বপ্রাপ্ত যে গোপন প্রতিষ্ঠান অন্য রাষ্ট্রের সামরিক রাজনৈতিক অর্থনৈতিক বিষয় সম্পর্কিত গোপন খবর নিজ সরকারকে অবহিত করে। এর উদাহরণ হচ্ছে মার্কিন CIA.
আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সৃষ্টি করেছে আত্মনির্ভরশীলতার সম্পর্ক (Interdependency Relation).
আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে বর্তমানে আরো ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে Transnational Problem (আন্ত : রাষ্ট্রীয় সমস্যা)।
Transnational Problem-এর উদাহরণ হচ্ছে Climate Change, International terrorism ইত্যাদি।
আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় বিশ্বের ইতিহাস সবচেয়ে পুরাতন আন্তর্জাতিক সংস্থার নাম Central Commission for the Navigation on the Rhine (CCNR) (একে Rhine Commian ও বলা হয়)। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮১৫ সালে।
CCNR এর সদস্য বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদাল্যান্ডস ও সুইজারল্যান্ড। এর উদ্দেশ্য ছিল Rhine Basin এর Navigation এর Security নিশ্চিত করা।
আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার ইতিহাসে ২য় প্রাচীন আন্তর্জাতিক সংস্থার নাম Universal Postal Union (UPU). UPU প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৭৪ সালে বান চুক্তির মাধ্যমে। UPU জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত হয় – ১৯৪৮ সালে। এর সদর দপ্তর বার্ন, সুইজারল্যান্ড।
UPU এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম ছিল General Postal Union (GPU) (প্রতিষ্ঠার চার বছর পর এর নাম হয় UPU).
প্রকৃত অর্থে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় সবচেয়ে কার্যকর আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান – জাতিসংঘ (১৯৪৫)।
Leave a Comment (Text or Voice)
Comments (0)