ভাবসম্প্রসারণ : অনেক কিছু ভাবার চেয়ে অল্প কিছু করাই শ্রেয়

Article Stats 📡 Page Views
Reading Effort
427 words | 3 mins to read
Total View
2.6K
Last Updated
07-May-2026 | 07:23 PM
Today View
0
অনেক কিছু ভাবার চেয়ে অল্প কিছু করাই শ্রেয়

মূলভাব : কাজের পরিকল্পনার চেয়ে কাজে লেগে যাওয়ার গুরুত্ব অনেক বেশি। তাই ভাবনা বাহুল্যের প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন হল কর্মবাহুল্যের। সুতরাং, যা ভাবতে হবে তা কাজে রূপাদান করেই সে ভাবনাকে সার্থক করতে হবে। প্রাচীন শাস্ত্রে আছে, ‘কর্মই সত্যমের জীবন’।

সম্প্রসারিত-ভাব : কর্মের মধ্যেই জীবনের সাফল্যের বীজ নিহিত রয়েছে। সেজন্য কাজ করতে হবে। কাজের মাধ্যমেই মানবজীবন ধন্য করতে হবে। শুধু শুধু ভাবনার কোন গুরুত্ব নেই। সে ভাবনা এক ধরনের বিলাসিতা। তার ফুলও নেই, ফলও নেই। সুতরাং, তা ভাবা শুধু শুধু বেকার। কারণ, আমরা শুধু জ্বালানি কাঠকে আগুন বলি না, আর তাতে আগুন না দিলে তা জ্বলে না। ফলে তা কাঙ্ক্ষিত ফলও দেয় না। সুতরাং, অনেক ভাবনার সার্থকতা নেই। তা থেকে অন্তত কিছু কাজে রূপদান করার মাধ্যেই রয়েছে সার্থকতা। অনেকে বড় বড় কাজের পরিকল্পনা আঁটে, এটা করব সেটা করব বলে বাগাড়ম্বর করে, কিন্তু কাজের বেলায় তারা ঠনঠন। বড় পরিকল্পনা আঁটা ভালো কিন্তু তা কাজে রূপান্তরিত করা যাবে কি না সেটিই প্রকৃত জিজ্ঞাসা। এ ক্ষেত্রে দেখা যায় বাগাড়ম্বর কোন কাজের সিদ্ধি নিয়ে আসে না। তার চেয়ে ছোট পরিকল্পনা করাই ভালো। সামর্থ্যের বাইরে কোন কিছু করতে যাওয়া অনুচিত। ভাবনার চেয়ে কর্মের ‍গুরুত্ব অনেক বেশি, সে ভাবনা যত ক্ষুদ্রই হোক না কেন।

তাই আমাদের সকলের উচিত। বড় কিছু চিন্তাভাবনা না করে ছোট খাট কিছু করা অনেক ভালো।


এই ভাবসম্প্রসারণটি অন্য বই থেকেও সংগ্রহ করে দেয়া হলো


মূলভাব : কর্মের মানুষের প্রকৃত পরিচয়। অর্থহীন ও অলস ভাবনার চেয়ে অল্প পরিমাণ কাজ করা অধিক কল্যাণকর।

সম্প্রসারিত ভাব : পৃথিবীতে একশ্রেণির মানুষ রয়েছে যারা কাজের চেয়ে ভাবনাকেই বেশি গুরুত্ব দেয়। তারা অন্যের চেয়ে নিজেকে বেশি যোগ্য বলে মনে করে এবং অন্যের কাজের নেতিবাচক সমালোচনা করতে পছন্দ করে। এ শ্রেণির মানুষ সমাজের জন্যে কোনো কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। মিথ্যা আত্মপ্রচার আর অসম্ভব সব পরিকল্পনা নিয়ে তারা আত্মপ্রসাদ পেয়ে থাকে। বলাই বাহুল্য, এদের সমস্ত ভাবনা ও পরিকল্পনাই ভবিষ্যতের জন্য গচ্ছিত থাকে; কোনো সময়ই তা বাস্তবে রূপ নেয় না। একসময় তাদের অন্তঃসারশূল্য জীবনের অবসান হয়।

পক্ষান্তরে, যিনি কাজের মানুষ, তিনি কর্মকেই ধ্যান-জ্ঞান করেন। এ শ্রেণির মানুষ আত্মসচেতন ও আত্মমর্যাদাশীল হয়ে থাকেন। এঁরা কখনোই অর্থহীন বাগাড়ম্বর করে কিংবা কপট ভাবুক বা জ্ঞানী সেজে নিজেকে ক্ষুদ্র করেন না। বরং কর্ম নিষ্পন্ন- তা সে যত অল্পই হোক, করার মধ্যেই তিনি আত্মতৃপ্তি খুঁজে পান। আর একথা সত্য যে, মানুষের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কাজের সমষ্টিই একসময় মানবসমাজের বৃহৎ কল্যাণসাধন করে। সুতরাং এ শ্রেণির মানুষ সমাজ ও সভ্যতার সম্পদ। এ কারণে এঁরা সমাজ কর্তৃক সমাদৃত ও সম্মানিত হন।

মন্তব্য : অর্থহীন ভাবনা মানুষের কোনো কল্যাণ বয়ে আনে না, তা সময়ের অপচয় করে মাত্র; অন্যদিকে পরিমাণে অল্প যেকোনো কাজ মানবজীবনের প্রবাহকে সমৃদ্ধ ও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। সুতরাং আমাদেরকে ভাবুক হবার পথ পরিহার করে কর্মী হবার সাধনা করতে হবে।

💎 উপরের লিখাগুলো ওয়ার্ড ফাইলে সেভ করুন!

মাত্র 10 টাকা Send Money করে অফলাইনে পড়ার জন্য বা প্রিন্ট করার জন্য উপরের লিখাগুলো Microsoft Word ফাইলে ডাউনলোড করুন।

Download (.docx)

Sribas Ch Das

Founder & Developer

HR & Admin Professional (১২+ বছর) ও কোচিং পরিচালক (১৪+ বছর)। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সহজ Study Content নিশ্চিত করতেই এই ব্লগ।

🏷️ Tag Related

⚡ Trending Posts

Facebook Messenger WhatsApp LinkedIn Copy Link

✅ The page link copied to clipboard!

Leave a Comment (Text or Voice)




Comments (1)

Md Suruzzamans Sweet 22-Jul-2018 | 05:45:08 AM

ধন্যবাদ এটা লেখার জন্য।

Old Taka Archive (ota.bd)

✓ ১০০% আসল নোটের নিশ্চয়তা